জেলায় ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে ঈদুল ফিতর উদযাপন


প্রকাশিত : জুন ৭, ২০১৯ ||

পত্রদূত ডেস্ক: জেলায় ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে ঈদুল ফিতর উদযাপন করা হয়েছে। পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উদযাপন উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কর্মসূচী গ্রহণ করা হয়। কর্মসূচির মধ্যে ছিল সূর্যোদয়ের সাথে সাথে যথাযথ মর্যাদায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন। প্রত্যুষে জাতীয় পতাকা, ঈদ মোবারক ও কালেমা তাইয়িবা লিখিত ব্যানার টাঙানো। মুনজিতপুরস্থ কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে সকাল ৭: ৩০টা থেকে ৮: ৩০ টায় পবিত্র ঈদ উল ফিতরের কেন্দ্রীয় জামাত অনুষ্ঠিত হয়। দুপুর ১টায় হাসপাতাল, জেলখানা ও সরকারি শিশু পরিবারে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হয়। এছাড়া ঈদ-উল-ফিতরের গুরুত্ব সম্পর্কে আলোচনা সভা ও শিশুদের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়। এদিকে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষ্যে জেলার প্রত্যেকটি ঈদগাহে নামাজ শেষে কোলাকুলি করেন। এসময় একে অপরের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন ধর্মপ্রাণ মুসুল্লীরা। অনেকেই কবর জিয়ারত করে স্বজনদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। অনেকেই মসজিদে ঈদের জামাতে অংশ নিয়ে আদায় করেন পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের নামাজ। এসময় দেশ ও জাতির সুখ শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষ্যে জেলার সকল ধর্মের মানুষের মধ্যে সম্প্রীতির সেতুবন্ধন লক্ষ্য করা যায়। জেলার বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে ছিল উপচে পড়া ভীড়। গ্রামের মাঠে বিভিন্ন খেলাধূলারও আয়োজন করে স্থানীয়রা। জেলা পুলিশের বিরামহীন কর্মতৎপরতায় কোন ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। শান্তিময় পরিবেশে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উদযাপিত হয়েছে।
এদিকে সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে জেলায় ৪ জুন ঈদুল ফিতরের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এদিন সদর উপজেলার বাউখোলা, সাতানি, ভাদড়া ও তালা উপজেলার ইসলামকাটিসহ ১৫টি গ্রামের কিছু সংখ্যক মানুষ সেখানে ঈদুল ফিতরের নামাজে অংশ নেন। ঈদের নামাজে খুলনার ডুমুরিয়া ও কয়রা উপজেলার কয়েকটি গ্রামের মুসল্লিরাও সেখানে অংশ করে। জামায়াতে মহিলারাও অংশগ্রহণ করেন। নামাজের ইমামতি করেন মাওলানা মহব্বত আলী। মাওলানা মহব্বত আলী জানান, সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে পৃথিবীর কোন প্রান্তে চাঁদ দেখা গেলে ঈদ উদযাপন করা যায়।