সদর উপজেলায় আওয়ামী লীগের কা-ারী চেয়ারম্যান প্রার্থী এসএম শওকত হোসেন


প্রকাশিত : মার্চ ১৪, ২০১৯ ||

নিজস্ব প্রতিনিধি: সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আনারস প্রতীকে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের কা-ারী হিসেবে সভাপতি এসএম শওকত হোসেন প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। ইতোমধ্যে তিনি জনগণের সাথে মিশে জনতার আস্থা অর্জন করেছেন। সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এসএম শওকত হোসেন দৈনিক পত্রদূতকে বলেন, সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নে ধারাবাহিকভাবে গণসংযোগ করছেন। গত ৩ মার্চ সাতক্ষীরায় অনুষ্ঠিতব্য কাউন্সিল নির্বাচনে নিরষ্কুষ জয়ী হলেও তিনি দলীয় মনোনয়ন থেকে বঞ্চিত হন। পরে তিনি জনগণ ও দলীয় নেতাদের দাবির প্রেক্ষিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দাখিল করেন। চেয়ারম্যান প্রার্থী এসএম শওকত হোসেন বলেন, তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের সৈনিক। জন্মগতভাবে তিনি আওয়ামী পরিবারের সন্তান। তিনি ১৯৫৫ সালের ১ আগস্ট সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়নের মোহনপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি তার সুদীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন, জোট সরকারের লুট, গুম, হত্যা ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমের বিরুদ্ধে যেকোন আন্দোলনে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। সাতক্ষীরার জলাবদ্ধতা নিরসন আন্দোলনে তার ভূমিকা অপরিসীম। তিনি জোট সরকারের সন্ত্রাসী বাহিনী ও পুলিশের লাঠিচার্জে একাধিকবার গুরুতরভাবে জখম হন। দলের দুর্দিনে তিনি হাল ধরেছিলেন। শক্তহাতে দলের হাল ধরে আওয়ামী লীগকে গড়েছেন জনবান্ধব ও সক্রিয় সংগঠন হিসেবে।
২০১৪ সালে সমগ্র জেলাব্যাপি জামাত-শিবির ও বিএনপির সন্ত্রাসী বাহিনী হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে সাধারণ জনগণ ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদেরকে জিম্মি করে রেখেছিল। এসএম শওকত হোসেন সেসময় সাহসীকতার সাথে ঘরের কোণে লুকিয়ে থাকা সাধারণ মানুষকে রাজপথে বের করে এনেছিলেন। জামাত-শিবিরের নৈরাজ্য-নাশকতার বিরুদ্ধে মানুষ প্রতিবাদমূখর হয়ে রুখে দাঁড়িয়েছিল। এতে করে জামাত-শিবির ও বিএনপির সন্ত্রাসীবাহিনী ক্ষিপ্ত হয়ে তার গ্রামের বসতবাড়ি কয়েকবার ভাংচুর এবং পরবর্তীতে বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে পুড়িয়ে দেয়। তার সুদীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে থাকলেও কোন স্বজনপ্রীতির অভিযোগ নেই তার বিরুদ্ধে। সে কারনে দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণের কাছে তিনি প্রিয়। আগামী ২৪ মার্চ নির্বাচনে আনারস প্রতীকে ভোট চেয়ে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত তিনি গণসংযোগ করছেন। দলীয় নেতাকর্মী ও জনসাধারণের দোয়া ও ভালবাসায় তিনি মুগ্ধ।