পরিবেশ দূষণ মোকাবেলায় উন্নত প্রযুক্তির সহায়তা নিতে হবে: বেগম হাবিবুন নাহার


প্রকাশিত : February 10, 2019 ||

পত্রদূত ডেস্ক: পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন উপমন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার বলেছেন, পরিবেশ দূষণ মোকাবেলায় উন্নত প্রযুক্তির সহায়তা নিতে হবে। দেশে-বিদেশে শিল্প, কল-কারখানা বৃদ্ধির কারণে পরিবেশ দূষণের ঝুঁকি বেড়ে চলছে। এই ঝুঁকি মোকাবেলায় আন্তর্জাতিক ও জাতীয়ভাবে সকলকে সম্মিতিলভাবে কাজ করতে হবে।
তিনি শনিবার সকালে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় মিলনায়তনে ‘ঈষরসধঃব ঈযধহমব অমবহফধ ভড়ৎ ঈঁষঃঁৎধষ ঐবৎরঃধমব রহ ইধহমষধফবংয’ শীর্ষক দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সেমিনার-ওয়ার্কশপ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
উপমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার ধারাবাহিকভাবে সুষ্ঠু পরিকল্পনা নিয়ে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এবং পরিবেশ সুরক্ষা ও উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য অনেক উন্নত দেশ দায়ী। বাংলাদেশসহ আবার অনেক দেশ হুমকির মুখে। তিনি আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষতি মোকাবেলায় সচেতনতা সৃষ্টির পাশাপাশি নিজেদের সক্ষমতা তৈরি করতে হবে। অন্যদেশের দিকে তাকিয়ে থাকলে হবে না। বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃঢ় মনোভাবের কারণে যেমনিভাবে পদ্মাসেতু নির্মিত হচ্ছে, তেমনি তাঁর সঠিক নেতৃত্বে দেশের জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি মোকাবেলায় আমরা সক্ষমতা অর্জন করতে পারবো ইনশাল্লাহ।
এতে সভাপতিত্ব করেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান। সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে ভিডিও বার্তার মাধ্যমে বক্তৃতা করেন ইউনেস্কোর কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ বিয়াট্রেস কালদুন এবং খুলনাস্থ ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার রাজেশ কুমার রায়না, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তিবিদ্যা স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. উত্তম কুমার মজুমদার। সেমিনারে ছয়টি মূল নিবন্ধ উপস্থাপন করা হয়। এগুলো উপস্থাপন করেন যথাক্রমে-বুয়েটের ওয়াটার এন্ড ফ্লাড ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউটের প্রফেসর ড. এ কে এম সাইফুল ইসলাম, ভারতের আইআইটি’র (খড়গপুর) প্রফেসর ড. সংঘমিত্র বসু ও ভিএসপিবি’র সহযোগী ড. সুপতেন্দু বিশ্বাস, বুয়েটের স্থাপত্য বিভাগের প্রফেসর ড. কাজী আজিজুল মাওলা, খুলনা প্রতœতত্ত্ব অধিদপ্তরের আঞ্চলিক পরিচালক আফরোজা খান মিতা এবং খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য ডিসিপ্লিনের প্রধান ড. খন্দকার মাহফুজ-উদ-দারাইন। সেমিনারে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক, কুয়েট ও খুবি’র শিক্ষার্থীসহ সরকারি ও বেসরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিরা অংশ গ্রহণ করেন।