তালায় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রিজাইডিং অফিসার নিয়োগে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন


প্রকাশিত : মার্চ ১৯, ২০১৯ ||

নিজস্ব প্রতিনিধি: তালায় আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রিজাইডিং অফিসার নিয়োগে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ উঠেছে। সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সোমবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ অভিযোগ তুলে ধরেন, তালা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার, খেশরা ইউনয়নের দুই বার নির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যান, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও তালা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের আনারস প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা এমএম ফজলুল হক। তিনি তালা উপজেলার খেশরা ইউনিয়নের শাহাজাতপুর গ্রামের এরফান আলী মোড়লের ছেলে।
তিনি তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, তিনি দীর্ঘ ৫০ বছর যাবত রাজনীতি করে আসছেন। মুক্তিযুদ্ধের একজন সৈনিক হিসেবে তিনি তালা উপজেলাকে দুর্নীতিমুক্ত করার লক্ষ্যে আগামি ২৪ মার্চ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। তিনি জানান, এ উপজেলার ৯৩টি কেন্দ্রের মধ্যে ৭৩টিতে নিয়োগপ্রাপ্ত প্রিজাইডিং অফিসার হিন্দু ধর্মাবলম্বী। বাকি ক’জন আমার প্রতিপক্ষ ঘোষ সনৎ কুমারের নিজের নেতাকর্মীকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া সহকারি প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসার নিয়োগের ক্ষেত্রেও পক্ষপাতিত্ব করা হয়েছে। যেটা খুব আপত্তিকর।
অভিযোগ করে তিনি আরও বলেন, তালা উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা অপূর্ব কুমার বিশ^াস ও সমবায় পরিদর্শক অজয় কুমার ঘোষের সাথে আমার একমাত্র প্রতিদ্বন্দী প্রার্থী ঘোষ সনৎ কুমারের যোগসাজশ করে এই তালিকা তৈরি করেছে। তিনি বলেন, তালা সদরের ঐতিহ্যবাহী শহিদ মুক্তিযোদ্ধা কলেজ ও মহিলা কলেজ থেকে কোনো শিক্ষক প্রিজাইডিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়নি। অথচ শালিখা কলেজ অধ্যক্ষ বিধান চন্দ্র সাধু তার নিজস্ব লোক হওয়ায় প্রত্যন্ত অঞ্চলে প্রতিষ্ঠিত এই কলেজ থেকে ৯ জন শিক্ষককে প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ভোটে কারচুপি করার লক্ষ্যে এই কৌশল অবলম্বন করা হয়েছে বলে দাবি করেন এম.এম ফজলুল হক। তিনি এ সময় প্রশ্ন তুলে বলেন, যেখানে ৮০ শতাংশ মুসলিম কর্মকর্তা রয়েছেন তাদের বাদ দেওয়া হলো কেনো ? ফজলুল হক ভোটগ্রহন কর্মকর্তাদের তালিকা যাচাই বাছাই করে নতুন করে প্রিজাইডিং অফিসার নিয়োগের জন্য প্রধান নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, বেসরকারি সংস্থা রুপালি পরিচালক শফিকুল ইসলাম, সাবেক এলজিইডি কর্মকর্তা আবদুল আজিজ, কাজল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কর্মকর্তা রেজাউল ইসলাম ও মাছ ব্যবসায়ী রবিউল ইসলাম।