প্রেসক্লাবে পহেলা বৈশাখ ঝাল পোড়া আর পান্তাভাতে


প্রকাশিত : এপ্রিল ১৭, ২০১৯ ||

নিজস্ব প্রতিনিধি: পুরান দিনের সব স্মৃতিকে পেছনে ফেলে নতুনের আবাহনে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব মেতে উঠেছিল পহেলা বৈশাখের নতুন সূর্যোদয়ে। দিনভর প্রেসক্লাব সদস্য ও তাদের পরিবারবর্গের কলকাকলিতে নতুন এক মাত্রার সংযোজন ঘটেছিল এদিন রোববার ।
প্রত্যূষে পান্তাভাতে আপ্যায়িত হন সুধিজন, সাংবাদিক ও তাদের পরিবার পরিজন। কৃষিজীবী বাঙালির চিরায়ত সংস্কৃতি পান্তাভাত ঝাল পোড়া, বেগুন ভর্তা, চিংড়ি আলু ভর্তা এবং পেঁয়াজ কাঁচা লংকাও উঠেছিল পাতে। সাথে ছিল নারকেল আর গুড়। নববর্ষ ১৪২৬ এর পহেলা বৈশাখের এই আবাহনে আনন্দ ফোয়ারায় একাকার হয়ে যায় সুধিজনরা। তারা একে অন্যকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন। কোলাকুলি করে হৃদয়ের উষ্ণতা বিলিয়ে দেন। শিশু কিশোর যুব বৃদ্ধ সবাই যেনো বয়স ভেদেও একাকার হয়ে যান এদিন। নতুন পাঞ্জাবি পায়জামা নতুন পোশাক, আর নতুন শাড়ির আঁচলে বৈশাখের নতুনত্ব বারবার ভেসে ওঠে। ‘এসো হে বৈশাখ এসো এসো, তাপস নি:শ^াসও বায়ে, মুমূর্ষুরে দাও উড়ায়ে, বৎসরের আবর্জনা দুর হয়ে যাক যাক যাক, এসো হে বৈশাখ… অগ্নি ¯œানে শুচি হোক ধরা’ রবীন্দ্রনাথের কালজয়ী গানের সুরে সুরে এভাবেই আবাহন হয় পহেলা বৈশাখের। সাথে সাথে একতারা হাতে বাউল শর্মার দরাজ কন্ঠে ‘খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায়’, ‘সুন্নত দিলে হয় মুসলমান, নারী জাতির হয় কি বিধান, বামন চিনি পৈতাতে, বামনি চিনি কেমনে’, ‘মিলন হবে কতো দিনে, আমার মনেরও মানুষের সনে’ সহ লালন শাহজীর গানে গানে ভরে উঠেছিল বৈশাখী আয়োজন।
এর আগে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব সভাপতি অধ্যক্ষ আবু আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক মমতাজ আহমেদ বাপী অভ্যাগত অতিথিদের স্বাগত জানিয়ে তাদের আপ্যায়িত করেন।