খোলা কলাম এমন দিনে কি তারে ভোলা যায়?


প্রকাশিত : ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০১৯ ||

জাবের হোসেন: আজ ১৪ ফেব্রুয়ারি। বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। প্রেম-ভালোবাসায় মাতোয়ারা হওয়ার দিন আজ। প্রকৃতির পালাবদলে কাল এসেছে বসন্ত, সেই ফাগুনের মাতাল হাওয়ায় আজ উদ্দাম ভেসে যাবে প্রেম পিয়াসী তরুণ-তরুণী। ভালোবাসার রঙে রঙিন হবে হৃদয়। মনের যতো বাসনা, যত অব্যক্ত কথা ডালাপালা মেলে ছড়িয়ে পড়বে বসন্তের মধুর হাওয়ায়। কপোত-কপোতী পরস্পরকে নিবেদন করবে মনের যতো কথা, জানাবে ভালোবাসা। আজ চুপকথা শুনবার ও শোনানোর দিন। আজ কারো কারো চুপকথাগুলো হয়ে যাবে রূপকথা। সারাজীবন মনে রাখার মতো গল্প।
সেন্ট ভ্যালেন্টাইন’স ডে অসাধারণ একটি দিন।তাদের চোখে দিনটি যদি শেষ না হতো। একটু পূর্বের ইতিহাস ঘুরে আসি। ২৬৯ সালে ইতালির রোম নগরীতে সেন্ট ভ্যালেইটাইন’স নামে একজন খৃষ্টান পাদ্রী ও চিকিৎসক ছিলেন। ধর্ম প্রচার অভিযোগে তৎকালীন রোমান স¤্রাট দ্বিতীয় ক্রাডিয়াস তাঁকে বন্দী করেন। কারণ তখন রোমান সা¤্রাজ্যে খৃষ্টান ধর্ম প্রচার নিষিদ্ধ ছিল। বন্দী অবস্থায় তিনি জনৈক কারারক্ষীর দৃষ্টিহীন মেয়েকে চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ করে তোলেন। এতে সেন্ট ভ্যালেইটাইনের জনপ্রিয়তার প্রতি ঈর্ষান্বিত হয়ে রাজা তাকে মৃত্যুদ- দেন। সেই দিন ১৪ ফেব্রুয়ারি ছিল। অত:পর ৪৯৬ সালে পোপ সেন্ট জেলাসিউও ১ম জুলিয়াস ভ্যালেইটাইন’স স্মরণে ১৪ ফেব্রুয়ারিকে ‘ভ্যালেন্টাইন’ দিবস ঘোষণা করেন।
মূলত: পাশ্চাত্যের ক্ষেত্রে জন্মদিনের উৎসব, ধর্মোৎসব সবক্ষেত্রেই ভোগের বিষয়টি মূখ্য। তাই গির্জা অভ্যন্তরেও মদ্যপানে তারা কসুর করে না। খৃস্টীয় এই ভ্যালেন্টাইন দিবসের চেতনা বিনষ্ট হওয়ায় ১৭৭৬ সালে ফ্রান্স সরকার কর্তৃক ভ্যালেইটাইন উৎসব নিষিদ্ধ করা হয়। ইংল্যান্ডে ক্ষমতাসীন পিউরিটানরাও একসময় প্রশাসনিকভাবে এ দিবস উদযাপন নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।
এছাড়া অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি ও জার্মানিতে বিভিন্ন সময়ে এ দিবস প্রত্যাখ্যাত হয়।
পাকিস্তানেও ২০১৭ সালে ইসলামবিরোধী হওয়ায় ভ্যালেন্টাইন উৎসব নিষিদ্ধ করে সেদেশের আদালত। বর্তমানকালে, পাশ্চাত্যে এ উৎসব মহাসমারোহে উদযাপন করা হয়। যুক্তরাজ্যে মোট জনসংখ্যার অর্ধেক প্রায় ১০০ কোটি পাউন্ড ব্যয় করে এই ভালোবাসা দিবসের জন্য কার্ড, ফুল, চকোলেট, অন্যান্য উপহারসামগ্রী ও শুভেচ্ছা কার্ড ক্রয় করতে, এবং আনুমানিক প্রায় ২.৫ কোটি শুভেচ্ছা কার্ড আদান-প্রদান করা হয়।
আজ মুঠোফোনের মেসেজ, ই-মেইল অথবা অনলাইনের চ্যাটিংয়ে ছোট ছোট কথায় গড়ে উঠবে ভবিষ্যতের সোপান। এ দিনে চকোলেট, পারফিউম, গ্রিটিংস কার্ড, ই-মেইল, মুঠোফোনের এসএমএস-এমএমএসে প্রেমবার্তা, প্রিয় উপহার, অথবা বই ইত্যাদি শৌখিন উপঢৌকন প্রিয়জনকে উপহার দেওয়া হয়।
ভালোবাসা নিয়ে অজ¯্র কবিতা আর গান আজ মুখে মুখে মনে মনে সুরে-বেসুরে আবৃত্তি আর গীত হবে। আজ প্রিয়তমার হাত ধরে কিংবা পাশে বসে অনেকেই রচনা করবে নিজেদের ভবিষ্যত।
১৪ ফেব্রুয়ারি ‘বিশ্ব ভালোবাসা দিবস’। সারাবিশ্বের অনেক দেশের মতই আমাদের দেশে (কিছু ক্ষেত্রে প্রয়োজনের চেয়ে একটু বেশিই) মহাসমারোহে দিনটি পালন করে যাচ্ছে লাখো বাঙালি। আমরা বাঙ্গালীরা উৎসব প্রিয়।
তবে দু:খজনক ব্যাপার হল নিজের সংস্কৃতি আর ঐতিহ্য ভুলে বরাবরই পশ্চিমা বিশ্বের অনুকরণে নিজেদের বিলিয়ে দিতে একটু বেশিই উৎসাহী আমরা। এর সবচেয়ে বড় কারণ আমরা বড় বেশি অনুকরণ প্রিয়।
যাই হোক নিজেও এই সংস্কৃতি ও কৃষ্টির অংশ হিসেবে অন্যের দোষ গুন খুঁজে সমালোচনা করার উদ্দেশ্য আমার নয়। আধুনিকতার সংজ্ঞা কিছুতেই অশ্লীলতা নয়। বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে বিভিন্ন সম্পর্ককে মূল্যায়ন করে একজন আর একজনের প্রতি ভালোবাসা প্রদর্শন করবে, এতে কোন বাঁধা বা সমালোচনার সুযোগ নেই।
কিন্তু ভালোবাসা প্রকাশের ধরন যদি হয় প্রশ্নবিদ্ধ (?) তাহলে একটু দাঁড়ান, আপনার সাথে একটু কথা আছে। ভালোবাসা দিবস নিয়ে আপনাদের জন্য আজকের এই ফিচার। নিজে জানুন এবং অন্যকেও জানান প্রয়োজনীয় সতর্কতা এবং একটি সুস্থ্য সুন্দর সমাজ নিশ্চিতকরণে হয়ত কার্যকর একটি ফিচার।
ভালোবাসা মানে হল হৃদয়ং এর মানুষটিকে প্রাণ উজাড় করে ভালোবাসা। যদিও ভালোবাসার মানুষটিকে ৩৬৫ দিনই ভালবাসতে হবে। এর পরও একটি বিশেষ দিনকে উপলক্ষ হিসেবে ধরে প্রেমিক-প্রেমিকারা ভালোবাসা দিবসটি উদযাপন করেন।
এখন চলুন কিভাবে বাংলাদেশে দিবসটিকে কিভাবে উদযাপন করা হয় তার কয়েকটি বাস্তব চিত্র দেখি:
দিন বদলের সাথে সাথে ছেলে মেয়েরা আধুনিক হচ্ছে। ভালোবাসা দিবসকে উপলক্ষ করে প্রেমিকের সাথে লং ড্রাইভ, রেস্টুরেন্টে খেতে যাওয়া, ফুল কার্ড দিয়ে সেলিব্রেট করা এতটুকু আমার কাছে স্বাভাবিক। কিন্তু শুধু তাই কি? না। বাস্তবের চিত্র ভিন্ন। চলুন জানি ভালোবাসা দিবস পালনের নামে ঐ দিনে কি কি নোংরামি হয়। বাস্তবতার প্রেক্ষিতে উল্লেখযোগ্য ৩টি নোংরামির কথা ব্যাখ্যা করা হলো:
প্রেমিকাকে নিয়ে ডেট করার জন্য হোটেলের রুম রিজার্ভেশান: এখনকার যুগের ছেলে মেয়েরা হোটেল ডেট নামক শব্দটির সাথে বেশ পরিচিত। ভালোবাসা দিবসকে উপলক্ষ করে প্রেমিকের সাথে হোটেলে ডেটিং করতে যায়। তরুণী ! তুমি কি ফ্রি-সেক্সে বিশ্বাস কর? যদি না কর তাহলে বল যে ছেলেটির সাথে হোটেলে ডেটিং করতে গেছ সে তোমাকে বিয়ে করবে তার নিশ্চয়তা কি? কাল যদি তার সাথে তোমার ব্রেক আপ হয়ে যায় তখন কি করবে? অন্য একটি ছেলের সাথে প্রেম করবে? এভাবে ! কি চলে ? জীবনটিকে ধ্বংস করে দিবে? তোমার মা-বাবার স্বপ্ন তুমি ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার-ব্যারিস্টার হবে? সে স্বপ্ন এর কি হবে? যে মা তোমাকে ১০ মাস ১০ দিন গর্ভধারণ করে নির্মম প্রসব বেদনা সহ্য করেছেন অসহনীয় যন্ত্রণা ভোগ তোমাকে পৃথিবীর আলো দেখিয়েছেন, যে বাবা তোমাকে মানুষ করার জন্য নিজের রক্ত পানি করেছেন অথবা এখনো করছেন তাদের অপমান করার ও সমাজে হেয় করার অধিকার তোমাকে কে দিয়েছে? একবার ভেবে দেখ, একবার মা-বাবার মুখটি মনে করে দেখ। তাদের বিশ্বাসের সাথে প্রতারণা করতে লজ্জা করবেনা?
ভ্যালেন্টাইন ডে পালনের নামে ডি জে পার্টিতে গিয়ে মদ খেয়ে তাল হারিয়ে ফেলা পরে নিজের সতীত্ব বিসর্জন: ভ্যালেন্টাইন’স ডে উপলক্ষে আয়োজন করা হয় ডি জে পার্টির। সে সব পার্টিতে আয়োজকরা নিজেদের ব্যবসার জন্য ভাড়া করে আনে কল গার্ল। ভাড়া করে আনে কিছু হাই সোসাইটি গার্লও। থাকে দেশী বিদেশী মদ। সে পার্টিতে কিছু স্পেশাল টিকেট থাকে অনেক স্পেশাল টিকেট।
যে টিকেটগুলোর দাম প্রায় ২০ থেকে ৫০ হাজার টাকা। ৫০ হাজার টাকা দিয়ে টিকেট কিনলে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়। সুবিধাগুলোর মধ্যে একটি হলো পার্টি শেষে শহরের হাই সোসাইটি গার্লদের সাথে রাত্রি যাপন। সে হাই সোসাইটি গার্লরা কল গার্ল না। খুব খেয়াল !
এরা কোন ভদ্র ফ্যামিলির সন্তান? কোন সভ্য শিক্ষিত মা-বাবার কলিজার টুকরো। শুধু মাত্র নেশাগ্রস্ত হয়ে যাওয়ার কারণে নিজের নেশার চাহিদা মেটাতে এক রাতের জন্য নিজেকে বিক্রি করে। আরও বেশি টাক দিলে পাওয়া যায় মেয়ে ডিজেদের। ডিজে সোনিকার সুমধুর ডিজের ঝংকারে কিছুক্ষণের মধ্যে নাচতে নাচতে তাল হারিয়ে ফেলে তরুণ তরুণীরা। শুরু হয় নোংরামি। ডি জে পার্টিগুলোর কমন দৃশ্য হচ্ছে একটা গ্রুপে ১০-১৫ টা ছেলে থাকে মাঝখানে ২৩ টা মেয়ে থাকে। তারপর দল বেঁধে নাচে।
অভিজাত ও উচ্চবিত্ত পরিবারের ছেলেদের অনেকেই গার্ল-ফ্রেন্ড নিয়ে আনন্দ-ফূর্তি করতে ডিজে পার্টিতে আসে। আবার অনেকে আসে একাকী। একাকী যারা আসে, তাদের জন্যই পার্টিতে থাকে চিয়ার্স গার্লরা। পয়সাওয়ালা পুরুষরাই থাকে চিয়ার্স গার্লদের মূল টার্গেট। আয়োজকরাই ইশারায় চিয়ার্স গার্লদের চিনিয়ে দেয় মালদার পুরুষকে। ব্যাস, তাকে টার্গেট করেই এগিয়ে যায় একেকজন চিয়ার্স গার্ল। নাচের নামে একটু একটু করে বাড়ায় ঘনিষ্ঠতা। দেহের বিশেষ বিশেষ জায়গার ছোঁয়া দিয়ে পুরুষটির দেহমনে তৈরি করে পুলক। এরপরই শুরু হয় বেড পার্টনার হওয়ার দর কষাকষি।
ডিজে পার্টির আয়োজকদের অনেকের বিরুদ্ধে মাদক সিন্ডিকেটের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগ আছে।
এই তিনটি উল্লেখ যোগ্য। এ ছাড়াও আরও অনেক নোংরামির কথা শোনা যায়।
প্রিয় বোন, জানি আমার কথা খারাপ লাগবে। এরপরও বলছি তুমি ভালোবাসা দিবস উদযাপন কর। কিন্তু নিজের শরীরটা প্রেমিকের খাবারে পরিণত করোনা। আধুনিকতার নামে নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়িয়োনা। এতে সাময়িক আনন্দ পাওয়া যায় বটে কিন্তু সে আনন্দ তোমাকে সারা জীবন কষ্ট দিবে। তোমাকে একাধিক বার ভোগ করে তোমার রূপ যৌবন ধ্বংস করে সে যখন তোমার প্রতি মোহ হারিয়ে অন্য একটি মেয়ের সাথে জড়িয়ে যায় তখন কি করবা? প্রেম কর কোন আপত্তি নেই কিন্তু নিজেকে সস্তা করোনা।
তুমিও অন্য একটি ছেলের সাথে নিজেকে জড়াবে নতুন করে? না বোন তোমার সে সুযোগ নেই। সারাদিন ফ্যাশান শো আর ফটো শুট করে যা টাকা ইনকাম করতো তা দিয়ে নেশা করত। একদিন সে নেশায় তাকে হত্যা করে। সে না হয় মডেল ছিলো। টাকা জোগাড় করতে পারতো। কিন্তু তুমি কি করবা? একবার ঠা-া মাথায় আমার কথাগুলো ভেবো। তারপর সিদ্ধান্ত নিও নেক্সট ভ্যালেন্টাইন’স ডে তে তুমি কি করবে আর তোমার কি করা উচিত।
প্রিয় আধুনিক বাবা-মা,
আপনি যদি মুসলিম হয়ে থাকেন তবে তো অবশ্যই পরকালেও বিশ্বাস করেন। আপনার সন্তান মদ খাচ্ছে, পাপাচার, যৌনাচার করছে কেয়ামতের দিন আল্লাহকে কি জবাব দিবেন সে প্রশ্ন রেখে গেলাম!
একটু পেছনে ফিরে যাই। এই ভ্যালেন্টান্স ডে এর আড়ালে চাপা পড়ে এক দু:সহ স্মৃতি।
সারা বিশ্বেই ফ্রেন্ডশিপ ডে’র আড়ালে চাপা পড়ে যায় হিরোশিমা দিবস আর আমাদের দেশে ভ্যালেন্টাইনস ডে’র আড়ালে চাপা পড়ে যায় ১৪ ফেব্রুয়ারির স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবস-১৯৮৩ সালের এই দিনে তৎকালিন সামরিক শাসক হোসাইন মোহাম্মদ এরশাদের সামরিক শাসনের অবসান ও গণবিরোধি মজিদ খান শিক্ষাকমিশন বাতিলের দাবিতে তীব্র আন্দোলন রচনা করেছিল তৎকালিন ছাত্রসমাজ। ১৪ ফেব্রুয়ারি তারিখে শিক্ষামন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি প্রদানের উদ্দেশ্যে সামরিক আইন ভঙ্গ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা থেকে যাত্রা শুরু করে কার্জন হল ও শিক্ষাভবনের সামনে পৌছানো মাত্রই আর্মি-পুলিশের গুলিতে শহীদ হন জাফর-জয়নাল-দিপালী সাহা। এরই ধারাবাহিকতায় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের নেতৃত্বে সারা দেশেই তীব্র হয়ে উঠে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন। যার ফলশ্রুতিতে ’৯০ এর গণআন্দোলনের মধ্যদিয়ে সামরিক শাসনের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।
আজ সামরিক শাসক ক্ষমতায় নেই কিন্তু কর্পোরেট সংস্কৃতির এমনই মহিমা যে, ১৪ই ফেব্রুয়ারি তারিখে যে তারুণ্য একদিন স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবস রচনা করেছিল সেই তারুণ্যেরই একটা অংশ এখন চলমান শোষণ নির্যাতন প্রতিরোধের বদলে কর্পোরেট স্পন্সরড ’ভ্যালেন্টাইনস ডে’তে বুঁদ হয়ে থাকে!
‘পরবর্তীতে পশ্চিমাদের দালাল শফিক রেহেমান ১৯৯৩ এ যায়যায় দিন পত্রিকা থেকে প্রথম ভালবাসা দিবস পালনের আহবান জানিয়ে একটি বিশেষ সংখ্যা প্রকাশ করে।’ আর তখন থেকে ভ্যালেন্টাইন’স ডে বাংলাদেশের তরুণদের কাছে পরিচিত হতে থাকে। ভ্যালেন্টাইন’স ডে পালনের নামে এসব নোংরামির পেছনে শফিক রেহেমান দায়ী।
আসুন আমরা ১৪ ফেব্রুয়ারিকে স্বৈরচার প্রতিরোধ দিবস হিসেবে পালন করি।
আমাদের দেশের তরুণরা ফাস্ট হবে, স্মার্ট হবে, বিজ্ঞান শিখবে আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে আমি এসবের পক্ষে। কিন্তু আধুনিক হতে গিয়ে পাপাচার করা, মদ্য পান করে নারী নিয়ে ফূর্তি করা এসব আমার কাছে নোংরামি। এ সব আধুনিকতা আপনার সন্তানকে ধ্বংসের পথে ঠেলে দিবে। তাই-এখনই সচেতন হতে হবে। লেখক: সম্পাদক ও প্রকাশক, লাল সবুজের কথা