প্রজনন মৌসুমেও ধুমছে কাঁকড়া শিকার, ১৩ জেলে আটক


প্রকাশিত : ফেব্রুয়ারি ২১, ২০১৯ ||

শ্যামনগর প্রতিনিধি: জানুয়ারি ও ফেব্রæয়ারি দুই মাস কাঁকড়ার প্রজননের সময় নির্ধারিত হওয়ার কারণে বছরের এ সময়ে সুন্দরবন সংলগ্ন নদ-নদী থেকে সব ধরনের কাঁকড়া শিকারে স্পষ্ট বিধি নিষেধ রয়েছে। তবে সরকারি সেসব নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে জেলেরা দিব্যি কাঁকড়া শিকার করে যাচ্ছে। কলবাড়ী কাঁকড়া আড়ৎ এর ব্যবসায়ীরা মোটা মুনাফার লোভে দাদন দিয়ে কাঁকড়া শিকারের জন্য জেলেদের সুন্দরবনে পাঠায় বলে অভিযোগ রয়েছে।
বিধি নিষেধের কারনে মাঝেমধ্যে নামকাওয়াস্তে দুই একটি অভিযান পরিচালিত হলেও তা কখনই প্রজনন মৌসুমে কাঁকড়া শিকারের কাজে বাঁধা হতে পারেনি। আর বরাবরের মত এবারের প্রজনন মৌসুম জুড়েও তাই সুন্দরবন থেকে যথেচ্ছাভাবে কাঁকড়া শিকারের ধারা চলমান রয়েছে। কাঁকড়া শিকারের সাথে জড়িত জেলে, প্রত্যক্ষদর্শী এমনকি ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে এমন চিত্র দেখা গেছে।
এদিকে মঙ্গলবার রাতে কাঁকড়া শিকারের সময় সাতক্ষীরা রেঞ্জ’র সহকারী বন সংরক্ষক ৬টি কাঁকড়ার নৌকা থেকে ১৩ জেলেকে আটক করে। এসময় তাদের নিকট থেকে কাঁকড়া শিকারের প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদী উদ্ধার করা হয়। বুড়িগোয়ালীনি ষ্টেশন অফিসার কবরি উদ্দীন জানান মঙ্গলবার রাতে আটক জেলেরা সাদা মাছ শিকারের অনুমতি নিয়ে কাঁকড়া শিকারের উদ্দেশ্যে সুন্দরবনে প্রবেশ করে। তবে তাদের কাঁকড়া শিকারের প্রস্তুতি থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার কারনে ছয়টি নৌকাসহ আটক করে বিভাগী মামলায় অর্থ দন্ড দিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।
আটক জেলেরা হলেন নিলডুমুর গ্রামের ছফেদ আলী গাজীর ছেলে আবু ইছা গাজী (৩৭), অছির উদ্দীন সরদারের ছেলে রবিউল ইসলাম (৪৬), বশির উদ্দীন গাজীর ছেলে মালেক গাজী (৫০), বারিক মোড়ল। এছাড়া একই গ্রামের লিয়াকত গাজীর ছেলে রুবেল গাজী, জফর গাজীর ছেলে লিয়াকত গাজী এবং মালেক গাজীর ছেলে আব্দুল হাকিমসহ অপর সাত জেলে গাবুরা এলাকার বলে বনবিভাগ সূত্র জানায়।