ডিসিআরকৃত সম্পত্তি জোরপূর্বক ভবন নির্মাণের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন


প্রকাশিত : ফেব্রুয়ারি ৩, ২০১৯ ||

নিজস্ব প্রতিনিধি: পাটকেলঘাটায় পুলিশকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ডিসিআরকৃত সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করে জয়দেব নামের এক ব্যক্তি ভবন নির্মাণের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন ঠিকাদার শিশির অধিকারী। তিনি বলেন, আমার স্থায়ীনিবাস রাজবাড়ী জেলার পাংশা এলাকায়। সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে ঠিকাদার হিসেবে দীর্ঘদিন পাটকেলঘাটার কুমিরায় করাকালীন সময়ে বিগত ২০১১-২০১২ সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের আওতাধীন পাটকেলঘাটার কুমিরা মৌজায় এস.এ খতিয়ান নং-১, দাগ নং-১৫১০, জমির পরিমাণ ৩শতক সম্পূর্ণ বৈধভাবে সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ থেকে ইজারা গ্রহণ করি। এরপর থেকে দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সাথে আমি সেখানে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলাম। সম্প্রতি আমার স্ত্রী অসুস্থ্য হওয়ার কারণে সম্পত্তি এবং ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনা করার জন্য পাটকেলঘাটা এলাকার চৌগাছা গ্রামের শেখ আসাদুর রহমানের পুত্র শেখ মখফুর রহমানকে আমমোক্তার হিসেবে নিয়োগ দান করি। তিনি বর্তমানে ওই সম্পত্তি এবং ব্যবসা বাণিজ্য দেখাশোনা করে আসছেন। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে একই এলাকার চিহ্নিত ভূমিদস্যু মৃত সাধন দাশের পুত্র জয়দেব দাশ গত ২০১৮ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়ে উক্ত সম্পত্তি দখল নেওয়ার পায়তারা শুরু করে। কিন্তু সে সময় স্থানীয় জনগণ ও প্রশাসন তার এ অসৎ উদ্দেশ্যে সফল করতে দেয়নি। স্বার্থলোভী জয়দেব দাস এতে ক্ষিপ্ত হয়ে কৌশলে ওই সম্পত্তি দখল নেওয়ার জন্য ভিন্ন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। গত ১০ জানুয়ারি ২০১৯ তারিখে লোকজন নিয়ে আবারো দখলের পায়তারা করলে আমমোক্তার মখফুর আদালতে মামলা করলে আদালত তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করে। তাকে নোটিশ দিয়ে আসলে সে প্রাথমিকভাবে পায়তারা বন্ধ করে দেয়। কিন্তু পরবর্তীতে আবারো ওই সম্পত্তিতে জমি দখল কে পাকা স্থাপনা নির্মানের চেষ্টা করে। সে সময় আমার আমমোক্তার আদালতের আদেশ নিয়ে পুলিশের কাছে গেলে পুলিশ জয়দেবকে ওই সম্পত্তিতে কাজ না করার জন্য নির্দেশ দেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে চলে আসার পরপরই আবারো কাজ শুরু করে সুচতুর জয়দেব দাস। বিষয়টি আবারো পুলিশকে অবগত করলে পুলিশ কয়েক বার তাকে কাজ বন্ধ করার নির্দেশদেয়। আমার যাতে তার কাজে বাধা দিতে না পারি সে কারণে ওই ভূমিদস্যু জয়দেব দাস স্থানীয় সন্ত্রাসী রফিকুল মোড়ল ও গোপাল ঘোষের নেতৃত্বে ভাড়াটিয়া বাহিনী নিয়োগ করে রেখেছে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেলেই তারা পালিয়ে যাচ্ছে। পুলিশ চলে যাওয়ার পর আবারো ওই ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী বাহিনীর বেষ্টনির মাধ্যমে নির্মাণ কাজ চালাচ্ছে এবং আমার আমমোক্তারকে প্রকাশ্যে হুমকি ধামকি প্রদর্শন করছে। তিনি ওই ভূমিদস্যু জয়দেব দাসের হাত থেকে সম্পত্তি উদ্ধারের জন্য সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।