যশোরের শার্শায় সিবি-১৪ নতুন হাইব্রিড জাতের তুলার বাম্পার ফলন


প্রকাশিত : মার্চ ৪, ২০১৯ ||

বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের শার্শায় সিবি-১৪ নতুন জাতের হাইব্রিড তুলা চাষ করে সফলতা পেয়েছে কৃষকেরা। চলতি মৌসমে তুলার বাম্পার ফলন হয়েছে। প্রতি বিঘায় ফলেছে ১৪ থেকে ১৬মণ তুলা। দাম বেশি পাওয়ায় খুশি চাষীরা। বাড়ছে তুলা চাষ। শার্শায় উৎপাদিত তুলা রপ্তানি হচ্ছে দেশের বিভিন্ন এলাকায়। লেপ, তোষক-বালিশসহ শীতবস্ত্রে তুলার চাহিদা ও কদর রয়েছে ভাল। তাই কৃষি প্রধান এলাকা যশোরের শার্শা ও বেনাপোলে বাড়ছে তুলার চাষ। শার্শা উপজেলায় রামপুর-ধলদা-উলাশি বাগআচড়া, গোগা ও কায়বা এলাকায় অর্ধশত কৃষকেরা নতুন হাউব্রিড জাতের তুলা চাষে সফলতা পেয়েছে। দাম ও ফলন ভাল পেয়ে চাষীদের সংসারে ফিরেছে স্বচ্ছলতা। দেশি জাতের তুলা প্রতি বিঘায় ৮থেকে ১০মন হলেও উন্নতজাতের তুলার ফলন হচ্ছে বিঘায় ১৪ থেকে ১৬ মণ। প্রতিমন তুলা বিক্রি হচ্ছে ২৫শ’ টাকা। তুলার রোগ বালায় হয় কম। ৯০ থেকে ১১০ দিনে ফলন পাওয়া যায় তুলার ফলন।
শার্শা ধলদা গ্রামের কৃষক সহিদুল ইসলাম এক বিঘা জমিতে ৬ হাজার টাকা খরচ করে তুলা পেয়েছেন ৩৬ হাজার টাকার। অনেক কৃষক তুলা চাষে লাভ পেয়েছেন ৫ থেকে ৭গুন। তাই এক অপরের দেখাদেখি বাড়ছে চাষ। লাভবান হচ্ছেন তারা। অনেকের পরিবাওে তুলাচাষে ফিরছে স্বচ্ছলতা। তুলাচাষে খুশি তারা।
ধান পাট আঁখ ও বিভিন্ন সবজি চাষে লোকসানের মুখে পড়লেও তুলা চাষে কয়েকগুন লাভ হয়েছে। তুলার বাম্পার ফলনে সংসারে ফিরেছে সুখ শান্তি-আগামীতে বেশী তুলা চাষের আশা চাষীদের।
তুলা উন্নয়ন বোর্ড শার্শা ইউনিট-অফিসার মীর মোহাম্মদ-সহিদুল ইসলাম বলেন, শার্শায় উৎপাদিত তুলায় বিজ খৈল ও তেল তৈরী হচ্ছে। ফলন ও দাম ভাল পাওয়ায় চাষীদের মধ্যে তুলা চাষে আগ্রহ বাড়ছে। দিন দিন বাড়ছে তুলা চাষ। কৃষকদের তুলা চাষে প্রশিক্ষণ পরামর্শ ও প্রনোদনা ও ঋণ সহায়তা দিচ্ছেন তুলা উন্নয়ন বোর্ড।শার্শা উপজেলায় গত বছর ১৪শ’ হেক্টর জমিতে তুলা চাষ হলেও চলতি মৌসুমে ১৫শ’ ২০ হেক্টর জমিতে হয়েছে তুলা চাষ।