নজরুলের গানে ঢাকার দর্শকদের মুগ্ধ করলেন সাতক্ষীরার রতœা


প্রকাশিত : এপ্রিল ৯, ২০১৯ ||

পত্রদূত ডেস্ক: নজরুলের বাণী আর সুরের মূর্চ্ছনায় দর্শকদের মুগ্ধ করলেন সাতক্ষীরার বিশিষ্ট সংগীত শিল্পী শামীমা পারভীন রতœা। রাজধানীর জাতীয় যাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে কবি নজরুল ইনস্টিটিউটের আয়োজনে ‘নজরুল সংগীতের আসর’-এ ঢাকার শিল্পীদের সঙ্গে গানের আমন্ত্রণ পেয়েছিলেন সুন্দরবন ও সাগর পাড়ের এই গুণী শিল্পী। রোববার সন্ধ্যায় অসাধারণ এক মনমুগ্ধকর সংগীতের আসর ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের এ নজরুল সংগীতের আসরে সন্ধ্যা থেকেই হল বোঝাই নজরুল প্রেমী। মিলনায়তনে হালকা মিষ্টি আলোর আবেশে সেতারের ঝংকারে নান্দনিক পরিবেশ সৃষ্টি করে। তারপর একে একে নজরুলের গানে বিমুগ্ধ হন দর্শকরা।
‘চেয়ো না সুনয়না আর চেয়ো না’, ‘খেলিছো এ বিশ্ব লয়ে বিরাট শিশু’, ‘চাঁদ হেরিছে’, ‘ভীরু এ মনের কোনে’, ‘মোর ঘুম ঘোরে এলো মনোহর’ অসাধারণ এই গানগুলো বিমোহিত করেন আসরে অংশ নিতে আসা সংগীত পিপাষুদের। বরেণ্য নরুল সংগীত শিল্পী সালাহ উদ্দিনের নেতৃত্বে কয়েকটি কোরাস গান পরিবেশন করে নজরুল ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা।
গান পরিবেশন করেন বিশিষ্ট নজরুল সংগীত শিল্পী যোসেফ কমল রড্রিক্স, শারমিন জাহান, বদরুন্নেসা ডালিয়া, শহীদ কবির পলাশ, সাতক্ষীরার শামীমা পারভীন রতœা এবং পটুয়াখালীর অধ্যাপক অশোক দাস। প্রত্যেকেই দুটো করে গান গেয়ে শোনান দর্শকদের।
শামীমা পারভীন রতœা গেয়ে শোনান নজরুলের ‘ভীরু মনের এ কলি’ এবং ‘মোর ঘুম ঘরে এলে মনোহর’ গান দুটি। উপস্থিত দর্শকরা মুহুর্মুহু করতালিতে অভিনন্দিত করেন সাতক্ষীরার এই শিল্পীকে।
এর আগে নজরুলের সংগীত নিয়ে আলোচনায় অংশ নেন সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. মো. আবু হেনা মোস্তফা কামাল, বিশিষ্ট নজরুল সংগীত শিল্পী খায়রুল আনাম শাকিল, জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম। প্রত্যেক শিল্পীর হাতে ফুল ও ক্রেস্ট দিয়ে সম্মান জানান কবি নজরুল ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক আবদুর রাজ্জাক ভূঞা।
আশাশুনিতে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন
আশাশুনি ব্যুরো: আশাশুনির গোয়ালডাঙ্গায় ইউনিয়ন আ’লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এলাকায় ২২ মাদক মামলার আসামী তৌহিদ সানার অকাল মৃত্যু হয়। বিষয়টি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে সম্প্রতি তৌহিদ সানাকে পুলিশে সোপর্দ করায় বড়দল ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি নাহিদ রানা বাবু, আ’লীগ নেতা ইসলামুল হক টুটুলসহ দলীয় সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের নামে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে সোমবার বিকালে বড়দল ইউনিয়নের গোয়ালডাঙ্গা বাজারের প্রধান সড়কে বড়দল ইউনিয়ন ছাত্রলীগ ও সকল সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু রায়হান সুমনের সভাপতিত্বে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন উপজেলা আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সামাদ বাচ্চু, প্রচার সম্পাদক জগদীশ চন্দ্র সানা, যুবলীগ নেতা এমএম সাহেব আলী, বড়দল ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সভাপতি মহসীন আলী লিটন, কৃষকলীগের সভাপতি সোহরাব হোসেন, মহিলা নেত্রী হাফিজা খাতুন তমা প্রমুখ। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, তৌহিদ ছিলেন মাদক স¤্রাট। তার বিরুদ্ধে মাদকসহ ২২টা মামলা বিচারাধীন। সম্প্রতি সে মাদক সংক্রান্ত মামলায় হাজতবাস করে বাড়ি ফিরেছিল। ঘটনার ১০ দিন পর তার মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু বিষয়টি নিয়ে ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল আলিম ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি বিগত নির্বাচনে ছাত্রলীগ ও আ’লীগের যে সকল নেতৃবৃন্দ নৌকা প্রতীকের পক্ষে সোচ্চার হয়ে কাজ করেছে তাদের পর্যায়ক্রমে ফাঁসাতে বাদিকে ভুল বুঝিয়ে মামলা করিয়েছেন। নিজে বড়দল ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা মরহুম ইউনুছ আলী সানার জামাতা হয়েও নোংরা রাজনীতির কারণে তারই আপন শ্যালক ইসলামুল হক টুটুলের বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে মামলা করিয়েছেন। বক্তারা আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে মামলা প্রত্যাহার না করা হলে ইউনিয়ন পরিষদ ঘেরাও করাসহ কর্মসূচী পালন করার ঘোষণা দেন। মানববন্ধন শেষে গোয়ালডাঙ্গা বাজারের তিন রাস্তা মোড়ে বটতলা চত্বরে মামলা প্রত্যাহেরর দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।