সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সদর এমপি মীর মোস্তাক আহমেদ রবিকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিনিধি। সাংবাদিকদের সাথে সাতক্ষীরা সদর এমপি মীর মোস্তাক আহমেদ রবির অশোভন আচরণ করায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে তাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়েছে।
সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের
সাংবাদিকদের সাথে সাতক্ষীরা সদর এমপি মীর মোস্তাক আহমেদ রবির অশোভন আচরণ করায় ও ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে বিক্ষোভ মিছিলের মাধ্যমে সাংবাদিকদের নামে অশালীন বক্তব্যসহ সাংবাদিকদের প্রতিষ্ঠান ভেঙে গুড়িয়ে দেওয়ার হুমকির প্রতিবাদে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত জরুরী সাধারণ সভায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ আবু আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সর্বসম্মতিক্রমে নিম্ন লিখিত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়- সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের অশালীন আচরণ ও সাংবাদিকদের প্রতিষ্ঠান ভেঙে গুড়িয়ে দেওয়ার হুমকির ঘটনায় সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি করাসহ এর তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানানো হয়েছে। সাংবাদিকদের সাথে সাতক্ষীরা সদর এমপির অশোভন আচরণের ঘটনায় তাকে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়েছে। সমগ্র ঘটনা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী ও স্পিকার বরাবর স্মারকলিপি প্রদানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ধানদিয়ার মৌলভীবাজারের পাশে অবৈধভাবে রাস্তায় বালু রেখে রমরমা ব্যবসা!

নিজস্ব প্রতিনিধি: জেলার পাটকেলঘাটা থানার ত্রিশমাইল থেকে চৌরাস্তা সড়কে অবস্থিত মৌলভীবাজারের রাস্তার উপর বালু রেখে রমরমা ব্যবসা করছেন ২নং ধানদিয়া ইউপির পাঁচপাড়া গ্রামের মোজাম সরদারের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম। জনবহুল এই রাস্তায় বালু রাখার কারণে সাধারণ জনগণ প্রতিনিয়ত ভোগান্তিতে পড়ছেন।
জেলার মধ্যে কাঁচামালের বাজার হিসেবে মৌলভীবাজারের সুনাম আছে। এখানে বিভিন্ন জেলার মানুষ প্রতিদিন কাঁচামাল ক্রয় করেন। দেশের বিভিন্ন জেলায় পিকআপ ও মিনি ট্রাকে কাচাপণ্য বিপণন করা হয়। বালু ব্যবসায়ীর কারণে রাস্তায় পড়ে থাকা বালুর জন্য ব্যাহত হচ্ছে চলাচল। এই রাস্তায় প্রতিদিন ১০ থেকে ২০টা টলি ও ট্রাক যোগে বালু লোড-আনলোড করেন বালু ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর হোসেন। ফলে রাস্তার এবং এলাকার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। তাই বিষয়টি দৃষ্টি দেওয়ার জন্য উদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষের নিকট হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এলাকার গণ্যমাণ্য ব্যক্তিসহ সাধারণ জনগণ।

পৈত্রিক সম্পত্তি জোরপূর্বক ভোগদখল হয়রানীর হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিনিধি: মাছখোলায় নি:স্বত্ত্ব দেখিয়ে পৈত্রিক সম্পত্তি জোরপূর্বক ভোগদখল ও মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে হয়রানীর হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন শহরের পুরাতন সাতক্ষীরার ফরমান আলীর স্ত্রী হাসিনা খাতুন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আমার নানা মৃত অহম্মদ কারিকর ও তার ভাই মৃত আপ্তাব কারিকর ওরফে পুটে কাকিরের মাছখোলা মৌজায় তিনটি দাগে যথাক্রমে জেএল নং-১০২, খতিয়ান নং-১৬৪ (এসএ) ৮৫ শতক, ১৫১ খতিয়ানে ৮৩ শতক ও ১৪৫ খতিয়ানে ৪২ শতক সম্পত্তির মালিক। আমার নানা আহম্মদ কারিকরের একমাত্র কন্যা আমার মাতা আছিরন বিবি। আমার মা একা হওয়ার কারণে মাখখোলা এলাকার শিবতলা গ্রামের বাবুর আলী সরদারের ছেলে জেহের আলী, নুর আলী, কওসার, আবুল কাশেম, মুজিদ, হাবিবর, রফিকুলের স্ত্রী সালেহা, বাবুল সরদারের স্ত্রী ফিরোজা এবয় মৃত মাদার আলীর ছেলে আব্দুর রহিম, আব্দুল আলিম, নাইম হোসেন, ছাবিনা ইয়াছমিন, জেসসিন আক্তার, খাদিজা বেগম ভুমি অফিসের কতিপয় কর্মকর্তাদের মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে ম্যানেজ করে আহম্মদ ও পুটে কারিকরের ওয়ারেশদের বাদ দিয়ে নি:স্বত্ত্ব দেখিয়ে ভোগ দখল করে আসছে। তাদের সম্পত্তি পাশে এই সম্পত্তি হওয়ায় সহজে তারা ওই সম্পত্তি অবৈধভাবে ভোগ দখল করে যাচ্ছে। এ ঘটনায় বিগত ২০১৩ সালে সাতক্ষীরা সহকারী জজ আদালতে আমার বড় বোন বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করে। আদালতে তারা হাজির হয়ে আহম্মদ ও আপ্তাব কারিকরের সম্পত্তি তারা ভোগ দখলের বিষয়টি স্বীকার করে। ব্রহ্মরাজপুর ইউপির চেয়ারম্যান স্বাক্ষরিত ওয়ারেশ কায়েম সনদপত্রে আহম্মদ আলীর একমাত্র ওয়ারেশ হিসেবে আমার মায়ের নাম আছে। এছাড়া আপ্তাব কারিকরের ওয়ারেশদেরও ওয়ারেশ কায়েম সনদ রয়েছে। আর এ ওয়ারেশ কায়েম সনদ দেয়ায় অবৈধদখলদাররা তৎকালিন ইউপি চেয়ারম্যানকে অপমানিত করার চেষ্টা করে। এছাড়া বিষয়টি নিয়ে মাছখোলাক্লাবে নেতৃবৃন্দ মিমাংশার করার কথা বলে আমাদের সেখানে নিয়ে গেলে দখলদার বাহিনীর সদস্যরা আমার গলায় গামছা পেচিয়ে জোরপূর্বক আমার কাছ থেকে কাগজপত্র ছিনিয়ে নেয়। ক্লাব সেক্রেটারী আসমাতুল্লাহ বিষয়টি থানা পুলিশ না করে সে উদ্ধার করে দেবে বলে টালবাহানা করে এড়িয়ে যায়। বর্তমানে তারা আমার দুই ছেলে ও আমার ভাইদের নামে মিথ্যা নাশকতার মামলায় ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে। তারা প্রকাশ্যে বলছে সম্পত্তি উদ্ধারের চেষ্টা করলে তারা পুলিশকে ম্যানেজ করে আমার সন্তান ও ভাইদের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেল খাটাবে। এমতাবস্থায় আমি একজন অসহায় নারী হিসেবে আমার মাতার পৈতৃক সম্পত্তি উদ্ধার এবং আমার সন্তানদের যাতে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানী করতে না পারে সে জন্য পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছি। সংবাদ সম্মেলনে এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, হাসিনা খাতুনের বোনের মেয়ে খাদিজা খাতুন।

শ্যামনগরের গাবুরার মাদক ব্যবসায়ী নূরী আটক

নিজস্ব প্রতিনিধি: শ্যামনগরের গাবুরা এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী, জলদস্যু একাধিক মামলার আসামী আব্দুর নুর ওরফে নূরীকে আটক করেছে সাতক্ষীরা ডিবি পুলিশ। বুধবার সকাল ১০টায় তাকে সাতক্ষীরা জজকোর্ট এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। সে শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের চাঁদনীমুখা গ্রামের মৃত জাফর গাজীর ছেলে। তার নামে মাদক, নাশকতা, ডাকাতিসহ একাধিক মামলা রয়েছে। এঘটনায় সাতক্ষীরা ডিবি পুলিশের ওসি আলী আহমদ হাসমী নুরীকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আটক নূরী মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত।
এদিকে এলাকাবাসি সূত্রে জানা গেছে, মাদক ব্যবসায়ী নুরী জলদস্যু পরাধীদের আশ্রয়দাতা হিসেবে পরিচিত। নূরী ও তার ভাই আব্দুর রহিমের দাপটে অত্র এলাকার সাধারণ মানুষ অতীষ্ট হয়ে উঠেছিল। এঘটনায় প্রতিকার চেয়ে এলাকাবাসী গত ২১ অক্টোবর’১৮ তারিখে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। ওই পত্রে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ বিশিষ্টব্যক্তিরা তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সুপারিশ করেছিলেন। এলাকাবাসি ওই মাদক ব্যবসায়ী নূরীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

খুলনায় বিশ্ব শিশু নাট্য দিবস পালিত

পত্রদূত ডেস্ক: আলোচনা সভা ও নাট্য প্রদর্শনীর মধ্য দিয়ে বুধবার খুলনায় বিশ্ব শিশু নাট্য দিবস-২০১৯ পালিত হয়। এ উপলক্ষে খুলনা জেলা শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে রাত সাতটায় শহীদ হাদিস পার্কে আলোচনা সভা ও নাট্য প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন রূপান্তরের নির্বাহী পরিচালক স্বপন কুমার গুহ, কবি ও সাহিত্যিক সুশান্ত সরকার এবং জেলা কালচারাল অফিসার সুজিত কুমার সাহা।
বক্তারা বলেন, সুস্থ সংস্কৃতি চর্চা করতে হবে শিশুদের। শিশুরাই দেশ ও জাতির ভবিষ্যৎ। শিশুদের অধিকার রক্ষায় সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। শিশুদের অবহেলা করার কোন সুযোগ নেই। শিশুদের বেড়ে উঠার সুযোগ করে দিতে হবে এবং যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। নাটকের মধ্য দিয়ে শিশুর শারীরিক গঠন ও মনের বিকাশে সহায়তা করে। বিশ্ব শিশু নাট্য দিবস উপলক্ষে আজ এক সকালের গল্প, তোতা কাহিনীর পরের কাহিনী, পাপড়ির জীবন এবং পটগান প্রদর্শিত হয়।

পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী সুজন

সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী এমএম মারুফ তানভীর হুসাইন সুজন (টিউবওয়েল প্রতীক) গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রতিদিন সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত সদর উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নের সাধারণ ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন তিনি। পৌরসভার বিভিন্ন এলাকার সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময়, পথসভা ও গণসংযোগ করেন জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি তানভীর হুসাইন সুজন। আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে এলাকার রাস্তাঘাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্যখাতসহ সার্বিক উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সাধারণ ভোটারদের মন কাড়ছেন তরুণ এই নেতা। মতবিনিময়কালে তানভীর হুসাইন সুজন বলেন, বিভিন্ন দিক দিয়ে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা উন্নয়নে পিছিয়ে আছে। ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্ন পূরণে সাতক্ষীরা সদর উপজেলাকে মডেল হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করব। তিনি বলেন, গরিব-অসহায় মানুষের পাশে থাকাটা অনেক মূল্যের। সেই লক্ষ্য-উদ্দেশ্যই আমাকে বারবার পীড়া দেয়। তাই একজন জনপ্রতিনিধি হয়ে কাজ করা খুবই প্রয়োজন বলে মনে করি আমি।

পৌর তাঁতীলীগের আয়োজনে ১৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন

নিজস্ব প্রতিনিধি: বাংলাদেশ তাঁতীলীগের ১৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পৌর তাঁতীলীগের আয়োজনে কেক কাটা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টায় শহরের নূর মহল চত্ত্বরে এ কেক কাটা ও আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন পৌর তাঁতীলীগের সহ-সভাপতি কাজী ওবায়েদ। পৌর তাঁতীলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ ফিরোজ হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কেক কাটেন সাতক্ষীরা জেলা তাঁতীলীগের আহবায়ক মোস্তাফিজুর রহমান নাসিম। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ এহসান হাবীব অয়ন। এসময় উপস্থিত ছিলেন পৌর তাঁতীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাংবাদিক মাসুদ আলী, ৪নং ওয়ার্ড তাঁতীলীগের সভাপতি হেলাল উদ্দীন, ৫নং ওয়ার্ড তাঁতীলীগের সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, ৮নং ওয়ার্ড তাঁতীলীগের সভাপতি মোঃ আকাশ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক নাঈম হোসেন, ৯নং ওয়ার্ড তাঁতীলীগের সভাপতি সুলতান মাহমুদ সোহাগ, সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন, ৭নং আলিপুর ইউনিয়ন তাঁতীলীগের সাধারণ সম্পাদক সামসুজ্জামান প্রমূখ।

ডিএডি আইয়ুব আলী বিশ^াস স্মরণীর ঢালাই রাস্তা সংস্কার কাজের উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের পালপাড়া মোড় হতে মিশন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত ডিএডি আইয়ুব আলী বিশ^াস স্মরণী ঢালাই রাস্তার সংস্কার কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার সকালে পালপাড়া মোড়ে ঢালাই কাজের উদ্বোধন করেন ৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কাজী ফিরোজ হাসান। এসময় উপস্থিত ছিলেন এরশাদ আলী খোকা, কাজী শামসুর রহমান, আব্দুল হাকিম, মোমিনুর রহমানসহ স্থানীয় বিশিষ্টজন।

কলারোয়ায় দৈনিক ভোরের ডাক’র ২৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

কলারোয়া প্রতিনিধি: দৈনিক ভোরের ডাক পত্রিকার ২৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর গৌরবময় পথচলায় যুক্ত হলেন কলারোয়াবাসী। প্রতিষ্ঠার এই আনন্দময় দিনে কলারোয়া প্রতিনিধি শিক্ষক দীপক শেঠের আয়োজনে কেক কাটা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বুধবার কলারোয়া প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে পাঠক নন্দিত এই পত্রিকার ২৮তম বর্ষে পথচলার শুভ কামনা জানিয়ে কেক কেটে দিনটি উদযাপন করেন অতিথিবৃন্দ। কলারোয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি শিক্ষক দীপক শেঠের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে আলোচনা করেন ও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রধান শিক্ষক আমান উল্লাহ আমান, উপজেলা শিক্ষক কল্যাণ সমিতির সভাপতি প্রধান শিক্ষক হরিসাধন ঘোষ, সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সভাপতি সাংবাদিক সাইফুল্লাহ আজাদ, প্রধান শিক্ষক আজহারুল ইসলাম, অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ফজলুর রহমান, কলারোয়া প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি সাইফুল ইসলাম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ জুলফিকারুজ্জামান জিল্লু, কোষাধ্যক্ষ এমএ সাজেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ, কলারোয়া বার্তা’র সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম লিটন, সাংবাদিক ও শিক্ষক শামসুর রহমান লাল্টু, কলারোয়ার শীর্ষ সংবাদপত্র প্রতিষ্ঠান ‘মনি পত্র বিতান’র সত্ত্বাধিকারী মনিরুল ইসলাম মনি, সাংবাদিক ও ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব মিয়া ফারুক হোসেন স্বপন, শেখ শাহাজাহান আলি শাহিন, পত্রিকা পাঠক শিক্ষক বাকি বিল্লাহ শাহী, প্রভাষক ফিরোজ প্রমুখ।

দেবহাটায় উপজেলা নির্বাচনকে সামনে রেখে ওসির নেতৃত্বে পুলিশের মহড়া

দেবহাটা ব্যুরো: দেবহাটায় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখতে দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বিপ্লব কুমার সাহার নেতৃত্বে পুলিশের বিশেষ মহড়া দিয়েছেন পুুলিশ সদস্যরা। বুধবার বিকাল ৪টায় দেবহাটা উপজেলার সখিপুর, পারুলিয়া, কুলিয়া, নওয়াপাড়া সহ বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ মহড়া দিতে দেখা যায় দেবহাটা থানার পুলিশ সদস্যদের। মহড়ায় দেবহাটা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) উজ্জল কুমার মৈত্র,সেকেন্ড অফিসার মনিরুল ইসলাম, এসআই হেকমত আলী, এএসআই সোহেল, এএসআই জুয়েল, এএসআই মোস্তাফিজুর রহমান, এএসআই দরবেশ ফকির, এএসআই জসীম সহ দেবহাটা থানার সকল পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এসময় আগামী ২৪ শে মার্চ দেবহাটা উপজেলা পরিষদ নির্বাচন সুষ্ঠ ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিতের জন্য উপজেলাব্যাপী আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখতে সকলের প্রতি অনুরোধ জানান ওসি বিপ্লব কুমার সাহা।

কলারোয়ায় আ’লীগের বিরুদ্ধে আ’লীগের লড়াই

মনিরুল ইসলাম মনি: কলারোয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান পদে উপজেলা আ’লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পৃথক দুই প্যানেলে নির্বাচন করছেন। তবে নির্বাচনের শেষ মুহূর্তে জমজমাট প্রচার-প্রচারণার সাথে ছড়িয়ে পড়ছে উত্তাপ-উত্তেজনা। গত কয়েক দিনে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে একাধিকবার মৃদু সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। তবে থানা পুলিশ প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের কারণে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে স্বক্ষম হয়। এদিকে সুশাসন ও দুর্নীতিমুক্ত উপজেলা বাস্তবায়নে উপজেলা আ’লীগের নেতারা স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে অবস্থান নেয়ায় কোণঠাসা হয়ে পড়েছে আ’লীগ মনোনিত দলীয় প্রার্থী। তারপরও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখাতে নৌকা প্রতীককে ভোট দিয়ে আবারো জয়ী করার আশা ব্যক্ত করে প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন তিনিসহ তার সমর্থকরা।
পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে কলারোয়ায় চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন দু’জন প্রার্থী। এরমধ্যে দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র (আনারস প্রতীক) প্রার্থী হয়েছেন ৯০ দশকের ডাকসাইটের ছাত্রনেতা কলারোয়া উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম লাল্টু এবং দলীয় নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন উপজেলা আ’লীগের সভাপতি ও বর্তমান উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন।
এদিকে দলীয় নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ এনে দুর্নীতিমুক্ত উপজেলা গড়ার লক্ষ্যে সাবেক সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) সংসদ সদস্য বিএম নজরুল ইসলাম এবং সাবেক উপজেলা আহবায়ক সাজেদুর রহমান খান চৌধুরী মজনুর নেতৃত্বে দলীয় অধিকাংশ শীর্ষ নেতারা স্বতন্ত্র (আনারস) প্রার্থীকে সমর্থন এবং তার নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। ফলে নির্বাচনের মাঠে ভোটের সমীকরণে অনেকটা পিছিয়ে পড়েছে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী। এমনটি ধারণা করছেন সাধারণ ভোটাররা।
অপরদিকে উপজেলা আ’লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের ভোটযুদ্ধ এবং দলীয় সাবেক ও বর্তমান শীর্ষ নেতারা স্বতন্ত্র (সাধারণ সম্পাদক) প্রার্থীর পক্ষে অবস্থান নেয়ায় বিভক্ত হয়ে পড়েছে তৃণনমুল নেতা-কর্মী ও সমর্থকরা। এমন পরিস্থিতিতে অনেকে নির্বাচনী কার্যক্রম থেকে বিরত রয়েছেন। তবে উপজেলা আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব স ম মোরশেদ আলী (সাবেক ভিপি, কলারোয়া সরকারি কলেজ) ও রবিউল আলম মল্লিক বলেন, তৃণমুল নেতা-কর্মীরা নির্বাচনী মাঠে তাদের সাথেই ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করছে। তারা দাবি করে বলেন, নির্বাচনে সব প্রার্থীই আ’লীগের। আমরা দলের বিরুদ্ধে নয়, দলীয় (স্বতন্ত্র) প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছি। কলারোয়াকে দুর্নীতিমুক্ত ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আজ উপজেলা আ’লীগের সকল পর্যায়ের নেতা-কর্মীকে সাথে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়েছি। অন্যদিকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে নৌকা প্রতীকের সমর্থক এক আ’লীগ নেতা ও ইউপি চেয়ারম্যান জানান, কিছু নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে অবস্থান নিলেও উপজেলায় উন্নয়ন ধারা বজায় রাখতে নেতা-কর্মীরা ভেদাভেদ ভুলে দলীয় নৌকা প্রতীকের প্রার্থীকে জয়ী করবেন।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কলারোয়া উপজেলায় বিএনপির শক্ত অবস্থান ও জনসমর্থন থাকলেও কেন্দ্রীয় নির্দেশনায় নির্বাচনে অংশ নেয়নি দলটির নেতারা। এছাড়া এলাকায় রয়েছে জামায়াতের নিজস্ব ভোট ব্যাংক তবে বর্তমানে সাংগঠনিকভাবে বিপর্যস্থ এই দলটিও পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচন থেকে দুরে রয়েছে। মূলত এবারের নির্বাচনে আ’লীগের বিরুদ্ধে আ’লীগের প্রার্থীরা চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান পদে লড়াই করছেন। এরমধ্যে চেয়ারম্যান পদে দলীয় সমর্থিত নৌকা প্রতীক নিয়ে উপজেলা আ’লীগ সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন ও আনারস প্রতীক নিয়ে (স্বতন্ত্র) প্রার্থী উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম লাল্টু। তারা বলেন, কলারোয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনী ইতিহাসে চেয়ারম্যান পদে মূলত নৌকা ও ধানের শীষের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বীতা হয়েছে কিন্তু এবার বিএনপি নির্বাচনে অংশ না নেয়া এবং জামায়াত, জাতীয় পার্টিসহ অন্য কোন দলের প্রার্থী নেই। সে ক্ষেত্রে ভোটের মাঠে বিপাকে পড়তে পারে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী (আনারস) অংশ না নেয়া অন্য দলের সমর্থকদের ভোট পেয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে থাকবেন। তারপরও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা হবে বলে তারা জানান।
উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে দেখা গেছে, স্বতন্ত্র প্রার্থী উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম লাল্টু সাংগঠনিকভাবে শক্ত একটা অবস্থান তৈরি করেছেন। উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে তার কর্মী-সমর্থকের সংখ্যা বেশি। এ ছাড়াও উপজেলা আ’লীগের সাবেক ও বর্তমান অধিকাংশ নেতা-কর্মী তার পক্ষে অবস্থান করায় প্রচার-প্রচারণাও এগিয়ে রয়েছেন। অপরদিকে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ফিরোজ আহমেদ স্বপন বর্তমান উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আ’লীগের সভাপতির দায়ীত্ব পালন করছেন। তবে সাধারণ ভোটাদের অভিযোগ, তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর দুর্নীতি, ব্যাপক স্বজনপ্রীতি দলীয় ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ন না করায় দলীয় নেতারা বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন বলে জানান অনেকেই। সব মিলিয়ে সাধারণ ভোটাররা এবার উপজেলা চেয়ারম্যান পদে নতুন মুখ দেখতে চান বলে মন্তব্য করেন বিভিন্ন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ।
কলারোয়া উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও নির্বাচনের সহকারি রির্টানিং অফিসার মাসুদুর রহমান জানান, ২৪ মার্চ (তৃতীয় ধাপে) অনুষ্ঠিত হবে। উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় মোট ভোটার সংখ্যা এক লাখ ৮৫ হাজার ৭৩০ জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ৯১ হাজার ৬৫৩ জন আর মহিলা ভোটার সংখ্যা ৯৪ হাজার ৭৭ জন। নির্বাচনে মোট ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ৭৫টি। তিনি বলেন, নির্বাচনী সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সকল ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।
এছাড়া দুই প্যানেলে ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করছেন, স্বতন্ত্র আনারস প্রতীকের প্যানেলে ভাইস চেয়ারম্যান (পুরুষ) পদে উড়োজাহাজ প্রতীক নিয়ে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি কাজী আসাদুজ্জমান সাহাজাদা ও সংরক্ষিত ভাইস চেয়ারম্যান (মহিলা) পদে হাঁস প্রতীক নিয়ে সাবেক ছাত্রলীগ নেত্রী শাহানাছ নাজনীন খুকু। এবং আ.লীগ মনোনিত নৌকা প্রতীকের প্যানেলে ভাইস চেয়ারম্যান (পুরুষ) পদে প্রার্থী হয়েছেন, মাইক প্রতীক নিয়ে জেলা আ’লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ও বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান এইচ এম আরাফাত হোসেন ও সংরক্ষিত ভাইস চেয়ারম্যান (মহিলা) কলস প্রতীক নিয়ে আ’লীগ নেত্রী ও বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান সেলিনা আনোয়ারা ময়না। এছাড়া সংরক্ষিত ভাইস চেয়ারম্যান (মহিলা) পদে এককভাবে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন ফুটবল প্রতীক নিয়ে আ’লীগ নেত্রী রাজিয়া সুলতানা দুলালী।

সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন আজ সভাপতি-সম্পাদক পদে লড়াই হবে হাড্ডা-হাড্ডি

নিজস্ব প্রতিনিধি: জেলা আইনজীবী সমিতির বার্ষিক নির্বাচন আজ। নির্বাচনে ৪৮৯জন ভোটার আইনজীবী সরাসরি ভোটের মাধ্যমে আগামী এক বছরের জন্য কার্যনির্বাহী কমিটির নেতা নির্বাচন করবেন। বিগত কয়েকদিন যাবৎ ভোট নিয়ে আদালত পাড়ায় সাধারণ আইনজীবীদের মধ্যে বেশ আগ্রহ দেখা যায়। নানা নাটকীয়তার মধ্যেও নিজের ভোট নিজে দিতে পারবেন এমন আশায় বারের ভোট শেষ পর্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বীতাপূর্ণ হয়ে ওঠে। এবারের ভোটে সভাপতি সাধারণ সম্পাদক পদে হেভিওয়েট সব প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় এ দুইটি পদে হাড্ডা-হাড্ডি লড়াই হবে বলে ধারণা করছেন ভোটার আইনজীবীরা।
জানা যায়, ১৮৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতি তার গঠনতন্ত্র অনুযায়ী একটি অরাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান। তবে অন্যান্য বছরের নির্বাচনে আ’লীগ বা বিএনপি অঘোষিত ভাবে বিভিন্ন পদে দলীয় প্রার্থী মনোনয়ন দিলেও এবারের নির্বাচনে সেটা লক্ষ্য করা যায়নি। এবারের নির্বাচনে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন, বারের সাবেক সভাপতি ও এক সময়ের ওয়ার্কার্স পার্টির নেতা এম শাহ আলম ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং বিএপি নেতা শেখ আব্দুস সাত্তার (১)। অপরদিকে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপি নেতা মো. তোজাম্মেল হোসেন তোজাম এবং বর্তমান সাধারণ সম্পাদক ও আওয়ামীলীগ নেতা আ ক ম রেজওয়ান উল্লাহ সবুজ। সহ-সভাপতির ১টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন ৩ জন প্রার্থী। এরা হলেন- এক সময়ের জামায়াত নেতা ও বারের সাবেক সহ-সভাপতি এটিএম বাসারাতুল্লাহ আওরঙ্গী, বিএনপি নেতা ও সাবেক সহ-সভাপতি মো. মহিতুল ইসলাম এবং আওয়ামী লীগ নেতা ও এপিপি মো. রুহুল আমিন। যুগ্ম-সম্পাদকের ১টি পদেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, ৩জন প্রার্থী। এরা হলেন-বিএনপি সমর্থক এবিএম আনিসুজ্জামান (আনিস), আ’লীগ সমর্থক মো. আশরাফুজ্জামান (বাবু) এবং আ’লীগ সমর্থক ও এপিপি শেখ মুস্তাফিজুর রহমান (শাহনেওয়াজ)। কোষাধ্যক্ষ পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন, বিএনপি সমর্থক ও সাবেক কোষাধ্যক্ষ মো. মোস্তফা জামান ও বিএনপি সমর্থক মো. রফিকুল ইসলাম। সহ-সম্পাদক (লাইব্রেরী) পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, জামায়াত সমর্থক মো. ইউনুস আলী ও আ ক ম শামসুদ্দোহা খোকন এবং বিএনপি সমর্থক মো. আব্দুল জলিল। সহ-সম্পাদক (ক্রীড়া) পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন, বিএনপি সমর্থক মো. আকবর আলী ও মো. সালাউদ্দীন (২)। সহ-সম্পাদিকা (মহিলা) পদে অন্য কোন প্রর্থী মনোনয়নপত্র জমা না দেয়ায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় নির্বাচিত হয়েছেন লাকী ইয়াছমিন। এছাড়া সদস্যের ৩টি পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৪ জন প্রার্থী, এরা হলেন-আ’লীগ সমর্থক মো. রফিকুল ইসলাম (রফিক), বিএনপি সমর্থক মো. শিহাব মাসউদ (সাচ্চু), আ’লীগ সমর্থক মো. সাইদুজ্জামান (জিকো) ও এপিপি মো. সাহেদুজ্জামান (সাহেদ)।
এবারের নির্বাচন কমিশনার হিসাবে যারা দায়িত্ব পালন করছেন, তাঁরা হলেন- প্রধান নির্বাচন কমিশনার মো. আব্দুল জলিল (১) এবং অন্যান্য নির্বাচন কমিশনাররা হলেন-আক্তারুজ্জামান, মো. আনিছুর কাদির ময়না, তারক কুমার মিত্র ও শাকিলা খানম।
উল্লেখ্য, সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির ভোটার আইনজীবীরা জানান, আইনজীবীদের পেশাগত মানোন্নয়ন, বারের তহবিল সুরক্ষা, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিট্রেট আদালতে যাতায়াতের পথ সৃষ্টি, পুরাতন বার নিয়ে সৃষ্ট জটিলতার সমাধানসহ আদালতে আসা বিচারপ্রার্থী মানুষের হয়রানি ও দুর্নীতি বন্ধে যারা কাজ করতে পারবেন তাদেরকে ভোট দিয়ে নেতা নির্বাচন করবেন। তবে আজকের নির্বাচনে সভাপতি ও সম্পাদক পদে হাড্ডা-হাড্ডি লড়াই হবে বলেও জানিয়েছেন অনেক ভোটার আইনজীবী।

শ্যামনগরে এসএম আতাউল হকের নির্বাচনী জনসভা

শ্যামনগর (সদর) প্রতিনিধি: আগামী ২৪ মার্চ শ্যামনগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী শ্যামনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এসএম আতাউল হক দোলনের নৌকা প্রতীকের নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২০ মার্চ বিকাল ৪টায় শ্যামনগর উপজেলা পরিবহন কাউন্টার চত্ত্বরে জনসভায় আওয়ামী লীগ নেতা নূরনগর ইউপি চেয়ারম্যান বখতিয়ার আহমেদের সভাপতিত্বে জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক এমপি মনসুর আহমেদ। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ-সম্পাদক ফিরোজ কামাল শুভ্র, দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুণ উর রশিদ, জেলা পরিষদ সদস্য শাহানাজ পারভীন মিলি, জেলা পরিষদ শ্যামনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম গোলাম মোস্তফা মুকুল, অধ্যক্ষ জাফরুল আলম বাবু, ঈশ্বরীপুর ইউপি চেয়ারম্যান এড. শোকর আলী, রমজাননগর ইউপি চেয়ারম্যান আল মামুন প্রমুখ। অনুষ্ঠান পরিচালনায় ছিলেন উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি গোলাম মোস্তফা বাংলা। বক্তাগণ আগামী ২৪ মার্চ শ্যামনগর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী এসএম আতাউল দোলনের নৌকা প্রতীকে সকলকে ভোট দেওয়ার আহবান জানান।

ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী ইখতিয়ার হোসেন তালা উপজেলাবাসির দোয়া সমর্থন কামনা করেছেন

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি: আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে তালা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান প্রাথীর্, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক ছাত্র নেতা, বারবার কারাবরণকারী নেতা ইখতিয়ার হোসেন সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত তালা উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজার গ্রাম-পাড়া মহল্লায় গণসংযোগ অব্যাহত রেখেছেন। এছাড়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে নেতাকর্মিরা স্ব-স্ব উদ্যোগে গণসংযোগ চালচ্ছেন। গণসংযোগকালে ইখতিয়ার হোসেন অতীতের সকল ভুলত্রুটি শুধরে নিয়ে দলমত নির্বিশেষে আগামী ২৪ মার্চ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে টিউবওয়েল মার্কায় ভোট প্রদানের আহবান জানান। তিনি বলেন, পুনরায় নির্বাচিত হতে পারলে জনগণের পাশে থেকে উপজেলার উন্নয়নে নিজেকে উৎসর্গ করবেন। তিনি আরও বলেন, তৃণমুলে জনগণই আমার প্রাণ, জনতাই আমার শক্তি। জনতার সহযোগিতা পেয়ে নির্বাচিত হতে পারলে তাদের সাথে নিয়ে কাজ করব। তিনি তালা উপজেলাবাসির দোয়া সমর্থন কামনা করেছেন।

খুলনায় প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ শিশুকে কৃমি নাশক ট্যাবলেট খাওয়ানো হবে

পত্রদূত ডেস্ক: খুলনায় জাতীয় কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহে প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ শিশুকে কৃমি নাশক ট্যাবলেট খাওয়ানো হবে। আগামী ৬ থেকে ১১ এপ্রিল জাতীয় কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহ-২০১৯ বাস্তবায়ন উপলক্ষে বুধবার সকালে নগরীর খুলনার স্কুল হেলথ ক্লিনিকে জেলা পর্যায়ে এ্যাডভোকেসি সভায় এই তথ্য জানানো হয়।
সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইউসুপ আলী। সভায় সভাপতিত্ব করেন খুলনার সিভিল সার্জন ডা. এএসএম আব্দুর রাজ্জাক। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন খুলনা আঞ্চলিক তথ্য অফিস পিআইডি’র উপ-প্রধান তথ্য অফিসার ম. জাভেদ ইকবাল, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মো. আতিয়ার রহমান শেখ, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা খোন্দকার রুহুল আমীন ও সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. জামাল হোসেন খান। সভায় সিভিল সার্জন জানান, ফাইলেরিয়াসিস নির্মূল এবং কৃমি নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমের আওতায় বছরে দুইবার (এপ্রিল ও অক্টোবর মাসে) কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহ পালন করা হয়। সপ্তাহব্যাপী প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সমপর্যায়ের মাদ্রাসা, কিন্ডার গার্ডেন, মক্তব ও এতিমখানাসমূহে ৫ থেকে ১২ এবং ১২ থেকে ১৬ বছরের সকল শিক্ষার্থী এবং স্কুল বহির্ভূত, ঝরেপড়া, পথশিশু ও শ্রমজীবী শিশুদের বিনামূল্যে কৃমি নাশক ট্যাবলেট (মেবেন্ডাজল ৫০০ মি. গ্রাম) খাওয়ানো হবে। এটি খালি পেটে খাওয়ানো যাবে না। খাওয়ার পর শিশুরা বমি করলে ভয়ের কিছু নেই। কৃমি নাশক ট্যাবলেট নিরাপদ ও শিশুর শারীরিক ও মানসিক বৃদ্ধির সহায়ক হিসেবে কাজ করে। তিনি প্রতিটি স্কুলের শিশুকে কৃমি নাশক ট্যাবলেট খাওয়ানো বিষয়ে পূর্ব থেকেই অবহিত করার জন্য সংশ্লি¬ষ্টদের তিনি আহবান জানান।
সভায় জানান হয় এবারে খুলনা জেলার ৯টি উপজেলা ও দুইটি পৌরসভাসহ দুই হাজার একশ ৪৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মোট তিন লাখ ৯৪ হাজার ২২ জন শিশুকে কৃমিনাশক ট্যাবলেট খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। খুলনা মহানগরীতে পাঁচশ ৯১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এক লাখ ৪৯ হাজার ৭৭০জন শিশুকে এ ট্যাবলেট খাওয়ানো হবে। খুলনা জেলা ও মহানগরে সর্বমোট ৫ লাখ ৪৩ হাজার ৭৯২ শিশুকে কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহে মেবেন্ডাজল খাওয়ানো হবে। স্বাস্থ্য অধিদফতরের ফাইলোরিয়াসিস নির্মূল ও কৃমি নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমের সহযোগিতায় খুলনা সিভিল সার্জন অফিস এ সভার আয়োজন করে।