নওয়াবেঁকী বাজারে দোকান দখলের অপচেষ্টার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন


প্রকাশিত : জুন ১০, ২০১৯ ||

শ্যামনগর সংবাদদাতা: শ্যামনগরের নওয়াবেঁকী বাজারে দোকান দখলের অপচেষ্টার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ছোটকুপট গ্রামের আব্দুর রউফ মোড়লের স্ত্রী সামিমা নাসরিন ঝর্ণা। গত ১০ জুন নওয়াবেঁকী বাজারে মেসার্স সামিমা ট্রেডার্স নামীয় তার দোকানে লিখিত সংবাদ সম্মেলনে দোকানের স্বত্বাধিকারী সামিমা নাসরিন ঝর্ণা বলেন, নওয়াবেঁকী মৌজার জে.এল নং-১০৮, খতিয়ান নং-১, দৈর্ঘ্য-২র্৬ ও প্রস্থ-১র্১ দোকান ঘরের ৩ ভাগের ১ ভাগ তিনি বৈধ দাবিদার। অথচ এ দোকান নিয়ে পশ্চিম বিড়ালাক্ষী নুর মোহাম্মদ গাজীর পুত্র মুকুল ও বুলবুল যোগ সাজসে অবৈধভাবে দখলের অপচেষ্টা করছে। ঝর্ণার পিতা মরহুম রেলায়েত হোসেন মোড়ল এ দোকানটি নির্মিত করে দীর্ঘ প্রায় ৪০/৫০ বছর ঘর তৈরী করে ব্যবসা করা অবস্থায় তার কন্যা সামিমা নাসরিন ঝর্ণাকে ১/৩ অংশ নন জুডিশিয়াল ষ্ট্যাম্পের মাধ্যমে বিক্রয় করে মৃত্যুবরণ করেন। মুকুল ও তার ভাই বুলবুল দোকান ঘরের একাংশ ভাড়া নিয়ে ব্যবসার আড়ালে অনৈতিক কাজকর্ম করা অবস্থায় ঝর্ণার দোকানের জায়গা দখলের অপচেষ্টা লিপ্ত ও হামলা করে শান্তি শৃঙ্খলা নষ্ট জান মালের ক্ষতি করে হুমকি ধামকি দেওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইউপি চেয়ারম্যানসহ উর্দ্ধোতন প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের স্বরনাপন্ন হন ঝর্ণা। ঝর্ণা সুবিচার প্রার্থনা করে প্রশাসনের দুয়ারে দুয়ারে ঘুরছে। অথচ মুকুল ও তার ভাই বুলবুল দোকানের জায়গাটি অবৈধভাবে দখল করতে র‌্যাব-৬ এর কর্মকর্তাসহ সদস্যদের জড়িয়ে অহেতুক মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে এ বিভাগটিকে বিতর্কিত করতে তার, পুত্র ও র‌্যাব বিরুদ্ধে তৎপর রয়েছে। আইন/শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় ও নিয়মিত টহলে নওয়াবেঁকী বাজারে র‌্যাব সদস্যরা এসে দোকানের দাবিদার ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের বিষয়টি সুষ্ঠ মিমাংশা করার নিমিত্তে অনুরোধ করে চলে যান। ইতিপূর্বে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উভয় পক্ষে কাগজপত্র পর্যালোচনা করে ঝর্ণার কাগজপত্র বৈধতা থাকায় আপোষ মিমাংশা মতে ঝর্ণার দোকানে ব্যবসা পরিচালনা করতে অব্যহত রাখার সুপারিশ করেন। র‌্যাব-৬ কোন প্রকার অনিয়ম, দোকান দখল, ভয়ভীতি বা দূর্নীতি না করেও মুকুল তার দাবীকৃত দোকান না পেয়ে মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে ঝর্ণাকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এ ব্যাপারে মুকুল দোকানটি তার দাবী করেও ব্যর্থ হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে র‌্যাবের কর্মকান্ডের বিষয়টি এড়িয়ে যান। এ ধরনের অনৈতিক কর্মকান্ড ও ঝর্ণার দোকানটি বহাল তবিয়তে ব্যবসা করার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।