বেনাপোলে বাণিজ্যিকভাবে ব্রকলি চাষ: লাভবান চাষী


প্রকাশিত : ফেব্রুয়ারি ৪, ২০১৯ ||

 

এমএ রহিম, বেনাপোল (যশোর): যশোরের শার্শা ও বেনাপোলে এনএটিপি-২প্রজেক্টের আওতায় বাণিজ্যিকভাবে শুরু হয়েছে পুষ্টিগুনে ভরা খেতে সুস্বাদু-ডিউক জাতের ব্রকলি চাষ। অল্প খরচে স্বল্প সময়ে অধিক লাভের ফসল ব্রকলি চাষে লাভবান হচ্ছে কৃষক-বাড়ছে চাষ কমছে বেকারত্ব। চাহিদা বাড়ায় এসবজি চাষে আগ্রহ বাড়ছে চাষীদের।

যশোরের শার্শার পান্তাপাড়া গ্রামের নুরুল ইসলাম, বেনাপোল ভবাড়বেড় গ্রামের আব্দুর রাজ্জাক ও ফজলুর রহমান উচ্ছ মূল্যের ফসল হিসেবে সবুজ সবজি খ্যাত ব্রকলি চাষে লাভ পেয়েছেন ভাল। গ্যাস আমাশা, ডায়াবেটিস উপশম হজমি কারকসহ বিভিন্ন ঔষধি গুন পুষ্টি বেশী থাকায় ব্রকলির চাহিদা বাড়ছে। ৬৫দিনপর বাজারজাত করা যায় ব্রকলি। স্থীনীয় বাজারে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৪৫ টাকায়। অল্প খরচেই ৪গুন বেশি লাভ হওয়ায় একে অপরের দেখাদেখি বাড়ছে চাষ লাভবান হচ্ছে তারা।

দেখতে ভাল খেতে সুস্বাদু-নতুন জাতের এ ব্রকলির প্রতি আগ্রহ বাড়ছে স্থানীয়দের। রোগ প্রতিরোধী ও খাদ্য উপযোগি এ সবজি চাষে সরকারের সহযোগিতা চান স্থানীয়রা। চাষী নজরুল ইসলাম ও ফজলুর রহমান বলেন, দাম ফলন ভাল পাওয়া যায়। চাহিদা ও বেশি। তাই আগামী বছর আরো ৫বিঘা জমিতে করবেন ব্রকলি চাষ। তবে সরকারের আরো সহযোগিতা পেলে ব্রকলি দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রফতানি করা সম্ভব বলে জানান তারা।

শার্শা-উপ সহকারি কৃষি কর্মকর্তা অসীম চন্দ্র মজুমদার বলেন,উপজেলায় বানিজ্যিকভাবে শুরু হয়েছে ব্রকলি চাষ। চাষীদের প্রশিক্ষন পরামর্শ ও সহযোগিতা দেওযায় ব্রকলি চাষ বাড়ছে।

শার্শা-উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সৌতম কুমার শীল বলেন, ব্রকলি বাংলাদেশের পেক্ষাপটে উচ্ছমূল্যের, একাধিক গুনাগুন ও চাহিদা সম্পূন্ন নতুন একটি ফসল হওয়ায় লাভবান হচ্ছে চাষী-ব্রকলি চাষে বাড়ছে আগ্রহ। দিন দিন চাষ বাড়ছে। সবজি চাহিদা মিটছে অনেকাংশে। বিষ মুক্ত সবজির চাহিদা বাড়ছে সব মহলে। শার্শা উপজেলায় ৪০ থেকে ৫০ জন কৃষক দেড় শতাধিক বিঘা জমিতে করেছেন ব্রকলি চাষ। লাভবান হচ্ছেন তারা।