শ্যামনগরের নওয়াবেঁকীতে কৃষি ব্যাংকের শাখা চায় এলাকাবাসি


প্রকাশিত : মার্চ ১৪, ২০১৯ ||

আটুলিয়া (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: আয়তনে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ উপজেলা শ্যামনগর। দুর্গম পথ পাড়ি দিয়ে উপজেলা সদরে আসতে হয় ১২টি ইউনিয়নের বাসিন্দাদের। তারমধ্যে আইলা বিধ্বস্থ দ্বীপ ইউনিয়ন পদ্মপুকুর ও গাবুরাসহ কাশিমাড়ী, আটুলিয়া, বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন শ্যামনগর সদর থেকে অনেকটাই দূরে। ইউনিয়নগুলোর অধিকাংশ মানুষ কৃষির উপর নির্ভরশীল। শ্যামনগর সদরে একমাত্র কৃষি ব্যাংক অবস্থিত হওয়ায় প্রত্যন্ত অঞ্চলের কৃষকদের সেখানে গিয়ে কৃষি সেবা পেতে রীতিমত হিমশিম খেতে হয়। তাছাড়া রয়েছে নানা তদবীর ও দালালি চক্র। ফলে কৃষি সেবাকে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া বর্তমান সরকারের যে অঙ্গীকার সে উদ্দেশ্য ব্যাহত হচ্ছে। সুবিধাবঞ্চিত থেকেই যাচ্ছে প্রান্তিক কৃষক ও জনগোষ্ঠী। তাই উপজেলার মাঝামাঝি নওয়াবেঁকী বাজারে কৃষি ব্যাংকের একটি শাখা হলে পাশাপাশি উপকূলবর্তী ৫টি ইউনিয়নের প্রান্তিক কৃষকরা দারুণ উপকৃত হবে বলে এলাকাবাসি মনে করে। কৃষি ব্যাংক স্থাপনের বিষয়ে ১০নং আটুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান ও বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মো. আবু সালেহ বাবু বলেন, প্রতিদিন বিভিন্ন ইউনিয়ন ও নানা প্রান্ত থেকে আসা মানুষের দৈনন্দিন প্রয়োজনে নওয়াবেঁকী বাজারের উপর নির্ভরশীল। এখানে কৃষি ব্যাংকের শাখা স্থাপনের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি এবং সরকার ও কৃষি ব্যাংক কর্তৃপক্ষের সদয় কৃপা হলে এখানে কৃষি ব্যাংকের শাখা হবে। আটুলিয়ার কৃষক মো. আব্দুর রউফ মনে করেন এখানে কৃষি ব্যাংক হলে সরাসরি কৃষি ঋণ পাবেন তারা তাদের সময় ও শ্রম লাঘব হবে। পদ্মপুকুরের বাইনতলা গ্রামের কৃষক আবু সাদেক মনে করেন যাতায়াত সুবিধাসহ কৃষিবীজ সার ও কীটনাশক পেতে সুবিধা হবে, ফলে তাদের কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। দ্বীপ গাবুরার মৎস্যচাষী মো. মাফুজ আলী বলেন নওয়াবেঁকীর সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থা সুগম হওয়ায় নদীপথে যাতায়াতের সুবিধা হয়। কৃষকদের সঞ্চয় মনোভাব গড়ে উঠবে এবং প্রয়োজনীয় মূলধন পাবে বলে তার আশা।