বাইপাস সড়কে চাঁদাবাজির ঘটনায় ব্যবস্থা গ্রহণে পুলিশের আইজিপি বরাবর লিখিত অভিযোগ


প্রকাশিত : এপ্রিল ১, ২০১৯ ||

মনিরুল ইসলাম মনি: সোর্স কর্তৃক মিথ্যা হয়রানীমূলক মামলা হতে অব্যাহতি পেতে এবং সাতক্ষীরা বাইপাস সড়কে ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে নিরীহ জনসাধারণের কাছ থেকে চাঁদা আদায়কারী, মাদকসেবী লাবসার আনারুল ইসলামের ছেলে সাদ্দামের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আইজিপি ও ডিআইজি খুলনা রেঞ্জ বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী রহমাতুল্যা বাবুর পিতা আব্দুর রহমান। লিখিত অভিযোগে প্রকাশ, আব্দুর রহমানের ছেলে রহমাতুল্যা বাবু ঘের ব্যবসা করেন। জেলার বিনেরপোতা বিসিকের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় সাদ্দাম হোসেনসহ আরো দু’জন দুটি মটরসাইকেলে আসে। রহমাতুল্যা বাবু তখন উক্ত স্থানে দাঁড়িয়ে ছিল। এসময় সাদ্দামরা রহমাতুল্যা বাবুর জিজ্ঞাসা করে। সে তার নাম বললে উক্ত সোর্স বলে তোমার বিরুদ্ধে মাদক, ডাকাতি এবং নাশকতার অভিযোগ আছে। আমরা ডিবি পুলিশ এখন তোমাকে গ্রেপ্তার করবো। এসময় রহমাতুল্যা বাবু বলেন যে আমার বিরুদ্ধে কোন মামলা নেই, এমন অভিযোগও নেই। সে কোন মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত নয় বললে, সোর্স সাদ্দাম হোসেনসহ আরো ২জন আমার ছেলেকে মারপিট করতে থাকে। এমন সময় পথচারি এক সাংবাদিক ঘটনাটি দেখে ফেলায় মারপিটের কারণ জানতে চাইলে ওই সাংবাদিকের মোবাইল ও ৮৮০টাকা নিয়ে নেয়। পরে মোবাইল ও ৮৮০টাকা ফেরত দেয় এবং আমার ছেলেকে উক্ত স্থান থেকে তুলে নিয়ে যায়। আব্দুর রহমান বলেন, গত ২০-০৩-১৯ রাত ৮টার সময় আমার ছেলের ফোন থেকে আমার কাছে ফোন আসে ছেলেকে ছাড়াতে হলে ৫০হাজার টাকা দাবি করে উক্ত সোর্স সাদ্দাম হোসেন। এসময় আমার ছেলে কোথায় আছে জানতে চাইলে সোর্স সাদ্দাম বলে আগে টাকার ব্যবস্থা করেন, পরে আপনার ছেলের খোঁজ খবর নিবেন। এসময় আমি ২০ হাজার টাকা নিয়ে কদমতলা ব্রীজের উপর সাদ্দামের সঙ্গে দেখা করি এবং ২০হাজার টাকা দেই। তখন সাদ্দাম বলে যে, আপনি বাড়িতে চলে যান আপনার ছেলে সুস্থভাবে বাড়িতে চলে যাবে। কিন্তু আমি সোর্সের মোবাইলে ফোন দিলে সোর্সের নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়। পরের দিন ২১-০৩-২০১৯ তারিখে আমি জানিতে পারি, আমার ছেলেকে মামলা নং-১৫, তাং ৭-৬-২০১৮, যার ধারা ৩৯৯/৪০২ পেনাল কোড তৎসহ ১৯৮০ সালের বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের ৫/৬ নম্বর পেন্ডিং মামলায় আসামী করে জেল হাজতে পাঠিয়েছেন। বিবাদীরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে আমার কাছ থেকে টাকা নিয়ে আমার ছেলেকে হয়রানী করার উদ্দেশ্যে উক্ত কাজটি করেছে। আমি যাতে ২০ হাজার টাকা ফেরত পাই এবং বিবাদীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হয় ও আমার ছেলে মিথ্যা ও হয়রানীমূলক মামলার দায় হতে অব্যাহতি পেতে পারে, সে জন্য সাহায্য কামনা করেছেন।
মাছখোলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সততা সংঘের মতবিনিময় সভা