কালিগঞ্জে চেয়ারম্যান সাঈদ মেহেদী, নাজমুল ও দিপালী ভাইস চেয়ারম্যান


প্রকাশিত : মার্চ ২৫, ২০১৯ ||

নিয়াজ কওছার তুহিন: সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে রবিবার (২৪ মার্চ) কালিগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ও ভয়ভীতিমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা হলেও উপজেলার ১২ ইউনিয়নের ৭৮ টি কেন্দ্রের অধিকাংশতে ভোটারদের উপস্থিত ছিল কম। উপজেলার বন্দকাটি, এম.এমপুর চৌমুহনী, ফতেপুর, নামাজগড়, ইন্দ্রনগরসহ কয়েকটি কেন্দ্রে মহিলা ভোটারদের ভিড় থাকলেও পুরুষদের উপস্থিতি তুলনামূলক কম ছিল।
উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, কালিগঞ্জ উপজেলার ১২ ইউনিয়নের মোট ভোটার ২ লক্ষ ১৭ হাজার ৭০৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লক্ষ ৯ হাজার ৯১৬ এবং মহিলা ভোটার ১ লক্ষ ৭ হাজার ৭৯০ জন। ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ১ লক্ষ ৩ হাজার ৪৩০জন। ভোট প্রদানের হার শতকরা ৪৭ দশমিক ৩৮ ভাগ। নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন। বাতিল ভোটের সংখ্যা ২ হাজার ৩৩০ টি। ৫৬ হাজার ৮৩৮ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাঈদ মেহেদী (ঘোড়া প্রতীক)। নিকটম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ মেহেদী হাসান সুমন (আনারস) পেয়েছেন ৩৪ হাজার ৭৬৬ ভোট। আওয়ামী লীগ সমর্থিত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী অবসরপ্রাপ্ত এএসপি আলহাজ্জ্ব শেখ আতাউর রহমান পেয়েছেন ৯৪৯৬ ভোট।
ভাইস চেয়ারম্যান (পুরুষ) পদে প্রতিদ্বন্দ্বিকারী প্রার্থী ছিলেন ৭জন। ৪৩ হাজার ১৮১ ভোট পেয়ে ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শেখ নাজমুল ইসলাম (তালা)। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি উপজেলা যুবলীগের সাবেক আহ্বায়ক ও উজ্জীবনী ইনস্টিটিউটের প্রধান শিক্ষক ফিফা রেফারী শেখ ইকবাল আলম বাবলু (বই প্রতীক) পেয়েছেন ২৬ হাজার ৬২২ ভোট। এছাড়া সাবেক ডেপুটি কমান্ডার আব্দুল হাকিম (টিয়া পাখি) পেয়েছেন ১১ হাজার ৫৪৬ ভোট, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ডিএম সিরাজুল ইসলাম (মাইক) পেয়েছেন ২ হাজার ২৮৯ ভোট। উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সাবেক সভাপতি গাজী জাহাঙ্গীর কবির (উড়োজাহাজ) পেয়েছেন ৩ হাজার ৫১৯ ভোট, সাবেক যুবলীগ নেতা আব্দুল কুদ্দুস (টিউবওয়েল) পেয়েছেন ১২ হাজার ৩৯১ ভোট এবং মাছ ব্যবসায়ী আব্দুল হামিদ সরদার (চশমা) পেয়েছেন ৫৭৫ ভোট।
মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন চার প্রার্থী। ধলবাড়িয়া ইউনিয়ন মহিলা যুবলীগের সভানেত্রী সাবেক ইউপি সদস্য দিপালী রাণী ঘোষ (ফুটবল) ৩৬ হাজার ৬৭৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছে। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি বিষ্ণুপর ইউপি’র সাবেক সদস্য ফারজানা আক্তার আফি (হাঁস) পেয়েছেন ৩৪ হাজার ১৫৯ ভোট। এছাড়া উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী সাবেক ইউপি সদস্য জেবুন্নাহার জেবু (পদ্মফুল) পেয়েছেন ১৬ হাজার ৯৯১ ভোট এবং মিসেস আফসানা বেগম (কলস) পেয়েছেন ১০ হাজার ৩৩১ ভোট।