এই মুক্তাঙ্গন জাতির গৌরবগাঁথা লালন করে


প্রকাশিত : ফেব্রুয়ারি ২১, ২০১৯ ||

সুদয় কুমার মন্ডল

কোন মহৎ কাজের নিমিত্তে স্বেচ্ছায় আত্মত্যাগ যেমন জাগতিক কল্যাণকর তেমনি মানবিক মঙ্গলে ভূয়সী প্রসংসার ও প্রবাহমান কাল শ্রদ্ধা ভক্তির এক অনন্য আখ্যান। পৌরানিক গ্রন্থশাস্ত্রে দধিচির আত্মত্যাগ এক সমুজ্জল দৃষ্টান্ত। দধিচির আত্মত্যাগে তার অস্থিদ্বারা নির্মিত বজ্র অস্ত্রে প্রবল পরাক্রমশালী অসুর (অশুভশক্তি) বধ করে দেবতারা স্বর্গরাজ্য পুনরুদ্ধার করে। ইন্দ্রপুরীর সুখ শান্তি ফিরিয়ে আনে। মহাকালের ইতিহাস তার এই নিঃস্বার্থ ত্যাগের মহাত্ম শ্রদ্ধা ভরে স্বর্ণাক্ষরে লিখে রাখে। কল্পতরুকাল বিবর্তনের বিরূপ ধারায় ও তা অমোছনীয়।
মানবতার কল্যাণে পৃথিবীতে কত মহতি দেশ প্রেমিক স্বেচ্ছায় জীবন অকাল বিসর্জন দিয়েছে তার প্রমান্য দৃষ্টান্ত বিরল নয়। প্রত্যুষ সম্ভাবনাময় উষার আলো সমগ্র পৃথিবীতে উদ্ভাসিত হওয়ার পূর্বেই কোন অশুভ শক্তির কালো ছায়া জাজল্যমান সূর্যের দীপ্ততা হরণ করে সৃজনশীল সৃষ্টির অব্যাহত গতি ব্যাঘাত ঘটায়। কালরূপ অশুভশক্তির অযাচিত ভয়ঙ্কর স্পৃহা চির সুন্দরের চিরকাম্যের পথে অন্তরায় হয়ে মানবতার স্বচ্ছল গতি রুদ্ধ করে পৃথিবীকে অন্ধকারাচ্ছন্ন করতে চায়। বিধ্বংসী অপশক্তির অপতৎপরতা রোধ করতে তখন নেমে আসে বিপ্লব। সেই বিপ্লবে মানবতা বিপন্ন। কত তাজা খুনের আত্মহুতিতে বিধ্বংসী যজ্ঞ সম্পন্ন হয়। জনপদে নেমে আসে দুঃখ-কষ্ট, তান্ডব নৃত্য অশান্তির অনল প্রবাহ। প্রকৃতির ভারসমহীনতা দূর্যোগের ঘনঘটা। এটাই হয়তো জগতের নিময়। কিন্তু প্রকৃতি কিছুই হারাতে দেয় না মানুষের চাইলেও-
বৃটিশ শাসকের পতোন্মুখ সময়ে অর্থ্যাৎ ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট পূর্ববঙ্গ নিয়ে তৎকালিন পূর্ব পাকিস্তান নামক স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়। জন্মের পর পশ্চিম পাকিস্তানের শাসক গোষ্ঠী ক্ষমতায় আসীন হয়। ক্ষমতাসীন সরকার ক্রমান্বয়ে ক্ষমতা কুক্ষিগত করার অভিলাষে পূর্ব পাকিস্তানের অতুল ঐশ্বর্যে লালায়িত হয়ে নিজেদের দেশ অর্থাৎ পশ্চিম পাকিস্তান কে আরও সমৃদ্ধিশীল করার লক্ষ্যে দেশীয় বাঙালিদের প্রতি বিমাতাসুলভ আচারণ করে। বাঙালিদের পঙ্গু করার ইস্পিত উদ্দেশ্যে তাদের ওপর নানারূপ বৈষম্যমূলক আচরণ শুরু করে এমন কি তাদের মায়ের ভাষার ওপর তীব্র আঘাত হানতে চায়-এই তীক্ততর পরিস্থিতি বাঙালি জাতির মনে এক নিদারুণ হতাশা ও বিক্ষোভ সৃষ্টি করে। ছাত্রসমাজ সোচ্চার হয়।
১৯৫২ সাল মাতৃভাষার প্রতিবাদে বাঙালি ছাত্রসমাজ ঐকমত্য প্রকাশ করে। ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে তৎকালীন শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায়। স্বৈরাচারী শাসক গোষ্ঠীর পক্ষে বক্তব্য ছিল, টৎফঁ, ঙহষু ঃযব ঁৎফঁ ংযধষষ নব ঃযব ংঃধঃব ষধহমঁধমব ড়ভ চধশরংঃধহ, অর্থাৎ উর্দু, কেবল মাত্র উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা, সংগে সংগে পূর্ব বাংলার ছাত্র সমাজ প্রতিবাদের ঝড় তুলেছিল-তাদের প্রতিবাদী কণ্ঠে ¯েøাগান ধ্বনিত হয়েছিল ঘড়. ইধহমষধ, ঝযধষষ নব ঃযব ংঃধঃব ষধহমঁধমব ড়ভ ঢ়ধশরংঃধহ. গভীর দেশপ্রেম আর মাতৃভাষার প্রতি অকুণ্ঠ শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা রেখে বাংলার অকুতোভয় ছাত্রসমাজ ভাষা আন্দোলনে ঝাপিয়ে পড়েছিল।
১৯৫২ সালের ফেব্রæয়ারি মাসে ছাত্র আন্দোলন প্রতিরোধ করতে সুচতুর পূর্বপাকিস্তান সরকার, ১৪৪ ধারা জারি করে। ২১ ফেব্রæয়ারি বাংলার দামাল ছাত্র সমাজ ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে ‘রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই’ মহুর্মূহু ¯েøাগানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবন থেকে মিছিল নিয়ে রাজ পথে নেমে পড়ে। ছাত্রদের মিছিলে পাক-পুলিশ অতর্কিত গুলি বর্ষণ করে। গুলিতে রফিক, শফিক, জব্বার, সালাম, বরকতসহ আরও অনেকে শহীদ হন। পরদিন শফিক উদ্দীনের পিতা শহিদের স্মৃতি রক্ষার্থে শহীদ মিনার নির্মাণ করেন। কিন্তু স্বৈরাচারে বিমূর্ত প্রতীক তা ধ্বংস করে দেয়। ওদের উদ্দেশ্য ছিল বাঙালিদের বাকরুদ্ধ করে মৌলিক অধিকার চুপিসারে অথবা ক্ষমতার প্রভাবে হরণ করা। সে উদ্দেশ্য ও সফল হয়নি। ২১ ফেব্রæয়ারি সারা বিশ্বে আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস হিসেবে গণ্য ও পালিত হয়। ২১ ফেব্রæয়ারির গুরুত্ব সুদুর প্রসারী।
শহীদদের রক্তে শপথ রেখে এই ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে আপামার বাঙালি জাতির মনে বিক্ষোভের দানা বাঁধে। শুরু হয় পরাধিনতার শৃঙ্খল মুক্তির আন্দোলন। আন্দোলনকে আরও বেগবহ করার লক্ষ্যে বাঙালি জাতীয়তাবাদের জন্ম হয়। বাঙালিদের ঐতিহ্য রক্ষা ও স্বাধীকার আদায়ে জাতি ঐক্যমত পোষণ করে। নিষ্পেষনের জাতাকল ভেঙে তারা লক্ষ্য অর্জন করবেই।
বাঙালিরা যথাযর্থই উপলদ্ধি করেছিল, মায়ের ভাষা যে কোন মূল্যে রক্ষা করতে হবে। নচেৎ তারা পঙ্গুত্ব বরণ করবে। রবীন্দ্র নাথের দৃষ্টিভঙ্গি ‘শিক্ষায় মাতৃভাষাই মাতৃদুগ্ধ’ তারা যথার্থ বুঝেছিল।
মনস্তাত্তি¡ক দিক থেকে এটা ধ্রæবসত্য যে, শৈশবে শিক্ষার ভিত্তি স্থাপনের সময় যথাযর্থজ্ঞানের সংগে পরিচিত হওয়ার জন্য মাধ্যম বিষয়টি খুব জরুরী, ভাষা তেমনি একটা বিশেষ মাধ্যম। যে ভাষায় ছোট শিশু কথা বলতে ও বুঝতে অভ্যস্থ সেই বিষয়ে প্রাথমিক জ্ঞানার্জন তার মুক্ত মনে শিক্ষা গ্রহণের সহায়ক। মাতৃভাষায় শিশু খুব সহজেই সব কিছু হৃদয়ঙ্গম করতে সক্ষম হয়। আর অন্য ভাষায় জোর করে তার গেলানোর চেষ্টা করা হলে বোধগম্যতার স্তর হয় অকেজো। পাকিস্তানী আমলে স্কুলে জাতীয় সংগীত বাচ্চাদের গাইতে হতো উর্দু ভাষায়-
পাক্ছার জামিন সাদ্ বাদ্
কিছুয়ারে হাছিন্ সাদ্-বাদ
তু নিশানে আজমে আলী সান
আওরজে পাকিস্তান
মারকাজে একিন সাদ বাদ
যথার্থ মুক্তমনা মানুষের কাছে এই রূপ ব্যবস্থা মোটেই কাম্য নয়।

ভাষা আন্দোলন বাঙালির চেতনায় মুক্তিরবীজ বপন করে। মুক্তি মানে মনের মুক্তি সেই মুক্তি পরাধীনতার শৃঙ্খল ভাঙার। দিগন্ত সঞ্চারী ভাবনার মধ্য দিয়েও আসতে পারে কাঙ্খিত মুক্তি। কবি সাহিত্যিক ও সংস্কৃতি মনা ব্যক্তিরা এই ভাষা আন্দোলনকে তাদের তীক্ষœ চিন্তা শক্তির খরতর স্রোতে জাতি আরও অনুপ্রাণীত, বেগবহ ও ফলপ্রসু করে তোলে। ২১ ফেব্রæয়ারি দীর্ঘ স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রেক্ষাপট রচনা করে। বাঙালি চেতনায় অসা¤প্রদায়িক চেতনা গড়ে তুলেছে।
ভাষা আন্দোলন বাঙালির স্বাধিকার আদায়ের দিকনির্দেশক। ভাষা আন্দোলনের প্রতিক্রিয়া বিদেশী শাসকদের পায়ের তলার ভীত নড়বড়ে করে দেয়। বাংলার বুকে তারা ঘৃণ্য নিন্দিত হয়। ভাষা আন্দোলন বাঙালির জীবনে এক আশির্বাদী ও ভাগ্য নির্দেশক।
১৯৫২ সালে ২১ ফেব্রæয়ারি ঢাকা শহরের বাতাসে ছিল বারুদের গন্ধ। স্বৈরাচারি সরকারের লেলিহান বর্বর বাহিনী বাঙালির প্রাণের সত্ত¡া বাংলা ভাষাকে নিশ্চিহ্ন করার লক্ষ্যে এবং গোটা দেশকে উর্দু ভাষায় পরিচালনা করার কু-মানসে মরিয়া হয়ে ওঠে। তাদের উদ্দেশ্য ছিল ভেতো বাঙালির বুলেটের আঘাতে দমিয়ে দিতে পারলে উদ্দেশ্য সফল হবে। কিন্তু বাংলার প্রতিবাদী জনতা, নির্ভিক ছাত্র সমাজ কোন ভাবেই তাদের অধিকার আদায় থেকে বিরত হয়নি। বরং জীবনকে বাজি রেখে তারা আন্দোলনে ঝাপিয়ে পড়ে।
ভাষা আন্দোলন মুক্তিযুদ্ধের সূচনা করে। তাছাড়া বাঙালির উপর চাপানো নানা বৈষম্যের মুখোশ এই ভাষা আন্দোলনের রণাঙ্গনে খুলে যায় শোষণ চক্রের সচিত্র চেহারা। নৈরাজ্যের মুর্তিমান আতঙ্কে বাঙালি জাতি উন্মদনায় ফুসে ওঠে। স্বৈরাচারে ন্যাক্কারজনক কার্যকলাপে বাঙালির সম্ভ্রমে আঘাত হানে।
বাংলার ভাগ্যাকাশের বাঙালির দুর্দশা প্রকট মুহূর্ত মুহুর্মূহু প্ররোচনায় বজ্র হুংকার গোটা জাতিকে শঙ্কিত করে তোলে। বিষণœতার অন্তর্দাহ জাতিকে মহাভাবনায় নিপাতিত করলেও বাঙালি ধমনী প্রবাহের দুর্বার গতি শিথিল হয়নি। শহীদের তাজা রক্তের প্রতিদান দিতে মারমুখী হয়ে ওঠে। ওরা সোনার বাংলা শশ্মান ভষ্মে পরিণত করতে চেয়েছিল। কোটি বছরের তপস্যার ফল সুধাভান্ড হাতে নিয়ে কে যেন অভয় বাণী শুনালেন, উত্থানের সূচনা, প্রেরণার উৎস, মন্ত্রমুদ্ধ জাতি ভীষণ প্রতিজ্ঞা পরায়ন।
দুর্দমনীয় বাঙালির অসীম সাহস শেষ পর্যন্ত শত্রæকে পর্যুদস্ত করতে সক্ষম হয় এবং কাঙ্খিত সাফল্য অর্জন করে।
ভাষা আন্দোলন জাতিকে নতুন সূর্য দেখার অনুপ্রেরণা যোগায়। অনুপ্রাণিত জাতি সকল প্রতিবন্ধকতা ও নিস্ক্রিয়তা পরিহার করে স্বদেশ প্রীতির চন্দ্রিমা চুম্বনে অনুরুদ্ধ হয়ে মহাকর্তব্য সম্পাদনে আত্মনিবেদন করে। ভাষা আন্দোলনের প্রতিফলন জাতিকে নিষ্ঠাবান ও কর্তব্যপরায়ন করে তোলে। ফলশ্রæতিতে জাতি লক্ষ্যবস্তু অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। ভাষা আন্দোলন বাঙালি মুক্তির সোপান ভাষা বৈষম্য স্বৈরাচার পতনের অন্যতম বীজ উপ্ত হয়।
ঝরা বকুলের গন্ধ মিশানো বাংলার আকাশ বাতাস আজও সেই বেদনা বিধুর স্মৃতির মহাত্ম হৃদয়ে ধারন করে আন্তরিক শ্রদ্ধায় শহীদের বেদীমূলে পুষ্পাঞ্জলি উৎসর্গ করে আসছে। বাংলার আকাশ বাতাস পুঞ্জিভূত বেদনার সাক্ষ্য হয়ে অতন্দ্র প্রহরীর ন্যায় জেগে আছে। মহাকালের প্রত্যক্ষ দর্শীর কাঠগড়ায় অনাগত কালের স্বাক্ষী হয়ে। ভাষা আন্দোলনের গুরুত্ব নিঃসন্দেহে অপরিসীম।
১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রæয়ারি জাতির জীবনে একযুগান্তকারী অধ্যায়। যার পরিণতি পৃথিবীর মানচিত্রে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের জন্ম হয়েছে। পরাধিনতার শৃঙ্খল মুক্ত দেশ ও জাতি আজ আপন সত্ত¡ায় স্বকীয় বৈশিষ্ঠে বিরাজমান। পৃথিবীর উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের ন্যায় বাংলাদেশ ও মধ্যম উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে। দেশের আভ্যন্তরীন ও পররাষ্ট্র নীতির ক্ষেত্রে যথেষ্ট ইতিবাচক সাড়া ও আন্তরিকতা বিদ্যমান। উন্নয়নের ক্ষেত্রে দেশ যথেষ্ট প্রগতিশীল। বাঙালির স্বপ্নসাধ চিরদিনের জন্য পূরণ হয়েছে। মাতৃভাষার মর্যাদা সুপ্রতিষ্ঠিত হওয়ায় জ্ঞান বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে বাঙালি প্রজন্ম যথেষ্ট দক্ষতার পরিচয় দিচ্ছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ও এই ধারাবাহিকতা নিয়ে তাদের চলার পথসুগম ও যুগপোযোগী করে দেশের সার্বিক উন্নয়নে জনকল্যাণে ব্রতী হবে। ভাষা আন্দোলনে শহীদের রক্তের বীজ প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বয়ে আনবে এক বিস্ময়কর সাফল্য। স্বাধীন দেশের স্বাধীন জাতির কাছে ভাষা আন্দোলনের তাৎপর্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাঙালির ভাগ্য নিয়ন্ত্রক। শহীদ বেদী শহীদ স্মৃতি স্তম্ভ মুক্তাঙ্গনে জাতির গৌরব লালন করে। এই মুক্তাঙ্গনে দাঁড়িয়ে বাঙালি জাতির গৌরব গাথা ঐতিহ্য লালন করছে। গর্বিত জাতি হিসেবে পৃথিবীর প্রান্ত থেকে প্রান্তরে যশ ও সুনাম ছড়িয়ে দিয়ে বিশ্ব পরিচিতির সুমহান নান্দনিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছে। সত্যই আজ বাঙালির ভাগ্য রেখা প্রসন্ন। এই প্রসন্ন লগ্নে শহীদ বেদিতে দু’ফোটা অশ্রæজলে অতিশ্রদ্ধা ভরে হৃদয়ের পুস্পার্ঘ অর্পন করে চলেছে কৃতজ্ঞ বাঙালিজাতি। শহীদের আত্মা শান্তিতে ঘুমাক। ২১ আমাদের জাতীয় চেতনায় জেগে থাক। ২১ বাঙালির ভক্তিশ্রদ্ধার অনুপ্রেরণা যোগায়। নগ্ন পায়ে শ্রদ্ধাচিত্তে শহীদ স্মৃতিতে পুষ্পমাল্যদানে ব্রতী করে তোলে । লেখক: সহ-সম্পাদক, দৈনিক পত্রদূত, সাতক্ষীরা।