বাণিজ্যিকভাবে বিষমুক্ত নতুন স্কোয়াশ চাষে সফলতা


প্রকাশিত : ফেব্রুয়ারি ৪, ২০১৯ ||

 

বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি: উচ্চ মূল্যের নতুন জাতের আঁশ জাতীয় বিশমুক্ত সবজি স্কোয়াশ চাষে সফলতা পেয়েছে যশোরের শার্শা ও বেনাপোলের কৃষকেরা। ৩জন চাষী বাণিজ্যিক শুরু করেছেন খেতে সুস্বাদ পুষ্টিগুনে ভরা এ স্কোয়াশ চাষ। সালাদ করে,কাচা ও রান্না করে খাওয়া যায় আকর্ষনীয় এ সবজি। শার্শায় বেলে দোয়াশ মাটিতে স্কোয়াশ চাষে সফল হওয়ায় লাভের আশা করছেন চাষীরা।

মধ্যপ্রাচ্যে জন্ম নেওয়া স্কোয়াশ চাষ বাংলাদেশে শুরু হয় বেশ কয়েক বছর আগেই। বেনাপোলের আমড়াখালিও পান্তাপাড়া গ্রামে তিনজন কৃষক এই প্রথম বাণিজ্যিকভাবে শুরু করেছেন স্কোয়াশ চাষ। যার রয়েছে প্রচুর ওষধিগুন। ৮০ থেকে ৮৫ দিনেই বাজারজাত করা যায় স্কোয়াশ। উপরের রং দেখতে কুমড়ার মতো হলেও ভিতরে সাদা। এক থেকে দেড় ফুট লম্বা হয় স্কোয়াশ। প্রতি বিঘায় ফলে শতাধিক মন স্কোয়াশ। ভাল ফলন ও লাভের আশা কৃষকের।

চাষী আকবার আলী ও নজরুল ইসলাম বলেন, এই প্রথম চাষ করেছেন তারা। ফুল ও ফলে ভরে গেছে স্কোয়াশ ক্ষেত। নতুন এ সবজি দেখতে অনেকে আসছেন মাঠে। চাষে আগ্রহ প্রকাশ করছেন তারা।

শার্শার মাটিতে স্কোয়াশ গাছ, ফুল ও ফল ভাল হওয়ায় এ সবজি চাষে আগ্রহ বাড়ছে চাষীদের। শার্শা উপজেলা উপ সহকারি কৃষি কর্মকর্তা অসীম চন্দ্র মজুমদার বলেন, উপজেলায় বানিজ্যিকভাবে শুরু হয়েছে স্কোয়াশ চাষ। চাষীদের প্রশিক্ষন পরামর্শ ও সহযোগিতা দেওযায় স্কোয়াশ চাষে আগ্রহ বাড়ছে চাষীদের। আগামীতে উন্নত জাতের এ স্কোয়াশ চাষ বাড়ার আশা করেন তারা। একাধিক গুনাগুন ও চাহিদা সম্পন্ন হওয়ায় জনপ্রিয়তা বাড়ছে স্কোয়াশের।