সাকিবের টানা তৃতীয় ফিফটি


প্রকাশিত : জুন ৮, ২০১৯ ||

বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে রানের পাহাড় টপকাতে চ্যালেঞ্জটা কঠিন করে দিয়ে গেছেন দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও সৌম্য সরকার। সৌম্য সরকারের পর ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফিরেছেন বামহাতি এই ওপেনার। ২ রানে ওপেনার সৌম্য সরকার বোল্ড হয়ে ফেরার পর তামিম ফিরেছেন ১৮ রান করে। তবে প্রথম দুই ম্যাচের ধারাবাহিকতা ধরে রেখে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টায় আছেন সাকিব। ১৯.১ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২ উইকেটে ১০২ রান।

ইংলিশ পেসারদের গতির মুখে হিমশিম খেতে হচ্ছে বাংলাদেশকে। দেখে শুনে খেলতে গিয়ে বরং উইকেট বিলিয়ে দেওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করেছেন সৌম্য সরকার। জোফরা আর্চারের ক্ষিপ্র গতির কাছে পুরোপুরি পরাস্ত হয়েই চতুর্থ ওভারে স্লিপে ক্যাচ দিয়েছিলেন। জো রুট ঠিকমতো না হওয়াতে হাতে জমাতে পারেননি। অবশ্য পরের বলে আর পারেননি আর্চারকে রুখতে। বল সরাসরি স্টাম্প ভেঙে পৌঁছে যায় বাউন্ডারি লাইনে!

সাকিব নামার পর সেই পেস আক্রমণেই চাপ বজায় রাখে ইংলিশরা। সাকিব-তামিম জুটি গড়ার চেষ্টায় থাকলে আর্চার, ওকসের পর নতুন করে আক্রমণে আনা হয় মার্ক উডকে।  উঠিয়ে মারতে গেলে তামিম মরগানের হাতে ধরা পড়েন এক্সট্রা কাভারে।

তামিম ফিরেছেন ১৯ রানে। তার বিদায়ের পর সাকিব আল হাসান প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টায় আছেন। মুশফিককে সঙ্গী করে তুলে নিয়েছেন বিশ্বকাপের টানা ‍তৃতীয় ফিফটি। ক্যারিয়ারের ৪৫তম। ব্যাট করছেন ৫৬ রানে, সঙ্গী মুশফিকুর রহিম ১৯ রানে ইনিংসে প্রতিরোধ গড়তে সহায়তা করছেন।

তার আগে কার্ডিফে রানের পাহাড় গড়েছে ইংল্যান্ড। বাংলাদেশকে তারা ছুঁড়ে দিয়েছে রেকর্ড ৩৮৭ রানের লক্ষ্য। টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ৬ উইকেটে ৩৮৬ উইকেট রান তুলেছে ইংলিশরা। ফলে জিততে হলে বিশ্বকাপে রেকর্ড রান তাড়া করেই জিততে হবে টাইগারদের।

বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জেতার রেকর্ডটা গড়েছে আয়াল্যান্ড। এই ইংল্যান্ডের বিপক্ষেই ২০১১ সালে ৩২৭ রান তাড়া করে ৩ উইকেটে জিতেছে আইরিশরা। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেকর্ডটা অবশ্য বাংলাদেশের। ২০১৫ বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডের ৩১৮ রান তাড়া করে টাইগাররা জয় তুলে নেয় ৪ উইকেট হারিয়েই!