কুলিয়ায় ইসলামী ব্যাংক পারুলিয়া এজেন্ট কেন্দ্রের সুধী সমাবেশ


প্রকাশিত : April 17, 2019 ||

কুলিয়া (দেবহাটা) প্রতিনিধি: মঙ্গলবার বিকাল ৪টায় দেবহাটা উপজেলার কুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ হল রুমে ইসলামী ব্যাংক পারুলিয়া এজেন্টের পক্ষ থেকে এক সুধী সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সমাবেশে ইসলামী ব্যাংক পারুলিয়া এজেন্ট এম কে ট্রেডিংয়ের পরিচালক শেখ মুরাদ হোসেনের সভাপতিত্বে ও ইসলামী ব্যাংক পারুলিয়া আইবিবিএল পারুলিয়া শাখার সহকারি ক্যাশিয়ার ইয়াছির আরাফাতের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন কুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আসাদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইসলামী ব্যাংক কালিগঞ্জ শাখার এফএভিপি মো. মজিবুর রহমান। প্রধান আলোচক ছিলেন ব্যাংকের অফিসার হাবিবুর রহমান। উপস্থিত ছিলেন কুলিয়ার ব্যবসায়ী আবুল হাসান, মজনুর রহমান, ডা. তোজাম্মেল হোসেন মিনু, মনিরুল মাষ্টার প্রমুখ।
কপিলমুনি শিশুকে যৌন নির্যাতন মামলায় আটক এক
কপিলমুনি (খুলনা) প্রতিনিধি: কপিলমুনি শিশুকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে মামলা হয়েছে। পুলিশ অভিযুক্ত শহীদুল সরদার (৪২) কে গ্রেপ্তার করেছে।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্র জানায়, উপজেলার নাছিরপুর গ্রামের মৃত হক সরদারের ছেলে শহিদুল সরদার (৪২) পহেলা বৈশাখে দুপুর ২টার দিকে বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে তারই প্রতিবেশী তৃতীয় শ্রেণির মাদ্রাসা ছাত্রীকে বাড়ির পাশের রাস্তা থেকে ফুল দেওয়ার কথা বলে নিজ ঘরে ডেকে নিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিয়ে নিপীড়ন শুরু করে। একপর্যায়ে তার মুখ চেপে ধরে ধর্ষণ চেষ্টা চালায়। শিশুটির মা দীর্ঘক্ষণ মেয়েকে বাড়িতে দেখতে না পেয়ে শহীদুলের বাড়ির দিকে এগুতে থাকলে মেয়ের অস্পষ্ট ধস্তাধস্তির আওয়াজ পেয়ে সেদিকে এগিয়ে গেলে শহীদুল তাকে ছেড়ে দেয়। তাৎক্ষণিক সে তার মায়ের কাছে বিস্তারিত খুলে বলে। এরপর শিশুটির মা শহীদুলের নিকট এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলে সে ঘটনার কথা বেমালুম অস্বীকার করে উল্টো এনিয়ে বাড়াবাড়ি করলে মাদকসহ বিভিন্ন মামলায় তাদেরকে ফাঁসানোর হুমকি দেয়। ঘটনার শিকার শিশুটি স্থানীয় কপিলমুনি জাফর আউলিয়া সিনিয়র মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী।
বিষয়টি তাৎক্ষণিক তারা স্থানীয় ইউপি সদস্যকে জানালে পহেলা বৈশাখের পরের দিন সোমবার সকালে স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল আজিজ বিশ্বাস ও কপিলমুনি আওয়ামী লীগের সভাপতি যুগোল কিশোর দে তাদের বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি শুনে চলে আসেন।
এরপর তারা শিশুটিকে নিয়ে থানায় উপস্থিত হয়ে তার মা বাদী হয়ে শহীদুলকে আসামী করে একটি ধর্ষণ প্রচেষ্টা, নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা করেছে। যার নং-১৫। এদিকে সোমবার বিকালে স্থানীয় কপিলমুনি পুলিশ ফাঁড়ির এসআই বাবুল অভিযুক্ত শহিদুলকে তার বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করেছে।