কলারোয়ায় আম গাছে মুকুলের শোভা


প্রকাশিত : ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০১৯ ||

নিজস্ব প্রতিনিধি: শীত শেষ না হতেই কলারোয়ার আম গাছে দেখা মিলছে মুকুল। আমের মুকুলের অপরূপ দৃশ্য আর মৌ মৌ গন্ধে ঋতুরাজ বসন্ত মেতেছে ফলরাজির আগমনের বার্তা নিয়ে। আর কিছুদিন গেলেই আম-কাঁঠালসহ বিভিন্ন ফলের দৌরাত্মে নাচবে গাছগাছালি। হরেক রকম-নামের আম গাছ সাধারণত সকল স্থানে দৃশ্যমান। সেই আম গাছে পরিপূর্ণ আমের আগমণী বার্তা নিয়ে ইতোমধ্যে আমের মুকুলে মুকুলে শোভা পাচ্ছে গোটা এলাকা।
গ্রামাঞ্চলে আঞ্চলিক ভাষায় গাছে আম ফলনের প্রথম ধাপকে বলা হয় বোল বা আমের মুকুল। আমগাছে মুকুল আসার পর সেগুলো থেকে আস্তে আস্তে গুটি বা ছোট্ট ছোট্ট আম হওয়া শুরু করে। বর্তমানে আমের মুকুল জানান দিচ্ছে মধুমাস সমাগত।
নির্ধারিত সময়ের ভিতরে আমের মুকুল আসতে শুরু করায় সেগুলোতে যাতে পোঁকা না লাগে কিংবা অঙ্কুরে ঝড়ে না পড়ে সেজন্য আম গাছের মালিকরা পরিচর্যা শুরু করেছেন। অনেকে ঔষধ স্প্রে করছেন। বড় ধরনের কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এ বছর আমের বাম্পার ফলন হবে বলে আশা করছেন সকল আম গাছ মালিকরা।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আমের চাহিদা থাকায় কলারোয়া উপজেলাব্যাপী মানুষের বসতভিটার পাশাপাশি অনেকে আমের বাগান তৈরি করেছেন। নিজেদের খাওয়ার চাহিদা মিটিয়ে বাণিজ্যিকভাবে প্রায় সব জাতের আম উৎপাদন হচ্ছে এসকল বাগানের আম গাছ থেকে। লাভজনক হওয়ায় প্রতি বছর কৃষি জমিতে বাড়ছে আম গাছের চারা রোপন ও আমের আবাদ।
আম চাষিরা জানান, শীতের তীব্রতা কমে আসায় কয়েক সপ্তাহ থেকেই আম গাছে মুকুল আসতে শুরু করেছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবার গাছগুলোতে মুকুলের সমারহের সাথে পরিপূর্ণ আমও দেখার সম্ভাবনা রয়েছে।
তারা বলছেন- উপজেলার প্রতিটি এলাকায় প্রতিবছর আম বাগানের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। গাছ মালিকরা অনেকে আমের মৌসুমে শুধু আম বিক্রি করে দেন আবার অনেকে কয়েক বছরের জন্য আম ব্যবসায়ীদের কাছেও চুক্তিভিত্তিক আম বিক্রয় করে থাকেন। তাদের ভাষ্যানুযায়ী, ল্যাড়া, হিমসাগর, আমরূপালি, রানীভোগ, লতাবাহারী, গোপালভোগ, ক্ষীরসাপাত, আশ্বিনাসহ বিভিন্ন জাতের আমের চাহিদা বরাবরই ভালো।