রমজাননগরে নৌকাকে বিজয়ী করতে আতাউল হক দোলনের জনসভা অনুষ্ঠিত

রমজাননগর (শ্যামনগর) প্রতিনিধি: শনিবার বিকালে শ্যামনগর উপজেলার রমজাননগর ইউনিয়নের ভেটখালী বাজারে পঞ্চম উপজেলা নির্বাচনে নৌকাকে বিজয়ী করার লক্ষ্যে আতাউল হক দোলনের জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। জনসভায় রমজাননগর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আরশাদ আলী মোড়লের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাব উপস্থিত ছিলেন আগামী উপজেলা নির্বাচনে শ্যামনগরের নৌকার মাঝি এসএম, আতাউল হক দল। জনসভায় হাজারো মানুষের সমাগম ঘটে। এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক এড. আজাহারুল ইসলাম, উপজেলা সাবেক সাধারণ সম্পাদক এড. আবু বক্কর সিদ্দিক, নূরনগর ইউনিয়নের চেয়াম্যান বখতিয়ার আহম্মেদ, কাশিমাড়ি ইউনিয়নের সাবেক চেয়াম্যান গাজী আনিছুজ্জামান আনিছ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, জেলা পরিষদ সদস্য গোলাম মোস্তফা মুকুল, রমজাননগর ইউনিয়নের চেয়াম্যান শেখ আল মামুন, মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি চেয়ারম্যান এড. শুকুর আলী, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মো. গোলাম মোস্তফা, উপজেলা তাঁতীলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান মারুফ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী খালেদা আইয়ুব ডলি, ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী স.ম. আব্দুস সত্তার, মো. সাইদুজ্জামান সাইদ। উপজেলা বঙ্গবন্ধু সৈনিকলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সবুর মোড়ল।

আশাশুনিতে ভূমি কর্মকর্তা পাপিয়া আক্তারের যোগদান

আশাশুনি ব্যুরো: আশাশুনিতে সহকারী কমিশনার (ভূমি) পাপিয়া আক্তার যোগদান করেছেন। শনিবার তিনি আশাশুনিতে এবং বৃহস্পতিবার তিনি সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের দপ্তরে যোগদান করেন। নবাগত সহকারী কমিশনার (ভূমি) পাপিয়া আক্তার ইতোপূর্বে চুয়াডাঙ্গা জেলা কালেক্টরেটে ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে কর্মরত ছিলেন। তিনি পদোন্নতি পেয়ে বদলিজনিত কারনে আশাশুনিতে অর্পিত দায়িত্ব পালনে সকল মহলের সহযোগীতা কামনা করেছেন।

দেবহাটার নওয়াপাড়া ইউপি চেয়ারম্যানের মোবাইল নাম্বার ক্লোন: থানায় জিডি

দেবহাটা সংবাদদাতা: দেবহাটার নওয়াপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ¦ মুজিবর রহমানের মোবাইল নাম্বার ক্লোন হয়েছে। কে বা কারা তার ব্যবহৃত ০১৭১২৮৫৮৬১২ নাম্বারটি ক্লোন করেছেন। এ ব্যাপারে শনিবার সন্ধা সাড়ে ৭টায় দেবহাটা থানায় সাধারণ ডায়ারী করা হয়েছে। জিডি নং- ৫৯৪ তাং-১৬-০৩-১৯। ডায়রীতে উক্ত নাম্বার থেকে কোন ব্যক্তি হুমকি ও চাঁদা আদায় করে ফোন করে অথবা নাম্বার থেকে খারাপ মন্তব্য সম্পর্কিত ম্যাসেজ আসে তাহলে তিনি দায়ী থাকবেন না বলে জানিয়েছেন।

বেতন বৈষম্য নিরসনের দাবিতে কালিগঞ্জে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের মানববন্ধন

বিশেষ প্রতিনিধি: বেতন বৈষম্য নিরসনের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন কালিগঞ্জ উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকবৃন্দ। শনিবার উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সম্মুখে অনুষ্ঠিত বেলা ১টা থেকে প্রায় ঘন্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে উপজেলার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও প্রধান শিক্ষকবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের একধাপ নিচে অর্থাৎ ১১ তম গ্রেডে সহকারী শিক্ষকদের বেতন নির্ধারণের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি এসএম গোলাম রহমান, কালিগঞ্জ উপজেলা শাখার সদস্য সচিব বিশ্বনাথ অধিকারী শীলন, যুগ্ম আহ্বায়ক শাহিনা আক্তার চায়না, আমির হোসেন মিঠু, মোস্তাফিজুর রহমান, প্রসাদ কুমার রায়, প্রীতম, প্রধান শিক্ষক আল-আমিন, হাবিবুর রহমান প্রমুখ।

আশাশুনিতে সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

আশাশুনি ব্যুরো: আশাশুনিতে সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে আশাশুনি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে হলরুমে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের আয়োজনে উপজেলার সকল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মাদরাসা ও কলেজের ২শ ৫০জন প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। গণিত ও কম্পিউটার, ভাষা ও সাহিত্য, বিজ্ঞান, বাংলা স্টাডিজ ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে লিখিত ও মৌখিক প্রতিযোগিতায় প্রত্যেক বিষয়ে ১ম, ২য় ও ৩য় স্থান অধিকারী নির্বাচন করা হয়। মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমীক সুপার ভাইজার হাসানুজ্জামানের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন, দেবহাটার প্রভাষক প্রশান্ত কুমার বৈদ্য, প্রভাষক আমান উল্লাহ, প্রধান শিক্ষক শ্যামল কান্তি ঘোষ, আরডিও বিশ^জিৎ ঘোষ, তৃপ্তিরঞ্জন সাহা, শিক্ষক মোস্তাহিদুল ইসলাম, শিক্ষক বিধান চন্দ্র কুন্ডু। প্রতিযোগিতা শেষে ৪ বিষয়ে ১২জন বিজয়ীর মাঝে প্রধান অতিথি হিসেবে পুরষ্কার বিতরণ করেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর আলিফ রেজা। মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বাকী বিল্লাহ’র সভাপতিত্বে এ সময় বিশেষ অতিথি ছিলেন, নবাগত সহকারী কমিশনার (ভূমি) পাপিয়া আক্তার সহ বিভিন্ন দপ্তরের অফিসারবৃন্দ।

শ্যামনগরের গাবুরায় হাজী সোহরাব ফাউন্ডেশন উদ্বোধন

শ্যামনগর প্রতিনিধি: শ্যামনগরের গাবুরার সাবেক বারবার ইউপি নির্বাচিত চেয়ারম্যান মরহুম সোহরাব আলী গাজীর স্মৃতি স্মরণে চাঁদনীমূখায় হাজী সোহরাব ফাউন্ডেশন উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার মরহুম সোহরাব আলী গাজীর বড় পুত্র গাবুরা ইউপি চেয়ারম্যান জিএম মাসুদুল আলম এর আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবক এএফএম নূরুর রহমান (বাচ্চু), অধ্যক্ষ রুহুল কুদ্দুস, মোশারাফ হোসেন, খালিদ হোসেন, আব্দুর রশিদ, কবীর হোসেন, আবুল হাসানসহ ইউপি সদস্যগণ ও গণ্যমাণ্য ব্যক্তিবর্গ। সাবেক উপাধাক্ষ্য আব্দুল গফুরের সভাপতিত্বে এ উপলক্ষে মরহুম সোহরাব আলী গাজীসহ সকলের জন্য বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। মরহুম সোহরাব আলী গাজী শ্যামনগর-কয়রাসহ বিভিন্ন এলাকায় রাস্তাঘাট, ব্রিজ-কালভার্ট, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, মক্তব, মসজিদ, ঈদগাহ ইত্যাদি স্থাপনসহ নানাবিধ জনহিতকর কাজ করে সকলের নজর কেড়ে ছিল।

দেবহাটায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন: হুমকির মুখে রূপসী মানগ্রোভ পর্যটন কেন্দ্র

দেবহাটা ব্যুরো: দর্শণার্থী ও পর্যটকদের পদচারনায় প্রাণবন্ত ঐতিহ্যবাহী রূপসী দেবহাটা ম্যানগ্রোভ পর্যটন কেন্দ্রের গাঁ ঘেষে সম্পূর্ণ অবৈধভাবে প্রতিনিয়ত বালু উত্তোলন করছে সংঘবদ্ধ একটি চক্র। এতে করে নদী ভাঙনসহ হুমকির মুখে পড়েছে জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে নির্মিত ও পরিচালিত ঐতিহ্যবাহী রূপসী দেবহাটা ম্যানগ্রোভ পর্যটন কেন্দ্রটি। পাশাপাশি প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ আবারো ইছামতির ভাঙনের কবলে পড়ে পর্যটন কেন্দ্রটি নদী গর্ভে বিলীন হওয়ার আশংকাও করছেন উপজেলাবাসি।
শনিবার দুপুরে সরেজমিনে বেশ কয়েকটি সারিবদ্ধ ট্রলারকে যান্ত্রিক পদ্ধতি ব্যবহার করে রূপসী ম্যানগ্রোভ পর্যটন কেন্দ্রটির গাঁ ঘেষে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করতে দেখা যায়। এসময় বালু উত্তোলনকারীদের কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন, উপজেলার সুশীলগাতি এলাকার সাবেক চেয়ারম্যান আবুল ফজলের ছেলে আব্দুল্যাহ এবং দেবহাটার মৃত কালু গাজীর ছেলে আব্দুর রহিমের নির্দেশে প্রতিদিনই ম্যানগ্রোভ পর্যটন কেন্দ্রের কোল ঘেষে প্রবাহিত ইছামতি নদী থেকে বালু উত্তোলন করে আসছেন তারা। তবে তাদের কাছে ওই স্থান থেকে বালু উত্তোলনের কোন অনুমতি আছে কি না জানতে চাইলে তারা কোন বালু উত্তোলনের অনুমতি দেখাতে পারেননি।
দেবহাটার ঐতিহ্যবাহী রূপসী ম্যানগ্রোভ পর্যটন কেন্দ্রটি ইতোমধ্যেই জেলার গন্ডি পেরিয়ে পরিচিতি লাভ করেছে বাইরের জেলাগুলোতেও। মাত্র কয়েক বছরেই গড়ে ওঠা বনটি নদী ভাঙন রোধ করে পরিবেশের ভারসম্য রক্ষার সাথে সাথে মানুষের বিনোদনের খোরাকও জুগিয়ে আসছে। বাংলাদেশ-ভারতের আন্তর্জাতিক সীমানা নির্ধারনী ইছামতি নদীর ভাঙন রোধকল্পের প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আ ন ম তরিকুল ইসলামের উদ্যোগে শিবনগর এলাকায় ইছামতির তীর ঘেষে লবনাক্ততা সহনশীল বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের সারিবদ্ধ কয়েক হাজার চারা রোপনের মাধ্যমে ৩১.৪৬ একর জমিতে সুন্দরবনের আদলে সৃষ্টি করা হয় রূপসী দেবহাটা ম্যানগ্রোভ পর্যটন কেন্দ্রটি। স্থানটিকে মানুষের চিত্ত বিনোদনের অন্যতম স্থান হিসেবে গড়ে তুলতে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন ও দেবহাটা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সুন্দরবনের আদলে গড়ে তোলা রূপসী ম্যানেগ্রাভ পর্যটন কেন্দ্রটি উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরার তৎকালীন জেলা প্রশাসক ড. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার। পরে বিনোদন কেন্দ্রটির উন্নয়ন পরিকল্পনায় রোপন করা হয় আরো বেশ কিছু প্রজাতির গাছের চারা, নির্মাণ করা হয় মূল প্রবেশের গেট, পর্যটকদের ভ্রমণের ট্রেইল, আধুনিকায়ন করা হয় লেক ও রেস্ট হাউজ। শিশুদের বিনোদনের জন্য স্থাপন করা হয় দোলানা, স্লিপিং ট্রেইল ও বিভিন্ন প্রকারের কৃত্রিম জীবজন্তু। এছাড়াও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে উপজেলা সদর থেকে রুপসী ম্যানগ্রোভ পর্যন্ত বরাদ্দ দেয়া হয়েছে পিচের কার্পেটিং রাস্তা নির্মাণ প্রকল্পের কাজ।
বর্তমানে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা ভ্রমন পিপাসু পর্যটকদের পদচারনায় রূপসী দেবহাটা ম্যানগ্রোভ পর্যটন কেন্দ্রটি মুখরিত থাকলেও স্থানীয় আব্দুল্যাহ ও আব্দুর রহিমের নেতৃত্বে এসব সুবিধাবাদী চক্রটি প্রশাসনের তোয়াক্কা না করে প্রতিনিয়ত অবৈধভাবে ট্রলারে যান্ত্রিক পদ্ধতিতে বালু উত্তোলন করে পর্যটন কেন্দ্রটি হুমকির মুখে ফেলছে। এভাবে অবৈধভাবে চলমান বালু উত্তোলন অবিলম্বে বন্ধসহ হুমকির মুখ থেকে রূপসী দেবহাটা ম্যানগ্রোভ পর্যটন কেন্দ্রটি রক্ষায় জেলা ও উপজেলা প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহনের পরামর্শ এবং পর্যটন কেন্দ্রটি বিলীন হওয়ার হাত থেকে বাঁচাতে আগামীতে দেবহাটার ইছামতি নদীতে কাউকেই বালু উত্তোলনের অনুমতি না দিতে জেলা প্রশাসকের কাছে দাবি জানিয়েছে স্থানীয় এলাকাবাসী সহ পর্যটন কেন্দ্রটিতে আসা ভ্রমন পিপাসু দর্শণার্থীরা।
রূপসী ম্যানগ্রোভ পর্যটন কেন্দ্রটির গাঁ ঘেষে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিষয়ে দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইকবাল হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, পর্যটন কেন্দ্রটির সীমানা জুড়ে আশেপাশের এলাকা থেকে বালু উত্তোলনের কোন অনুমতি প্রশাসন দেয়নি। যারা প্রশাসনের নির্দেশনা না মেনে বালু উত্তোলনের মাধ্যমে ম্যানগ্রোভ পর্যটন কেন্দ্রটি হুমকির মুখে ফেলছে তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যাবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

কালিগঞ্জে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

বিশেষ প্রতিনিধি: কালিগঞ্জে ২০ পিস ইয়াবাসহ কমল মন্ডল (২০) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ। সে উপজেলার ভাড়াশিমলা গ্রামের দেবুরঞ্জন মন্ডলের ছেলে।
থানা সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার বেলা পৌনে ১১টার দিকে উপ-পরিদর্শক মনির হোসেন ও সহকারী উপ-পরিদর্শক হুমায়নের নেতৃত্বে পুলিশ ভাড়াশিমলা মোড়ে অভিযান চালিয়ে মাদক বিক্রির সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে কমল মন্ডলকে আটক করে। এসময় তার দেহ তল্লাশী করে ২০ পিস ইয়াবা পায় পুলিশ। এঘটনায় থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সংস্কৃতির উন্মুক্ত আলিঙ্গনে

সুদয় কুমার মন্ডল
বসন্তের ভরা যৌবন। পত্রমোচী বৃক্ষে সবুজের সমারোহ। কৃষ্ণচূড়া শাঁখে প্রস্ফুটিত পুষ্পের রক্তিম রংয়ের নান্দনিক ইশারায় শুভ সূচনা। প্রকৃতি সৃজনী উৎসবে মাতোয়ারা। সংকীর্নতার কোল ছেড়ে দক্ষিণা সমীরনের মৃদুলপরশে সতেজ মন। পাখীর কুজনে ঝোপঝাড় আনন্দ মুখরিত। সুকন্ঠী কোকিল গায়কের বিমোহিত সুরের আবেশ সেই নিধুবনে বিরহিনীর প্রেমের আলিঙ্গন জানায়। শিশির ¯œাত জ্যো¯œা রাতের মায়াবী আঁচল ঝুলিয়ে প্রকৃতির সাড়া জাগায় নতুন সৃজনী বরতায়। মহাউৎসবের মহা আয়োজন। সপ্ত রংয়ের দিব্যদ্যুতি আলোকিত সাতক্ষীরা।
সেই মহেন্দ্রক্ষণ। সংস্কৃতির পুজারী নানা আয়োজনে মহা ধুম ধামে মেতেছে। জনপদে জ্ঞান পিপাসুর উল্লাসিত সৌরভ। ৭ মার্চ ২০১৯ থেকে ১৭ মার্চ ঐতিহাসিক ভাষণ, শিশু দিবস ও বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন উপলক্ষে সাতক্ষীরার রাজ্জাক পার্কে মনোরম সেই বই মেলা অনুষ্ঠিত। হাজার হাজার দর্শক ক্রেতার ভিড়ে প্রত্যহ মেলারস্থল জনসমুদ্রে পরিণত সাংষ্কৃতির মঞ্চে প্রত্যহ নানা ধরনের আয়োজন। নাচ, গান বক্তৃতায় দর্শক শ্রোতা বিমুগ্ধ। প্রত্যহকত কবি, সাহিত্যিক, নাট্যকার, সাংস্কৃতিককর্মী বিজ্ঞজনের অবাধ বিচরণ এইজন প্রিয় মেলাকে স্বার্থক করে তুলেছে। জেলা প্রশাসকের মহতি উদ্যোগে এবং আন্তরিক প্রচেষ্টায় এই আয়োজন। জেলাবাসির গৌরব মহিমান্বিত এক সুস্থ সাংস্কৃতিক পরিমন্ডল। আয়োজকবৃন্দ অসংখ্য ধন্যবাদের দাবিদার।
এরই মধ্যে সাতক্ষীরার অনেক অঙ্গনে চলছে বিভিন্ন ধরনের সাংস্কৃতিক উৎসব। যার মধ্যে কবিতা উৎসব সাতক্ষীরাবাসীর এক নান্দনিক উৎসবে পরিণত হয়েছে। দৈনিক পত্রদূতের মাসিক সাহিত্য সভায় কবিতা আবৃত্তি যথেষ্ট প্রভাব বিস্তার করে চলেছে। এধারা অব্যহত রয়েছে।
ইতোমধ্যে কবিতা আবৃত্তির মহাধুম ধামের আসর ও নির্ধারিত হয়েছে ২৯ মার্চ ২০১৯ সাতক্ষীরা পাবলিক লাইব্রেরীতে কবিতা পরিষদের এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠান। সবই জ্ঞানার্জনের প্রেক্ষাগৃহ। সংস্কৃতির উন্মুক্ত আলিঙ্গনে। কবিতা শুধুমাত্র শব্দ ব্যঞ্জনা, রূপকল্পভাষা ও ভাবের বর্ণাঢ্য শুভ পরিচয় নয়। কবিতায় আছে নিজস্ব আত্মার নিরব কান্না, করুন বিদ্রোহ। যে কান্না ভাবুকের বা কবির অন্ত উপলদ্ধিতে ঝংকারিত। সে কান্না চলন্ত ট্রেনের হুইসেলেও শোনা যায়। অপেক্ষারত পতিতা ও বিরহী নারীর চোখে অদৃশ্য অশ্রু মোচনের শব্দে ও শোনাযায়। সুতরাং কবিতার জন্য দরকার পাঁচ দশ মিনিট নয় একটি সন্ধ্যা নয়, নাজিম হিকমতের ভাষায়, ‘ঋড়ৎ ঢ়ড়াবৎঃু হড়ঃ ভরাব ড়ৎ ঃবহ সরহঁঃবং নঁঃ বঃবৎহরঃু’ তিনি বলেন, আধুনিক কবিতার চালটার দিকে নজর আছে – চলনটার দিকে নজর নেই। কবিতা আবৃত্তি সমাজ সচেতনতা বৃদ্ধি করে দক্ষ আবৃত্তিকার তৈরি করে। সংস্কৃতিকে বেগবহ করে। লিখতে গেলে যে চর্চার প্রয়োজন, ভাল কবিতা পাঠ করাও প্রয়োজন। ভালো কবিতা সঠিক ভাবাদর্শ নিরূপন করে। আবৃত্তি কবিতা কে আরও প্রাঞ্জল, অর্থবহ ও আবেগময় করে তোলে- অঙ্গভঙ্গি ও স্বরযন্ত্রের শৈল্পিক কুশলতা প্রবৃদ্ধি ও প্রজ্ঞাবহ করে তোলে। আবৃত্তি শিল্প সংস্কৃতির অন্যতম অঙ্গ।
সংস্কৃতির অঙ্গনে নাটক, উপন্যাস, যাত্রাপালা যেমন বাস্তবতার প্রেক্ষাপটে বাস্তব জ্ঞানের প্রত্যক্ষ প্রতিফলন ঘটায় ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে স্বচিত্র দর্পনে প্রতিবিম্বত হয়। কবিতা আবৃত্তি কবিতার বাস্তব প্রতিফলন। সংস্কৃতিক ফলপ্রসুজ্ঞান দান করে মানস চেতনা উর্বর করে-আবৃত্তির কলাকৌশল ও দিক নির্দেশনা কবিতার অর্ন্তনিহিত ভাবকে ব্যঞ্জনাময় করে তোলে সংস্কৃতি আরও প্রসন্ন ও প্রগতিশীল হয়। কবিতা লিখে শুধু পাঠ করলে কবিতার প্রাণ সঞ্চার হয় না। কবিতাকে প্রাণবন্ত করে তুলতে হলে কবিতার সঠিক আবৃত্তি নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ। কবিতা সঠিক আবৃত্তির জন্য উপর্যুপরি চর্চার মাধ্যমে দক্ষতা অর্জন করা অত্যন্ত অপরিহার্য স্বরভক্তি, উচ্চারণরীতি, বিরাম চিহ্নের যথাযথ ব্যবহার কবিতা আবৃত্তির উৎষর্ক সাধন করে। কিন্তু সেদিকে বেশীর ভাগেরই মন:স্কতা নেই। সকলে নিজের লেখায় মশগুল। ভালমন্দ বিচার ব্যক্তিগত সম্পর্কের ভিত্তিতে।
বর্তমানের অনেক কবিতা পাঠকের দুবোধ্য হয়ে ওঠায় কবিরা কিছু ভাববার দরকার মনে করেন না। আধুনিক কালে অর্থাৎ সাম্প্রতিক সময়ে গদ্য কবিতার চল আছে; কিন্তু গদ্য কবিতা যে এক অন্তলীন শব্দে বাধা অধিকাংশই তা খেয়াল বা চিন্তা করেন না। কবিতা সম্পর্কে একথা অসমীচিন নয় যে, অনেকেই কিছু কিছু অপরিচিত কবিতা থেকে শব্দ বা লাইন নিয়ে সাজিয়ে নিজস্ব কবিতা তৈরী করেন-এই প্রবণতা আদৌ সমর্থন নহে। এতে নিজস্ব বলে কিছু থাকে না।
একজন আবৃত্তিশিল্পীর সে সুযোগ নেই। আবৃত্তি শিল্পী নিজের দক্ষতা যোগ্যতা ও চর্চা ও নিয়মিত সাধনার দ্বারা নিজেকে দক্ষ ও যোগ্য করে তোলে। বাস্তবের বাস্তবতায় রূপদানে তিনি সচেষ্ট। তার মননতুলি হৃদয় পটভূমিতে সে দৃশ্য ফুটিয়ে তোলে। আবৃত্তি মঞ্চে সে স্বার্থক রূপকার। কবিতা আবৃত্তি শ্রোতার হৃদয় আলোকিত ও আবেগময় করে আনন্দ দান করে। একজন যোগ্য আবৃত্তিশিল্পী বাস্তবতার মঞ্চে সফল অভিনেতা। এর পোষকে সমাজ ও সংস্কৃতি আরও প্রগতিশীল, পরিবর্তন ও পরিবর্ধনশীল হয়।
সংস্কৃতির মুক্তমঞ্চে কবিতা আবৃত্তি কাব্যিক জ্ঞান বিকশিকত করে। কবিতা সংস্কৃতির ধারক বাহক ও শুদ্ধতার পরিচায়ক। কবিতা সৃষ্টি স্বার্থক হয় আবৃত্তির রং তুলিতে। আবৃত্তিশিল্প ও কবিতা সৃষ্টির প্রেরণ যোগায়। কবি, সাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক, নাট্যকর, আবৃত্তিশিল্পী, সংস্কৃতিবান, পন্ডিত, গুনি বিজ্ঞজন যারা সংস্কৃতির কে লালন করে, তাদের প্রতি আমার যথেষ্ট কৃতজ্ঞতা আছে। কিন্তু বড় ই পরিতাপের বিষয় সাহিত্য চর্চায় গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্বের সেই ভয়ংকর আবিলতায়।
জেলার শ্রেষ্ঠ আবৃত্তিশিল্পী অধ্যাপক মন্ময় মনির গভীর নিষ্ঠার সাথে নিরলসভাবে আবৃত্তিশিল্পকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। তার এ মহতি প্রয়াস এর প্রত্যক্ষরূপ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। অধ্যাপক মনির যে কাজে হাত দিয়েছেন তা সাতক্ষীরার কবি, সাহিত্যিকদের বিচরণ ক্ষেত্রে প্রেরণা ও মনোবল যোগাবে। যার প্রত্যক্ষ ফল সংস্কৃতিকে আরও সমৃদ্ধিশালী করে তুলবে। এ বিষয়ে ভবভূতির সেই বিখ্যাত উক্তি প্রণিধানযোগ্য। ‘উৎসব্যসত্ত্বে কোহপি সমান ধর্মা কালোহয়েং নিরবধিবিপুল চ পৃথ্বি’ কৌটল্য’র অর্থশাস্ত্র অনেক কাল মানুষের অজানা ও অবহেলিত ছিল। তারপর বিশেষ খ্যাতি লাভ করেছে। কবিতা আবৃত্তি উৎসব মন্ময় মনিরের সত্যিকারের এক প্রশংসনীয় পদক্ষেপ। সাতক্ষীরাতে ২০০৬ সালে অনুষ্ঠিত প্রথম আবৃত্তি উৎসবের সার্থক রূপকার মন্ময় মনির। আমি তার এ মহতি উদ্যোগের অসংখ্যা ধন্যবাদসহ সাফল্য কামনা করি।

সিবি হসপিটাল লিমিটেড ১ম বিভাগ ক্রিকেট লীগের শনিবারের খেলায় ইউনুছ আলী স্মৃতি সংসদ জয়ী

জেলা ক্রীড়া সংস্থার ব্যবস্থাপনায় এবং সিবি হসপিটাল লিমিটেড, সাতক্ষীরার পৃষ্ঠপোষকতায় সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ মাঠে সিবি হসপিটাল লিমিটেড ১ম বিভাগ ক্রিকেট লীগ’২০১৯ এর শনিবারের খেলা ইউনুছ আলী স্মৃতি সংসদ বনাম লাবসা পল্লী মঙ্গল সমিতির মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়। খেলায় ইউনুছ আলী স্মৃতি সংসদ টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে ৫০ ওভারে ৭টি উইকেট হারিয়ে ২২৫ রান করে। দলের রানা সর্বোচ্চ ৫৮ রান করে। প্রতিপক্ষের আব্দুল্লাহ ৩টি উইকেট লাভ করে। জবাবে লাবসা পল্লীমঙ্গল সমিতি ৪০.২ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ১৪৯ রান করে। দলের ফয়সাল মেহেদী ৩১ রান করে। প্রতিপক্ষের নিশিত ৫টি এবং মেহেদী ৩টি উইকেট লাভ করে। ফলে ইউনুছ আলী স্মৃতি সংসদ ৭৬ রানে জয়লাভ করে।

কলারোয়ায় হাতেখড়ি’র ৩দিনব্যাপি শিশুতোষ বইমেলা

কলারোয়া প্রতিনিধি: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৯ তম জন্মদিবস ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে শনিবার কলারোযা হাতেখড়ি শিশু বিকাশ কেন্দ্র আয়োজিত ৩ দিনব্যাপি শিশুতোষ বইমেলা শুরু হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় কলারোয়া উপজেলা অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত এ মেলা চলবে আগামীকাল ১৮ মার্চ পর্যন্ত। মেলার উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরএম সেলিম শাহ নেওয়াজ। শিশুতোষ বই মেলা ছাড়াও চিত্রাঙ্কন, সুন্দর হাতের লেখাও আবৃত্তি প্রতিযোগিতা থাকছে। হাতেখড়ি শিশু বিকাশ কেন্দ্রের পরিচালক কাজী শাহিনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন একরামুল কবীর।

তালা মহিলা ডিগ্রী কলেজে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

তালা (সদর) প্রতিনিধি: শনিবার সকালে তালা মহিলা কলেজের হলরুমে ২০১৮ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন কলেজ হতে ২৩ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছিলো।
তালা উপজেলা সমিতি-ঢাকা এর সভাপতি শেখ আমিন উদ্দিন আহম্মেদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাজিয়া আফরীন। উপজেলা সমিতি-ঢাকার সাধারণ সম্পাদক রেজাউল হক রেজা এবং তালা মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক গাজী আসাদুজ্জামানের সঞ্চলনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, অধ্যক্ষ মো. আব্দুর রহমান, উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. আতিয়ার রহমান, জাতীয় শ্রমীকলীগ তালা উপজেলা শাখার সভাপতি সাংবাদিক আব্দুল জব্বার, তালা মহিলা কলেজের উপাধ্যক্ষ মো. শফিকুল ইসলাম, এমএ গফুর, গুহ উত্তম কুমার, মেহেদী হাসান সাগর, আফজাল হোসেন, শেখ আব্দুল হাকীম, এসএম মারুফ উল-ইসলামসরদার শরিফুল ইসলাম প্রমুখ।

ভোমরা স্থলবন্দর পরিদর্শন করলেন নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব

নিজস্ব প্রতিনিধি: ভোমরা স্থলবন্দর পরিদর্শন করেছেন নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব আবদুস সামাদ। শনিবার দুপুরে তিনি পরিদর্শন শেষে বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রশাসনিক ভবনে বন্দর সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় করেন। এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক এসএম মোস্তফা কামাল, বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল করিম, কাষ্টমসের সহকারী কমিশনার নিয়ামুল হাসান, সিএন্ডএফ সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান নাছিম, ইমিগ্রেশন পুলিশের অফিসার ইনচার্জ এসআই জুয়েল, বিজিবির ভোমরা বিওপির নায়েক সুবেদার আব্দুস সামাদ, স্থল বন্দর কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল আলমসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
নৗ-পরিবহন সচিব এ সময় ভোমরা স্থলবন্দরের জায়গা বাড়ানোর জন্য ১০ একর জমি একোয়ার করার বিষয়ে খোঁজ খবর নেন এবং বন্দরের পানি নিস্কাশন, রাস্তাঘাট নির্মাণ, অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ বন্দরের বিভিন্ন উন্নয়নে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। তিনি বন্দরের আমদানির সাথে সাথে রপ্তানি বাড়ানোর জন্য সিএন্ডএফ নেতাদের আহবান জানান।

দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়েছে। সাফল্যের দশ বছর পদার্পন উপলক্ষে শনিবার সকালে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে কেককাটা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিনের সাতক্ষীরা প্রতিনিধি মনিরুল ইসলাম মনি। প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যাপক আবু আহম্মেদ। এছাড়া বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি দৈনিক পত্রদূতের উপদেষ্টা সম্পাদক চ্যানেল আই এর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি এড. আবুল কালাম আজাদ, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মমতাজ আহমেদ বাপি, প্রভাষক শফিকুল ইসলাম, দৈনিক বণিক বার্তার সাংবাদিক গোলাম সরোয়ার, বাংলাভিশন টেলিভিশন এর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি আসাদুজ্জামান আসাদ প্রমূখ। আলোচনা সভা শেষে অতিথিরা বাংলাদেশ প্রতিদিনের জম্মদিনের কেককেটে সবাইকে মিষ্টিমুখ করান।

বুড়িগঙ্গা দখলমুক্ত হচ্ছে, প্রাণ সায়ের কপোতাক্ষ বেতনাও হবে: নৌ সচিব আবদুস সামাদ

পত্রদূত রিপোর্ট: নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আবদুস সামাদ বলেন, ভোমরা স্থল বন্দর এ এলাকার উন্নয়নের সূতিকাগার। তিনি বলেন, বন্দরের উন্নয়নের সাথে সাথে রাজস্ব আয় আরও বৃদ্ধি পাবে। একই সাথে আমদানি রপ্তানি বাণিজ্য আরও গতি লাভ করবে। সাতক্ষীরায় নদী খাল দখলদারদের উচ্ছেদ করা জরুরি হয়ে পড়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ঢাকায় বুড়িগঙ্গাকে দখলদারমুক্ত করার অভিযান চলছে। তিনি সাতক্ষীরার প্রাণ সায়ের খাল উন্মুক্ত করা এবং কপোতাক্ষ ও বেতনা নদী দখলমুক্ত করে খনন করার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন। চিংড়ি, হিমায়িত মৎস্য, আম ও কৃষি ফসল উৎপাদনে সাতক্ষীরা দেশের শীর্ষে রয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
নৌ পরিবহন সচিব শুক্রবার সকালে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে এক অনির্ধারিত মত বিনিময় সভায় এ কথা বলেন। এ সময় তার সাথে ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক এসএম মোস্তফা কামাল ও সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব সভাপতি অধ্যক্ষ আবু আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক মমতাজ আহমেদ বাপী সহ সাংবাদিকবৃন্দ।
তিনি আরও বলেন, স্বপ্নের পদ্মা সেতু ক্রমেই দৃশ্যমান হয়ে উঠছে। এই সেতু নির্মাণ সমাপ্ত হলে সাতক্ষীরায় আরও উন্নয়ন হবে। তিনি বলেন, সুন্দরবন সুরক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর। সুন্দরবনকে ঘিরে একটি পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। এটি বাস্তবায়িত হলে সাতক্ষীরা জেলা উন্নয়নের ¯্রােতোধারায় আরও বেগবান হবে। এছাড়া রেল লাইন নির্মাণের বিষয়টিও সরকারের পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে। সরকার সারা দেশে রেলের সম্প্রসারণ ঘটাতে কাজ করছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। সচিব বলেন, দক্ষিণ জনপদ সাতক্ষীরার উন্নয়নের জন্য জন প্রতিনিধিদের আরও সোচ্চার হতে হবে। তারা অগ্রসর হলে সরকারও পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত থাকবে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দক্ষিণের এই জেলা উন্নয়ন মহাসড়কে এগিয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। নৌ সচিব আবদুস সামাদ পরে ভোমরা স্থল বন্দর, সাতক্ষীরা পিএন বিয়াম উচ্চ বিদ্যালয়, শিশু হাসপাতালসহ কয়েকটি স্থান পরিদর্শন করেন।
বিকালে তিনি সাতক্ষীরার শহীদ রাজ্জাক পার্কে চলমান ঐতিহাসিক ৭ মার্চ বই মেলা’ পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি বলেন, বই আমাদের শ্রেষ্ঠ শিক্ষক। বইই আমাদের সঠিক পথে পরিচালিত করে। শিখতে পড়তে বই, জানতে জানাতেও বই উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের নতুন প্রজন্মকে বই পড়া শিখাতে হবে। এ জন্য বাবা মা ও স্কুলের শিক্ষকরা অগ্রনী ভূমিকা নিতে পারেন। নৌ সচিব আরও বলেন, দুর্নীতির ব্যাপারে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করছে। দুর্নীতিরোধে সকলকে কাজ করতে হবে। দুর্নীতি করে কেউ রেহাই পাবেনা বলে মন্তব্য করেন তিনি।