বিঘিœত হচ্ছে পানির প্রবাহের স্বাভাবিক গতি


প্রকাশিত : ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০১৯ ||

কুলিয়া (দেবহাটা) প্রতিনিধি: জেলার নদীখালগুলোতে আবারো শুরু হয়েছে নেটপাটা দেওয়ার প্রতিযোগিতা। এতে করে নাব্যতা হারাচ্ছে নদী-খালগুলো, ব্যাহত হচ্ছে পানির প্রবাহের স্বাভাবিক গতি, বিঘিœত হচ্ছে সাদ্ াসোনা খ্যাত চিংড়ি চাষ। জানা যায়, সাতক্ষীরার কলকাতা খাল হতে কদমখালী, ঝিনুক ঘাটা, বিশফুট, শশাডাঙ্গা, আন্দুল পোতা, টিকেট ও লাবণ্যবতী খাল ইছামতি নদীতে মিলিত হয়েছে। ইছামতি নদী হতে সরাসরি জোয়ারের পানি এসব নদী বা খাল গুলোতে প্রবেশ করে আর এই সব খাল গুলো হতে মৎস চাষীরা তাদের ঘেরের পানি সরবরাহ করে।কিন্তু প্রতি বছরের ন্যায় আবারো কিছু স্বার্থন্বেসী প্রভাবশালী মহল প্রভাব খাটিয়ে পেশি শক্তির জোরে নেট-পাটা দিয়ে নদীর পানির স্বাভাবিক প্রবাহে বিঘœ ঘটাচ্ছে যার ফলে নদী-খাল গুলোতে ব্যাপক হারে পলি জমে নব্যতা হারাচ্ছে। নদী খাল গুলো নব্যতা হারানোর ফলে বর্ষার সময় মৎস ঘেরসহ এলাকার পানি নিস্কাশন করতে না পেরে মৎস ঘেরগুলো প্লাবিত হয়ে ঘের ব্যবসায়ী দের কোটি কোটি টাকার ক্ষতি সাধন হয় এবং নি¤œাঞ্চলগুলোতে স্থ্ায়ী জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। ইতোমধ্যে কুলিয়া, আলিপুর, পারুলিয়া ও ফিংড়ি ইউনিয়নের সম্মিলিত ঘের ব্যবসায়ী সংগঠনের উদ্যোগে গত ১০ ফেব্রুয়ারি নেট-পাটা অপসারণের জন্য সমগ্র এলাকায় মাইকিং করা হলেও এখনও পর্যন্ত কোন এলাকায় নেট-পাটা অপসারণ হয়নি। এব্যাপারে এলাকাবাসিসহ সকল ঘের ব্যবসায়ীদের আকূল আবেদন প্রশাসনের উর্দ্ধত্বন কতৃপর্ক্ষের হস্তক্ষেপে যতদ্রুত সম্ভব এই অবৈধ নেট-পাটা অপসারণ করা হোক।