শার্শায় ভবন সংকটে ৪০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়


প্রকাশিত : এপ্রিল ২০, ২০১৯ ||

এমএ রহিম, বেনাপোল (যশোর): যশোরের শার্শায় ৪০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ভবন সংকটে লেখাপড়া করছেন ঝুুঁকি নিয়ে। শার্শার উলাশি সরকারি প্রাইমারী বিদ্যালয়ের ক্লাশ নেওয়া হচ্ছে খোলা আকাশের নিচে। ফলে দুর্ভোগে শিক্ষার্থীরা। ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষা। ঝরে পড়ছে অনেক শিক্ষার্র্থী। এ থেকে পরিত্রাণ চান তারা।
দেশব্যাপি শিক্ষার মান উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন শিক্ষা বান্ধব শেখ হাসিনা সরকার। শিক্ষা ব্যবস্থায় লেগেছে আধুনিকতার ছাপ। তবে শার্শা উপজেলায় ১২৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয় থাকলেও ভবন সংকটে ৪০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। সম্প্রতি ৫০টি স্কুলের দ্বিতল ভবন নির্মিত হলেও গ্রাম এলাকায় গোগা, কায়বা লাউতাড়া-শার্শা ও বেনাপোল ইউনিয়নের অধিকাংশ গ্রামের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভবন সংকটে লেখাপড়ার ব্যাহত হচ্ছে। ১৯৪২ সালে প্রতিষ্ঠিত উলাশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাড়ে ৪শ’ শিক্ষার্থীর জন্য রয়েছে মাত্র ২টি ভবন। ৩শতাধিক ছেলে মেয়ে খোলা আকাশের নিচে করছেন লেখাপড়া।
ভবন না থাকায় রোদে পুড়ে ও পানিতে ভিজে অনেক কষ্টে করছেন পড়ালেখা বই খাতা যাচ্ছে নষ্ট হয়ে অভিভাবক ও শিক্ষকরা পড়ছেন দু:শ্চিন্তায়। সরকারের সহযোগিতা চান তারা।
অবিভাবক ও শিক্ষার্থীরা জানান, বর্তমানে অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অবকাঠামো ভাল। তবে উলাশিতে সুন্দর পরিবেশ লেখাপড়া করাতে না পারায় ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষা ব্যবস্থা। ফলে ঝরে পড়ছে অনেক ছাত্র ছাত্রী। রোদ বৃষ্টির কারণে অনেকে ভর্তি হতে চায়না স্কুলে। রোদ পুড়ে ও পানিতে ভিজে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন।
উপজেলা সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা মো. হারুনার রশিদ ও মাসুম বিল্লাহ বলেন, অনেকগুলো ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। উলাশিসহ যে সব প্রতিষ্ঠানে সমস্যা আছে অচিরেই সেসব স্কুলের ভবন নির্মাণের প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুর রব জানান, প্রতিনিয়ত বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার মান উন্নয়নে পরিদর্শন, সমস্যা সম্ভাবনা উন্নয়ন ও অগ্রগতি নিয়ে কাজ করছেন তারা। সমস্যার বিষয়ে এমপি সাহেবও আন্তরিক। তিনি ডিও লেটার দিয়েছেন অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। খুব দ্রুত সময়েই এসব প্রতিষ্ঠানে সমস্যা সমাধান হবে বলে জানান তিনি।