জমি দেওয়ার নামে টাকা নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ


প্রকাশিত : এপ্রিল ২৪, ২০১৯ ||

নিজস্ব প্রতিনিধি: সদর উপজেলা রিসোর্স সেন্টার এক সহকারী কর্মকর্তাকে জমি দেওয়ার নামে টাকা নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে শহরে অটো পয়েন্ট মালিক সুব্রত বিশ্বাসসহ তার সহযোগিদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী আশাশুনি উপজেলার বড়দল গ্রামের মৃত আবু বকর সিদ্দিক গাজীর ছেলে সহকারী কর্মকর্তা ইয়াছিন আলি চলতি এপ্রিল মাসের ১০ তারিখে প্রতারক সুব্রতসহ ৪ জনের নাম উল্লেখ করে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। প্রতারণার শিকার ব্যক্তিরা হলেন পলাশপোল এলাকার অটো পয়েন্ট এর মালিক ও ইটাগাছা এলাকার বৈদ্যনাথ বিশ্বাসের ছেলে সুব্রত বিশ্বাস, দেবব্রত বিশ্বাস ও অটো পয়েন্ট কর্মচারী নুরুজ্জামান, চয়ন। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে সুলতানপুর মৌজার ১৭৪/১৭৫ সাবেক দাগের পৌরসভা এলাকায় গ্রামীন টাওয়ারের পূর্বে পাশে ৬.৬০ শতক জমি ইটাগাছা গ্রামের সুব্রত ও দেবব্রত বিশ্বাস ২৫ লাখ টাকা বিক্রির জন্য ওই সহকারী কর্মকর্তা ইয়াছিন আলির কাছে প্রস্তাব দেয়। একপর্যায় উভয় পক্ষে মতামতে সুব্রত বিশ্বাসের জমি কেনার জন্য তার কাছে ওই সহকারী কর্মকর্তা ইয়াছিন আলি প্রথম ধাপে নগত ২ লাখ টাকা বায়নাপত্র করেন। এরপর ওই জমি রেজিস্ট্রির জন্য ইয়াছিন আলি চেকের মাধ্যামে সুব্রত বিশ্বাসের কাছে নগদ ২৩ লাখ টাকা প্রদান করেন। কিন্তু ইয়াছিন আলি ওই জমির বায়নাপত্র দিলেও সুব্রত ও দেবব্রত বিশ্বাস ওই জমি রেজিস্ট্রি করে দিচ্ছেন না। সুব্রত ও দেবব্রত বিশ্বাস দীর্ঘদিন ধরে একের পর এক সময় ইয়াছিন আলিকে তালবাহানা করে আসছেন। এমনকি ইয়াছিন আলির দেওয়া ওই জমির বায়নাপত্র ২৫ লাখ টাকা ফেরতও দিচ্ছে না সুব্রত ও দেবব্রত বিশ্বাস। অভিযোগে আরো জানা গেছে ইয়াছিন আলির কাছ থেকে সুব্রত ওই জমির বায়নাপত্র ২৫ লাখ টাকা নেয়ার পর গোপনে ওই জমি অন্যত্রে ৩৫ লাখ টাকা বন্ধবস্ত রাখেন সুব্রত। এছাড়া ইয়াছিন আলির বায়নাপত্র টাকা ফেরত না দেওয়ার জন্য এবং আত্মসাত করার জন্য সুব্রত ও তার লোকজন তাকে বিভিন্নভাবে হয়রানি ও মিথ্যা মামলা জড়িয়ে দেওয়ার জন্য হুমকি দিচ্ছেন। এ ব্যাপারে পুলিশ সুপারের কাছে আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী ইয়াছিন আলি।