অন্ধের ভূমিকায় সাতক্ষীরা পৌরসভা!


প্রকাশিত : মার্চ ৩১, ২০১৯ ||

 

কামালনগরে রাস্তার উপর বাথরুমের ট্যাঙ্কি, রাস্তা দখল করে পাঁচিল ও বিলাশ বহুল বিল্ডিং

 

মো. আমিরুজ্জামান বাবু: দায়সারা নোটিশ দিয়ে ক্ষ্যান্ত পৌরসভা! এ যেন দখলের মহোৎসব। সরেজমিনে গিয়ে এলাকার মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায়, ২০১৮ সালের ৪ নভেম্বর নোটিশ দিয়ে কাজ বন্ধ ও ভেঙে ফেলার কথা বলা হয়। সাথে সাথে কাজ বন্ধ ছিল। কিন্তু কাউন্সিলরের সাথে যোগাযোগ করে কথা কাজ মিটে যাওয়ায় বাকী কাজ শেষ করে ফেলেছে ভূমিদস্যুরা। এলাকাবাসি জানায়, রাস্তার উপর বাথরুমের ট্যাঙ্কি করেছে পৌরসভার দারোয়ান জামাতনেতা কামরুল ইসলাম। গাড়ী বাড়ি ব্যাবসা থাকলেও কাউন্সিলরের ভোটের সময় কাজ করার ফলে জামাতনেতা হওয়ার শর্তেও চাকরিতে তার কোন বাঁধা সৃষ্টি হয়নি। এলাকার মানুষ আরও জানায়, কামালনগরে অনেক গরীব ছিল। কিন্তু তাদের চাকরির জন্য সুপারিশ করলেন না কাউন্সিলর। সুপারিশ করলেন জামাতনেতা কামরুলের জন্য। বিষয়টি নিয়ে এলাকার মানুষের ভিতর ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। আর কাউন্সিলরের খুব কাছের লোক হওয়ায় জামাতনেতা কামরুল জনবহুল এলাকায় রাস্তার উপর বাথরুমের ট্যাঙ্কি করতে কোন অসুবিধা হয়নি। দারোয়ান কামরুলের বিষয়ে বিভিন্ন সময় কাউন্সিলরের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, ওকে নিষেধ করেছি কিন্তু শুনছেনা। রাস্তার ধারে সোজা পৌরসভার জায়গা দখল করে পাঁচিল দিয়েছে রাজমিস্ত্রি আহাদ। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পাঁচিলের ভিতর চলছে কোচিং সেন্টার। এলাকার মানুষ জানায়, প্রায় সন্ধ্যার সময় কিছু অচেনা মানুষ এখানে এসে মিটিং করে তবে পাঁচিল দেওয়ার কারনে কি বিষয় মিটিং করছে সেটা বাইরে থেকে জানা যায় না। বিশাল অট্টেলিকার মালিক রফিকুল ইসলামের সাথে কথা হলে তিনি জানায়, পৌরসভা থেকে নোটিশ দিয়েছে যদি সবাই ভেঙে নেয় আমিও ভাঙবো। সাতক্ষীরা পৌর এলাকার ৮নং ওয়ার্ড কামালনগর গ্রামের ভিতর দিয়ে বাইপাস সড়ক যাওয়ায় এবং তুফান কনভেনশন সেন্টার ও লেকভিউ এর মত বড় প্রতিষ্ঠান হওয়ার কারণে এ এলাকা বেশ জনবহুল হয়ে গেছে। বিষয়টি গুরুত্বে সাথে বিবেচনা করার জন্য এলাকাবাসি জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।