উপজেলা নির্বাচনে প্রার্থী বাছাইয়ে কালিগঞ্জে আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা চেয়ারম্যান পদে যৌথভাবে শীর্ষে মেহেদী হাসান সুমন ও সাঈদ মেহেদী


প্রকাশিত : ফেব্রুয়ারি ৫, ২০১৯ ||

 

 

নিয়াজ কওছার তুহিন: আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দলীয় প্রার্থী বাছাইয়ের লক্ষ্যে বর্ধিত সভা সোমবার (৪ ফেব্রুয়ারী) সকাল সাড়ে ১০ টায় উপজেলা অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম পর্বে জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য এড. শেখ মোজাহার হোসেন কান্টুর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সাতক্ষীরা-২ আসনের এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাঈদ মেহেদীর সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন এবং বক্তব্য রাখেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্জ্ব নজরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ একেএম জাফরুল আলম বাবু, যুগ্ম সম্পাদক সৈয়দ ফিরোজ কামাল শুভ্র, দপ্তর সম্পাদক হারুনর রশিদ,  সাতক্ষীরা সদর আওয়ামী লীগের সভাপতি এসএম শওকাত হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি মাস্টার নরিম আলী, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক খান আসাদুর রহমান, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কালিগঞ্জ ইউনিটর ডেপুটি কমান্ডার আব্দুল হাকিম প্রমুখ।

অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্বে এমপি মীর মোস্তাক আহমেদ রবির সভাপতিত্বে পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী বাছাইয়ের লক্ষ্যে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে উপজেলার ১২ ইউনিয়নের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদধারী ২৪ জন, ১০৮ টি ওয়ার্ডের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদধারী ২১৬ জন এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ১ জনসহ সর্বমোট ২৪১ জন কাউন্সিলরের মধ্যে ২৩৯ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। এর মধ্যে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মরহুম শেখ ওয়াহেদুজ্জামানের জ্যেষ্ঠ পুত্র কুশুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড কালিগঞ্জ ইউনিটের সভাপতি শেখ মেহেদী হাসান সুমন ৭২ ভোট এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাঈদ মেহেদী ৭২ ভোট পেয়ে যৌথভাবে প্রথম হয়েছেন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৬২ ভোট পেয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তারালী ইউপি চেয়ারম্যান এনামুল হোসেন ছোট। এছাড়া জেলা পরিষদ সদস্য নুরুজ্জামান জামু ১৪ ভোট ও অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ আতাউর রহমান পেয়েছেন ১২ ভোট এবং বাতিল হয়েছে ৭ টি ব্যালট। দলীয় মনোনয়নের জন্য আবেদনকারী ৭ প্রার্থীর মধ্যে নির্বাচনের পূর্ব মুহূর্তে শেখ আনছার উদ্দীন লাভলু তার নাম প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন। এদিকে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীরা সর্বোচ্চ ভোটের ভিত্তিতে পাওয়া ৩ প্রার্থীর পাশাপাশি জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মীর মোস্তাক আহমেদ রবিসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দের অনুরোধে সমঝোতার ভিত্তিতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য এড. শেখ মোজাহার হোসেন কান্টুর নাম তালিকাভুক্ত করে চুড়ান্ত মনোনয়নের জন্য কেন্দ্র পাঠানোর বিষয়ে ঐক্যমত পোষণ করেন। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ায় প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীসহ দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের মাঝে খুশীর আমেজ সৃষ্টি হয়েছে।