বল্লীর আমতলা টু রায়পুর সড়কে গাছ কেটে সাবাড়! জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা


প্রকাশিত : ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০১৯ ||

নিজস্ব প্রতিনিধি: রাতের আধাঁরে অবৈধভাবে জেলা পরিষদের গাছ কেটে সাবাড় করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগের তীর জেলা পরিষদ সদস্য ওবাইদুল রহমান লাল্টু, আ’লীগ নেতা শহীদ ও সার্ভেয়ার হাসানের দিকে বিরুদ্ধে।

সরেজমিনে যেয়ে দেখা যায়, সদর উপজেলার ১২নং বল্লী ইউনিয়নের আমতলা টু রায়পুর সড়কের পাশে মিজানুর রহমান ও মশিয়ার মাস্টারের মাছের ঘের সংলগ্ন স্থান হতে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ১১টি গাছ কাটা হয়েছে। সকালে স্থানীয়রা দেখেতে পায় যে রাতের আধাঁরে রাস্তার গাছগুলো কেটে ৩টি গাছ বাদে বাকি গাছগুলো রাতারাতি সরিয়ে ফেলা হয়েছে এবং অল্প কাঠ সেখানে পড়ে আছে। স্থানীয়রা তখন অবশিষ্ট কাঠ এবং গাছ কর্তনকারীদের আটকে দেয়।

স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, কর্তনকৃত প্রতিটি গাছের আনুমানিক মূল্য ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা। আটককৃতরা জানান, আমরা তো কর্মচারি। কাঠ ব্যবসায়ী এই গাছ কিনছে জেলা পরিষদ সদস্য লাল্টু ও তার সহযোগী বল্লী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সম্পদক শহীদের কাছ থেকে। এ বিষয়ে কামরুলের কাছে জানতে চাইলে সে জানায়, আমি কাঠের ব্যবসায়ী। এ গাছ আমি লাল্টুর কাছ থেকে কিনেছি। তার নির্দেশ মত রাতের আধাঁরে গাছগুলো কেটে একড়া প্রাইমারি স্কুলের সামনে রেখেছি। আর অল্প কিছু কাঠ এখনো সেখানে আছে।

এ ব্যাপারে শহীদের কাছে জানতে চাইলে সে জানায়, আমি সব সময় লাল্টুর সাথে থাকি ,তিনি যা বলেন আমি তাই করি। এ ব্যাপারে কিছু জানতে হলে আপনারা লাল্টু কাছে ফোন দেন। মুঠো লাল্টুর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আমি জেলা পরিষদের সার্ভেয়ার আবুল হাসেনের কথ মত এ গাছ বিক্রি করছি। তিনি কয়েক দিন আগে এসে কয়েকটি গাছ লাল কালি দিয়ে নাম্বারিং করে যায় এবং এই গাছগুলো আমাকে বিক্রি করে দিতে বলে।

এ বিষয় বল্লী ইউপি তফসিল অপিসের নায়েব বলেন, আমি গাছ কাটার বিষয়টি সকালে জানতে পারি। বিষয়টি জানার সাথে সাথে আমার অফিস সহকারিকে পাঠিয়ে অবশিষ্ট কাঠ আটকে দিই। জেলা পরিষদের সার্ভোয়ারের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, আমি কাউকে জেলা পরিষদের গাছ কাটার অনুমতি দেয়নি। জেলা পরিষদ সদস্য ওবায়দুর রহমান লাল্টুকে বলি, রোড়ের মরা গাছগুলো দিয়ে নাম্বারিং করতে। এর বেশি আমি কিছু জানি না। সরকারি গাছ কাটার অপরাধে অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে জেলা প্রশাসক মহাদয়ের নিকট উপযুক্ত শাস্তি দাবি করেছেন এলাকার সচেতন মহল।