আগরদাড়ী ইউপি পরিষদে দলিত এনজিও ওয়াকর্সপ কর্মশালা

নিজস্ব প্রতিনিধি: দলিত এনজিও এর আয়োজনে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আগরদাড়ী ইউনিয়ন পরিষদে নিরাপদ পানি, নিরাপদ পায়খানা ও পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার উন্নয়নের উপর কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১০টায় ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে দলিত এনজিও’র প্রোগ্রাম অফিসার বিকাশ চন্দ্র দাসের সঞ্চলনায় এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি উপস্থিত ছিলেন আগরদাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান মজনুর রহমান। এছাড়া কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন ইউপি সচিব আবুল কালাম, সাংবাদিক সেলিম হোসেন, ইউপি মেম্বর ইয়াছিন কবির, আব্দুল গফুর, এরশাদ আলি, হেলাল উদ্দীন, সামছুর রহমান, ওয়ার্সপ কমিটির সদস্য প্রাইমারী স্কুলের প্রধান শিক্ষক দিলিপ কুমার রায়, হাইস্কুলের সহকারী শিক্ষক বিশ্বজিৎ মন্ডল, রিনা দাস, সাবনা বিশ্বাস, প্রফুল্লা দাস, স্বাস্থ্য কর্মী শাহানারা পারভীনসহ ওয়ার্সপ সদস্যবৃন্দ।

সীমান্তে বিজিবির অভিযানে সাড়ে ৪ লাখ টাকার মালামাল জব্দ

পত্রদূত রিপোর্ট: সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবি চোরাচালান বিরোধী অভিযান চালিয়ে ৪ লাখ ৪৩ হাজার ৭০০ টাকার ভারতীয় মালামাল জব্দ করেছে। মঙ্গলবার ভোরে সাতক্ষীরার বৈকারী, পদ্মশাখরা, বাঁকাল, কাকডাঙ্গা ও মাদরা সীমান্তে অভিযান চালিয়ে এ সব মালামাল জব্দ করা হয়। জব্দকৃত মালামালের মধ্যে রয়েছে ভারতীয় ভিভেল শ্যাম্পু, গরু, চকলেট বাজি ও চা পাতা। তবে, বিজিবি এ সময় কোন চোরাকারবারীকে আটক করতে সক্ষম হননি।
বিজিবি জানায়, সাতক্ষীরা সীমান্ত দিয়ে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মালামাল আনা হচ্ছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটেলিয়নের আওতাধীন বৈকারী, পদ্মশাখরা, বাঁকাল, কাকডাঙ্গা ও মাদরা সীমান্তের স্ব-স্ব বিওপির টহলরত বিজিবি সদস্যরা অভিযান চালিয়ে উপরোক্ত মালামাল গুলো জব্দ করে। জব্দকৃত এ সব মালামালের মূল্য ৪ লাখ ৪৩ হাজার ৭০০ টাকা বলে বিজিবি আরো জানায়। সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোহাম্মদ গোলাম মহিউদ্দিন খন্দকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দৈনিক খুলনাঞ্চল সম্পাদক মিলটনকে গ্রেপ্তারে পাইকগাছা সাংবাদিক জোটের নিন্দা

কপিলমুনি (খুলনা) প্রতিনিধি: খুলনা থেকে প্রকাশিত দৈনিক খুলনাঞ্চল পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ মিজানুর রহমান মিলটনকে কালিয়া থানায় দায়ের করা মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে পাইকগাছা সাংবাদিক জোট নেতৃবৃন্দ তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

প্রতিবাদ জ্ঞাপনকারীরা হলেন, আহবায়ক প্রকাশ ঘোষ বিধান, যুগ্ম আহবায়ক যথাক্রমে শেখ মুহাঃ আব্দুস সালাম, শেখ আব্দুল গফুর, এস এম আব্দুর রহমান, সদস্য সচিব পলাশ কর্মকার, সদস্য এইচ এম এ হাশেম, জি এম আসলাম হোসেন, জি এম এমদাদ, জি এম মোস্তাক আহম্মেদ, শেখ সেকেন্দার আলী, এ কে আজাদ, মোঃ রফিকুল ইসলাম খান, জি এম মোস্তাক আহম্মেদ, মিলন দাশ, মহানন্দ অধিকারী মিন্টু, স ম নজরুল ইসলাম, জগদীশ দে, আব্দুস সবুর আল-আমীন, এইচ এম জিয়াউর রহমান, মজুমদার পলাশ, দ্বীপ অধিকারী প্রমুখ।

বিবৃতিদাতারা বলেন, ‘সাংবাদিকদের ওপর এহেন হয়রানী ও ষড়যন্ত্র বন্ধে সরকারকে দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়ার আহবান জানাই। যেখানে সাংবাদিক গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে তথ্য মন্ত্রণালয়ের একটি নির্দেশনা ইতোমধ্যে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। সেখানে একজন পত্রিকার সম্পাদককে এভাবে গ্রেফতার করা অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা। অবিলম্বে তাঁর নিঃশ্বর্ত মুক্তির দাবী জানাই।’

ঘটনা ধাঁমাচাপা দিতে মরিয়া লম্পটের পরিবার, ভিটেছাড়া ভিকটিম! দেবহাটায় গৃহবধুকে ধর্ষণের চেষ্টা: লম্পট পলাতক

দেবহাটা ব্যুরো: দেবহাটায় এক গৃহবধুকে জোরপুর্বক ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনার ভিকটিম গৃহবধু উপজেলার নাজিরের ঘের বড়শান্তা গ্রামের দুই সন্তানের জননী। গত বৃহস্পতিবার দুপুর ১টার দিকে পাশ্ববর্তী বাড়ির পুকুরে গোসল করতে গেলে ওই গৃহবধুর মুখে কাপড় পেচিয়ে তাকে জোর পুর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করে একই গ্রামের প্রভাবশালী শাহাবুদ্দীনের লম্পট ছেলে তুহিন। এঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছে লম্পট তুহিন। আর ঘটনা ধামাচাপা দিতে লম্পট তুহিনের বাবা শাহাবুদ্দীনের চাপের মুখে এবং লোকলজ্জায় বর্তমানে ভিটেছাড়া হয়ে সন্তানদের নিয়ে শ্যামনগরে পিতার বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে গৃহবধু। ভিকটিমের স্বজনরা জানায়, গত বৃহষ্পতিবার দুপুরে পাশ্ববর্তী শাহাবুদ্দীনের বাড়ির পুকুরে গোসল করতে যায় ওই গৃহবধু। এসময় ওই বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে শাহাবুদ্দীনের বখাটে লম্পট ছেলে তুহিন গৃহবধুর মুখে কাপড় পেচিয়ে জাপটে ধরে ধর্ষণের চেষ্টা করতে থাকে। এসময় গৃহবধুর চিৎকার শুনে স্থানীয়রা ছুটে এসে ঘটনাস্থলেই হাতে নাতে বখাটে লম্পট তুহিনকে ধরে ফেলে। পরবর্তীতে শাহাবুদ্দীন তার বখাটে লম্পট ছেলেকে ছাড়িয়ে নিয়ে ঘটনাটি ধাঁমাচাপা দিতে ভিকটিমের পরিবারকে হুমকি ধামকিসহ বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করতে থাকে বখাটে লম্পট তুহিনের বাবা শাহাবুদ্দীন। এমনকি তাদের চাঁপের মুখে চাঞ্চল্যকর এঘটনার বিচার চাইতে আইনের আশ্রয়েও যেতে পারছেন না বলে অভিযোগ করে পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে ভিকটিমের পরিবার।

কৃষি শুমারি উপলক্ষে শহরে বর্ণাঢ্য র‌্যালি

পত্রদূত রিপোর্ট: “কৃষি শুমারি সফল করি, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ি” স্লোগানে সাতক্ষীরায় কৃষি শুমারি-২০১৯ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে সাতক্ষীরা জেলা পরিসংখ্যান অফিসের আয়োজনে জেলা কালেক্টরেট চত্বর থেকে একটি র‌্যালি বের হয়ে। র‌্যালিটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়। র‌্যালিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. বদিউজ্জামান। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা পরিসংখ্যান অফিসের উপ-পরিচালক মো. আইয়ুব হোসেন প্রমুখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন জোনাল অফিসার মো. ইমরুল হোসেন, মো. আব্দুস সামাদ, শামসুল আলম, মোশারফ হোসেন, রিফা সানজিদা মুনিয়া, কাজী সিদরাতুল মুনতাহা, আমিনুর ইসলামসহ মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রম পরিচালনা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও গণনাকর্মীবৃন্দ। উল্লেখ্য, মাঠ পর্যায়ে কৃষি শুমারি কার্যক্রম আগামী ২০জুন পর্যন্ত চলবে।

দেবহাটায় হিন্দু নারীকে ধর্ষণের চেষ্টার ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার অপচেষ্টার অভিযোগ

দেবহাটা সংবাদদাতা: দেবহাটার সূবর্ণাবাদে দিন দুপুরে হিন্দু পরিবারের এক গৃহবধুকে ধর্ষণের চেষ্টা চালিয়ে ব্যার্থ হয়েছে প্রতিবেশী এক প্রভাবশালী পরিবারের ধনীর দুলাল। এঘটনা ধামা চাপা দিতে প্রভাবশীলীদের সহযোগীতায় বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করেছে ছেলের পরিবারের সদস্যরা। ভূক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানায়, গত ঈদ-উল ফিতরের পর দিন প্রতিবেশী শাহাবুদ্দিনের বাড়ির ভিতরের পুকুরে প্রতিদিনের ন্যায় ভূক্তভোগী গৃহবধু গোসলের জন্য যায়। এসময় শাহাবুদ্দিন ও তার স্ত্রী বাড়িতে না থাকায় লম্পট পুত্র ওমর ফারুক তুহিন ঐ ২ সন্তানের জননীকে পেছন থেকে গামছা দিয়ে মুখ ও চোখ বেধে ফেলে। এমনকি জোরপূর্বক তাকে মাটিতে ফেলে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। ঐ গৃহবধুর সাথে থাকা তার কন্যা শিশু ঘটনা দেখে ভয়ে আত্মচিৎকার করে। শিশুর মা তাকে মারছে ভেবে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে দেখতে পায় ওমর ফারুক তুহিন পুকুরপাড়ে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। পরে ঐ নারীর স্বামী আসলে ওমর ফারুক তুহিন তার সাথে ঝগড়াঝাঁটি শুরু করে। ধর্ষণের চেষ্টা কারীর পরিবার প্রভাবশালী ও তাদের আসে পাশে আর কোন হিন্দু পরিবার না থাকায় সব কিছু মাথা পেতে মেনে নিয়ে বাড়িতে চলে আসে। এরপর প্রভাবশালীদের চাপের মুখে পড়ে লোকলজ্জা ভয়ে আইনের আশ্রয়ে আসতে পারেনি তারা। বর্তমানে তারা আতঙ্কে সময় পার করছে। তবে ঐ নারীর শ^শুর দেশে ফেরার পর আইনের সহযোগীতা চাইবেন বলেও জানিয়েছে। এদিকে ঘটনা ধামাচাপা দিতে অভিযুক্ত তুহিনকে ঐদিনই বাড়ি থেকে কৌশলে এক আত্মীয়র বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়েছে পরিবার। পাশাপাশি প্রভাবশালীদের সহযোগীতায় বিভিন্ন স্থানে দৌড়ঝাঁপ করছে তার পরিবার। ওমর ফারুক তুহিনের পিতা শাহাবুদ্দিন আলী জানান, ঘটনার দিন আমরা বাড়িতে ছিলাাম না। বাড়িতে এসে লোক মুখে শুনেছি। সম্মানের ভয়ে তুহিনকে তার মামার বাড়িতে পাঠাানো হয়েছে বলে বিভিন্ন ব্যক্তিদের কাছে ফোন করে সংবাদকর্মীরা যাতে সংবাদ পরিবেশন করতে না পারে সে ব্যপরে উদ্দ্যত হয়। এদিকে এধরনের ঘটনার বিচাররের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

পাইকগাছা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কাঙ্খিত সেবা পাচ্ছেন না রোগীরা; অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ

প্রকাশ ঘোষ বিধান, পাইগাছা (খুলনা): পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কাঙ্খিত চিকিৎসা সেবা পাচ্ছেন না বলে রোগীরা অভিযোগ করেছেন। ডাক্তার ও নার্সদের অনীহার কারণে একদিকে যেমন সেবা পাচ্ছেন না, অপরদিকে, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশের কারণে রোগী সুস্থ না হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ছে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বেশির ভাগ রোগীরা এমন অভিযোগ করলেও কর্তৃপক্ষ দাবী করেছে, পূর্বের চেয়ে সেবার মান এখন অনেক ভাল। তবে একটি সংস্থার প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় পরিচ্ছন্ন কর্মীর সংকট রয়েছে। ফলে, পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা নিয়ে হিমসিম খেতে হচ্ছে।
গত ২৩ মে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় স্কুল ছাত্র মোস্তফা শাহারিয়ার শুভ (১৩) এর মৃত্যুতে চিকিৎসকের বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় হাসপাতাল অভ্যান্তরে মৃতের পরিবারের লোকজন ও স্বজনরা কর্তব্যরত চিকিৎসকের বিরুদ্ধে উত্তেজিত হয়ে উঠলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পুলিশ মোতায়ন করা হয়। তার পরিবারের অভিযোগ হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ সুজন কুমার সরকারের দায়িত্ব অবহেলার কারণে তার করুন মৃত্যু হয়েছে। এমন অভিযোগ ছড়িয়ে পড়লে মৃতের পরিবার, স্বজন ও হাসপাতালে উপস্থিত লোকজনের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে থানা পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, উপজেলা সদরের অবস্থিত ৫০ শয্যা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। হাসপাতালটি উপজেলার ৩ লাখ জনগোষ্ঠির স্বাস্থ্য সেবা পাওয়ার একমাত্র প্রতিষ্ঠান। এক সময় হাসপাতালের সেবার মান যথেষ্ঠ ভাল ছিল। হাসপাতালের সুনাম দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রশংসিত হয়েছে। জনবল সংকট সহ নানা কারণে গত কয়েক বছর হাসপাতালের সেবার মান নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে। সম্প্রতি, ডাক্তার ও নার্সসহ বিভিন্ন বিভাগে জনবল বৃদ্ধি হলেও সেবার মান বাড়েনি বলে সাধারণ মানুষের অভিযোগ। ৫০ শয্যার হাসপাতালে বর্তমানে ২১ জন ডাক্তারের স্থলে রয়েছে ১০ জন ডাক্তার। ২০জন নার্সের সবকটি পদে নার্স বহাল রয়েছে। ৪জন মিডওয়াইফ নার্সের বিপরীতে ৪জন রয়েছে। ২টি ফার্মাসিস্ট, ৩টি এমপি ল্যাব, ১টি রেডিও গ্রাফার, ৩টি ওয়ার্ডবয় ও ২টি আয়া পদ দীর্ঘদিন শূন্য রয়েছে। এমএলএসএস ৪টি পদের বিপরীতে শূন্য রয়েছে ২টি পদ। ২জন প্রহরীর বিপরীতে রয়েছে ১জন ও ৫জন সুইপারের বিপরীতে ১জন সুইপার কর্মরত রয়েছে। বর্তমানে নার্স ও ডাক্তার বৃদ্ধি পেলেও সেবার মান বাড়েনি বলে অভিযোগ উঠেছে।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগী আব্দুল করিম বলেন, হাসপাতালে এখন সেবা নেই বললেই চলে। ২৪ ঘণ্টায় ডাক্তার একবার রাউন্ডে আসলেও দায়সারা দেখে চলে যান। নার্সদের তো প্রয়োজনের সময় ডেকেই পাওয়া যায় না।
শরীফা বেগম জানান, হাসপাতাল এত বেশি অপরিচ্ছন্ন থাকে রোগীরা সুস্থ হওয়ার পরিবর্তে অসুস্থ হয়ে পড়ছে। ময়লা আবর্জনার পাশাপাশি রয়েছে বিড়ালের উপদ্রপ। মাসুম বিল্লাহ জানান, বাথরুমে সব সময় নোংরা পরিবেশ থাকে। ফলে সব সময় দুর্গন্ধ ছড়ায়। জানালা, দরজা ভাল না থাকায় শীতের সময় শীতল হাওয়া হাসপাতালের মধ্যেই চলে আসে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বেশির ভাগ রোগীরা সেবার মান নিয়ে এ ধরণের অভিযোগ করেন। যদিও রোগীদের এমন অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
আবাসিক মেডিকেল অফিসার ও গাইনী বিশেষজ্ঞ ডাঃ সুজন কুমার সরকার জানান, অতীতের যেকোন সময়ের চেয়ে সেবার মান এখন অনেক বেড়েছে। বিশেষ করে, এক সময় হাসপাতালে তেমন কোন ডেলিভারী হতো না। এ্যানেস্থেশিয়া ডাক্তার আসার পর প্রতি মাসে ৫০-৬০ জন গর্ভবতী মহিলার ডেলিভারী হচ্ছে। প্রতিদিন আমরা ৭/৮জন ডাক্তার নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছি। অনেক সময় আমরা ২৪ ঘণ্টায় দায়িত্ব পালন করি। ডেলিভারীর এই পরিসংখ্যান দেখলে বোঝা যায়, হাসপাতালে এখন সেবার মান অনেক ভাল। সেবার মান বৃদ্ধি করার লক্ষে সর্বাত্মক চেষ্টা করা হচ্ছে বলে উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা ডাঃ এএসএম মারুফ হাসান জানিয়েছেন।

হায়রে পৌরসভা! কলারোয়ায় রাস্তাজুড়ে ময়লা-আবর্জনার স্তুপ

আরিফ মাহমুদ: হায়রে পৌরসভা!! বারবার জানানো হলেও, একাাধিকবার পত্রপত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশিত হলেও টনক নড়ছে না পৌর কর্তৃপক্ষের। রাস্তাজুড়ে ময়লা-আবর্জনার স্তুপে রীতিমত বিভিষীকা অবস্থায় ভূক্তভোগিরা।
পৌরসদরের জনগুরুত্বপূর্ণ স্থানে সড়কের অর্ধেকজুড়ে ময়লা-আবর্জনার স্তুপের ভাগাড়ে তিক্তবিরক্ত পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দারা। তবুও দেখার কেউ নেই। পঁচা-বাসী দূগন্ধে অসহায়েত্বের মধ্যে পড়েছেন এলাকাবাসী।
পৌরসভার প্রাণকেন্দ্র ২নং ওয়ার্ডের পুরাতন খাদ্য গুদামের পাচিল ঘেষে সামনের রাস্তার অবস্থা এটি। পাশেই কৃষি অফিসের আওতাধীন কৃষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও পুরাতন বীজ-বিষ ভবন। পৌরসভাধীন একমাত্র গরু-ছাগল জবাই করার স্থান পিলখানাও স্থানটির পাশেই। আশপাশে বসবাস করেন শতশত পরিবার। আর রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন যাতায়াত করেন হাজারো পথচারী। মাছবাজার, তরকারী-মুদি বাজারসহ বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে সমস্ত পণ্য ট্রাকে লোড-আনলোড করা হয় এই স্থান থেকেই। অথচ এখানে ময়লা-আবর্জনা ফেলে পরিবেশ দূষণের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকছেন দায়িত্বশীলরাই।
সরেজমিনে দেখা গেছে- পুরাতন খাদ্য গুদামের পাচিল ঘেষে ছোট্ট একটি পাকা ডাস্টবিন আছে। কিন্তু ময়লা-আবর্জনা এতটাই বেশি যে ডাস্টবিন ছাড়িয়ে পাচিলের পাশে ও সামনের রাস্তার প্রায় অর্ধেকজুড়ে এগুলো ফেলা হচ্ছে। প্রতিদিন এখানে দোকানদার বা ব্যবসায়ীরা ময়লা ফেললেও সেই ময়লা অপসারণ কিংবা অন্যত্র সরিয়ে নেয়ার দায়িত্বে থাকা পৌরসভা কর্তৃপক্ষ প্রতিদিন ময়লা অপসারণ না করে দৃশ্যত থাকেন উদাসিন। তাদের পরিচ্ছন্ন কর্মীরা প্রতিদিন তো দূরের কথা সপ্তাহে ২/১দিন, আবার কোন সময় ১ কিংবা দেড় অথবা ২সপ্তাহ পর ময়লা অপসারণ করে থাকে। ফলে ময়লা-আবর্জনা যেমন স্তুপ থেকে ভাগাড়ে পরিণত হয় তেমনি অসহনীয় দূর্গন্ধে স্থানীয় বাসিন্দারা ও পথচারীরা পড়েন দূর্ভোগে।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন নিয়ম না থাকলেও বাসস্ট্যান্ড, তরকারি বাজারসহ আশপাশের দোকান এলাকার ময়লা-আবর্জনা ফেলা হয় এখানে। যেন সেটা নিয়মে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিনের ময়লা প্রতিদিন অপসারণ না করা, ময়লা-আবর্জনা ফেলার জন্য পরিবেশবান্ধব বড় স্থান কিংবা বড় ভ্রাম্যমান ডাস্টবিন না রাখা, পৌরসভার উদাসিনতা, পরিচ্ছন্নকর্মীদের গাফিলতি, দোকানদার-ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষের সচেতনতার অভাব আর সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধির জনমুখি না হওয়ায় চরম দূর্ভোগ, ভোগান্তি আর বিপাকে পড়েছেন ভূক্তভোগিসহ স্থানীয়রা।
ক্ষোভের সাথে তারা বলেন পৌরসভা সংশ্লিষ্ট অনেক সমস্যা এখানে বিদ্যমান। জনগুরুত্বপূর্ণ ওই এলাকার কয়েকটি সড়ক বাতি জ্বলে না দীর্ঘ কয়েক মাস যাবত। ফলে নেশাখোরদের পদচারণায় আইন-শৃংখলা সংশ্লিষ্ট পরিবেশও উদ্বেগজনক হড়ে পড়েছে। ওখানকার রাস্তার অবস্থাও খারাপ। সবমিলিয়ে সুখকর অবস্থায় নেই সেখানকার বাসিন্দারা। সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নিতে দেখা যায় না।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন- পৌরসভার পরিচ্ছন্নকর্মীরা ঈদুল ফিতরের বেশ কয়েকদিন আগে ময়লা পরিষ্কার করেছিলো। এরই মধ্যে ময়লা আর আবর্জনার রসে সেখানে কাদা পর্যন্ত হয়ে গেছে। অসহনীয় দূর্গন্ধে বমি চলে আসে। বিষয়টি পৌরসভাকে জানানোর পর ১১জুন মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পৌরসভার পরিচ্ছন্ন কর্মীসহ ময়লাবাহী গাড়ি এসে একগাড়ি ময়লা সরিয়ে নিলেও এখনো অন্তত ২/৩গাাড়ির মতো ময়লা-আবর্জনা পড়ে আছে। দিনভর পরিচ্ছন্নকর্মীরা আর আসেনি।
তারা বলছেন যদি প্রতিদিনের ময়লা প্রতিদিন পরিষ্কার করা হতো তাহলে এই অসহায়েত্বর মধ্যে পড়তে হতো না এলাকার বাসিন্দা ও পথচারীদের। পরিচ্ছন্নকর্মীরা জানান ‘ময়লা ফেলার জায়গা নেই আর লোক কম আছে।’
বিষয়টি নিয়ে এই ওয়ার্ডের-ই কাউন্সিলর ও বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত মেয়র প্রধান শিক্ষক মনিরুজ্জামান বুলবুল জানান ‘কালকেই (বুধবার) ময়লা পরিষ্কার করা হবে। এলাকাটির সমস্যা সমাধানে ও বাসিন্দাদের সুবিধার্তে সবকিছু করা হবে।’ তিনি আরো জানান ‘ময়লা অন্যত্র ফেলবার জায়গা সংকটে আমরা বিব্রত। জায়গা পেলে পৌরসভা কর্তৃপক্ষ সেটা কিনতেও প্রস্তুত।’

কলারোয়ায় প্রয়াত আইনজীবী কিনু লাল গাইনের শ্রাদ্ধক্রিয়া সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা জজ কোর্টের আইনজীবী এড.কিনু লাল গাইনের শ্রাদ্ধক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার (১১ জুন) স্বর্গীয় কিনু লাল গাইনের গ্রামের বাড়ি কলারোয়ার কেঁড়াগাছি ইউনিয়নের বোয়ালিয়ায় এই অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।
সাতক্ষীরা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক ও আইনজীবী এবং স্থানীয় সাধারণ মানুষের পাশাপাশি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কলারোয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম লাল্টু, ভাইস চেয়ারম্যান শাহনাজ নাজনীন খুকু, কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মুনীর-উল-গীয়াস, উপজেলা আ.লীগের সভাপতি ফিরোজ আহমেদ স্বপন, সাবেক আহ্বায়ক সাজেদুর রহমান খান চৌধুরী মজনু, সাংগঠনিক সম্পাদক সম মোরশেদ আলী, কেরেলকাতা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল হামিদ, কেঁড়াগাছি ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান ও কলারোয়া হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজের প্রধান উপদেষ্টা ডা.আনিছুর রহমান, কলারোয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যাপক এমএ কালাম, কলারোয়া নিউজের শফিকুর রহমান প্রমুখ। উল্লেখ্য, এড.কিনু লাল গাইন গত ১২ মে তারিখে খুলনার শেখ আবু নাসের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন।

কলারোয়ার কেঁড়াগাছিতে ফুটবল টুর্নামেন্টে চন্দনপুরকে হারিয়ে সোনামাটি যুব সংঘ চ্যাম্পিয়ন

নিজস্ব প্রতিনিধি: কলারোয়ার কেঁড়াগাছিতে লুৎফার রহমান স্মৃতি ৪দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালে স্বাগতিক সোনামাটি যুব সংঘ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। তারা ২-১ গোলে চন্দনপুর ফুটবল একাদশকে পরাজিত করে। মঙ্গলবার বিকালে কেঁড়াগাছি হাইস্কুল ফুটবল মাঠে অনুষ্ঠিত ম্যাচে প্রথমার্ধের ৬মিনিটের মাথায় চন্দনপুরের সাব্বির ১টি গোল করে দলকে এগিয়ে নেন। খেলার ১১মিনিটে স্বাগতিক কেঁড়াগাছির সোনামাটি যুব সংঘের শাহারুল গোল করে সমতা ফেরান। ৩০মিনিটের মাথায় কেঁড়াগাছির শরিফুল ১টি গোল করে দলকে ২-১ গোলে এগিয়ে নেন। খেলাটি পরিচালনা করেন শহিদুল ইসলাম, ইমরান হোসেন রনি ও রিপন। ধারাভাষ্য প্রদান করেন তৌহিদুজ্জামান ও খালিদ হাসান। পরে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দলকে মোবাইল ফোন পুরস্কার প্রদান করা হয়।
বিপুল দর্শকের পাশাপাশি খেলাটি উপভোগ করেন বাঁশদহ যুবলীগের সভাপতি আব্দুল খালেক, তাঁতী লীগের সভাপতি কবিরুল ইসলাম, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মীর শওকাত হোসেন, মেম্বার মহিদুল ইসলাম, সাংবাদিক অহিদুজ্জামান খোকা, বিশিষ্ট সমাজসেবক ইমান আলী, নিরাপদ বসু, আব্দুল হামিদ, আক্তারুজ্জামান, ইমরুজ হোসেন প্রমুখ। কেঁড়াগাছি সোনামাটি যুব সংঘ টুর্নামেন্টটির আয়োজন করে।

নকল নবিস এসোসিয়েশনের জেলা কমিটি গঠন সভাপতি মহিবুল্লাহ: সম্পাদক নাজমুজ্জামান সুমন

বাংলাদেশ এক্সট্রা মোহরার (নকল নবিস) এসোসিয়েশন সাতক্ষীরা জেলার নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। মঙ্গলবার কমিটি গঠন উপলক্ষে সাতক্ষীরা জেলা রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে এক আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন, সংগঠনের সাবেক সহ-সভাপতি ইছাকুল কবির। সভায় সর্ব সম্মতিক্রমে সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু কে প্রধান উপদেষ্টা এবং শেখ আব্দুল জব্বার ও মহিউদ্দীন আহম্মেদকে উপদেষ্টা করে ১৭ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়।
কমিটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ হলেন, সভাপতি মহিবুল্লাহ, সহ-সভাপতি পঙ্কজ হালদার, ইছাকুল কবির, রাজিব কুমার ঘোষ, সাধারণ সম্পাদক শেখ নাজমুজ্জামান (সুমন), যুগ্ম সম্পাদক- জিয়ারুল ইসলাম, সহ-সাধারণ সম্পাদক রাম প্রসাদ রায়, মহিলা সম্পাদিকা জেসমিন নাহার, সহ-মহিলা সম্পাদিকা উল্লাসিনী, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ লাভলু হোসেন, কোষাধ্যক্ষ আব্দুর রউফ, প্রচার সম্পাদক আমির হামজা, দপ্তর সম্পাদক সাইফুল্লাহ, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মাহাবুবর রহমান, কার্যকরি সদস্য হাফিজুর রহমান, গোলজার হোসেন, তাপস রানা, সুজয় কুমার মল্লিক, মাহমুদা মল্লিক, সুরাইয়া গুলমান, রাবেয়া খাতুন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

তালায় বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ধর্ষণ মামলার নতুন করে ডিএনএ টেস্ট করার দাবী সংবাদ সম্মেলনে

তালা প্রতিনিধি: তালার জেঠুয়া গ্রামে হতদরিদ্র ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী এক মেয়েকে হুমকির মুখে বারবার ধর্ষণ করা হয়। এরফলে মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা হয় এবং ঘটনা ধামাচাঁপা দিতে ধর্ষক মেয়েটির গর্ভপাত করে ভ্রুন হত্যা করে। এঘটনায় তালা থানায় দায়ের হওয়া মামলার আসামী ধর্ষক আতিয়ার রহমান ও তার সহযোগীরা অসহায় বাদীকে মামলা তুলে নিতে একের পর এক হুমকি দিচ্ছে। এছাড়া মামলা থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য আসামীরা পুলিশের সাথে যোগসাজস করে ঘটনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আলামত ভ্রুন পরিবর্তন করে অন্য ভ্রুন এর ডিএনএ পরীক্ষা করিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মামলার বাদী মঙ্গলবার বিকালে তালা রিপোর্টার্স ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন’র মাধ্যমে এই অভিযোগ করেন।
জেঠুয়া গ্রামের ফকির পাড়ার বাসিন্দা বলেন, তিনি একজন হতদরিদ্র ও বিধবা মহিলা। সংসার চালানোর জন্য তিনি বৃদ্ধ বয়সে অসুস্থ শরীর নিয়ে অন্যের জমিতে কাজ করেন। এছাড়া তার বুদ্ধি প্রতিবন্ধী মেয়ে (তৎকালিন বয়স ১৬ বছর) মাঠ বা বাগান থেকে কচু শাক পাতা তুলে বাজারে বিক্রি করে। এমতাবস্থায় একই এলাকার মৃত করিম ফকিরের লম্পট ছেলে আতিয়ার রহমান ফকির সুযোগ বুঝে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী এই মেয়েকে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের পর হুমকি দিয়ে একাধিক বার প্রতিবন্ধী মেয়েটিকে ধর্ষণ করা হয়। একপর্যায়ে মেয়েটির শারীরিক পরিবর্তনের ফলে প্রায় ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হবার বিষয়টি ডাক্তারী পরীক্ষার মাধ্যমে প্রকাশ ঘটে। এসময় ধর্ষণের ঘটনাটি ধামাচাঁপা দিতে আতিয়ার রহমান কৌশলে ধর্ষিতা মেয়েটিকে একই এলাকার আদু ফকিরের স্ত্রী হালিমা বেগম এবং রশিদ হাওলাদারের স্ত্রী পারুল বেগম’র মাধ্যমে গর্ভপাত করানোর ওষুধ সেবন করিয়ে দেয়। এরফলে গত ১১/১০/১৮ ইং তারিখ ভোর ৫টার দিকে প্রতিবন্ধী মেয়েটির গর্ভপাত ঘটে এবং প্রায় ৬ মাস বয়সী একটি মৃত কন্যা শিশুর জন্ম হয়। এঘটনা চারিদিকে জানাজানি হলে তালা থানার এস.আই মো. মিজানুর রহমান ঘটনাস্থল থেকে মৃত কন্যা শিশুর ভ্রুনসহ ভিকটিমকে উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করান। এঘটনায় ধর্ষিতা মেয়ের মা বাদী হয়ে আতিয়ার ফকির সহ তার সহযোগী হালিমা বেগম ও পারুল বেগমকে আসামী করে তালা থানায় একটি মামলা (নং: ৩, তাং : ১৩/১০/১৮) দায়ের করেন।
প্রতিবন্ধী মেয়েটির অসহায় মা অভিযোগ করে বলেন, মামলা দায়ের হবার পর ধর্ষক আতিয়ার রহমান গ্রেফতার হন। এছাড়া মামলার তদন্ত চলাকালে ডিএনএ পরীক্ষা করানোর জন্য ভ্রুনসহ তার মাকে (ধর্ষিত মেয়ে) ঢাকার মালিবাগে সিআইডির ফরেনসিক ল্যাবরেটরিতে নেয়া হয়। কিন্তু সিআইডির ল্যাবে যে ভ্রুন’র ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়েছিল তা মামলার আলামত’র ভ্রুন নয়। ধর্ণাঢ্য আতিয়ার ফকির’র পরিবার পুলিশ’র সাথে যোগসাজস করে অন্য একটি ভ্রুন নিয়ে তার ডিএনএ পরীক্ষা করায়। যারফলে সিআইডির ল্যাবরেটরি থেকে “ভ্রুনটির জৈবিক পিতা আতিয়ার রহমান নয়” বলে রিপোর্ট আসে।
সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে মামলা তুলে নিতে একের পর এক হুমকি প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ এবং পুলিশের সহযোগীতায় অন্য ভ্রুন’র ডিএনএ পরীক্ষা করে ঘটনা আড়াল করার চেষ্টা করায় নতুন করে তদন্তকারী পুলিশ অফিসার নিয়োগ দিয়ে তাঁর মাধ্যমে প্রকৃত ভ্রুন’র ডিএনএ পরীক্ষা করানোর জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সু-দৃষ্টি কামনা করা হয়।

ভোমরা ও ঘোজাডাঙ্গা বন্দর আকষ্মিক পরিদর্শনে ভারতীয় হাইকমিশনার সমস্যা সমাধানে কাজ করবো: রিভা গাঙ্গুলি

 

পত্রদূত রিপোর্ট: ভোমরা ও ভারতের ঘোজাডাঙ্গা বন্দর আকষ্মিক পরিদর্শন করে গেলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার রিভা গাঙ্গুলি দাশ। এ সময় তার সাথে ছিলেন ডেপুটি হাই কমিশনার সুরেশ রায়না। ভোমরা বন্দর ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা জুয়েল হাসান জানান, সোমবার সকাল সাড়ে নয়টায় ভারতীয় হাইকমিশনার ভোমরা বন্দরে আসেন। কয়েক মিনিট পর তিনি ওপারে ঘোজাডাঙ্গা বন্দরও পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনকালে তিনি কর্মকর্তা যাত্রী সাধারণ ও ব্যবসায়ীদের কাছে সমস্যার কথা জানতে চান। এ সময় তাকে জানানো হয়, বাংলাদেশের রোগীরা চিকিৎসার জন্য ভারতে যান। কিন্তু ফিরবার সময় তাদের কাছে ওষুধপত্র ও ব্যবহৃত লাগেজ বিএসএফ আনতে বাধা দেয়। এমনকি তাদের পায়ে হেঁটে আসার অক্ষমতার বিষয়টি বিবেচনা করে কোনো সাধারণ যানবাহনও তাকে ব্যবহার করতে দেওয়া হয়না। অভিযোগ করে তারা আরও বলেন, বিএসএফ ভারতীয় এবং বাংলাদেশি শ্রমিকদের আসা যাওয়ার পথেও নানা প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করে। প্রকৃতপক্ষে আমদানি রপ্তানি বানিজ্যের স্বার্থে এসব শ্রমিকদের প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন কর্মকর্তারা। ভারতীয় এলাকা থেকে আসা পণ্যবাহী  ট্রাক শ্রমিকরা ভোমরা ট্রাক টার্মিনালে প্রবেশ করলেই শৌচাগার ব্যবহার বাবদ তাদের টাকা গুনতে হয়। প্রতিদিন তাদের কাছ থেকে গড় পড়তা পাঁচ শ’ গাড়ি থেকে ২০ টাকা হিসাবে দশ হাজার টাকা আদায় করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়।

ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা জুয়েল হাসান আরও জানান, ভারতের দেওয়া বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের ভিসায় নির্দিষ্ট রুট উল্লেখ করা হয়। অথচ বাংলাদেশের দেওয়া ভারতীয় পাসপোর্টধারীদের ভিসায় কোনো রুট উল্লেখ থাকে না। এই বৈষম্য দুর না হওয়ায় যাত্রী সাধারণ নানা সমস্যায় পড়েন বলে উল্লেখ করা হয়।  এছাড়া ভারত ভ্রমণে যাত্রী সাধারণের কিছু ব্যবহার্য মালামাল এবং আত্মীয স্বজনদের দেওয়া উপহার সামগ্রী বহনে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ বিশেষ করে বিএসএফ বাধা দেয়। এতে বাংলাদেশি রোগী এবং দুই দেশের ভিজিটররা বিব্রতকর অবস্থায় পড়ে যান।

ভারতীয় হাই কমিশনার ভারতের ঘোজাডাঙ্গা বন্দরে ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা প্রশান্ত ঘোষ ও পাসপোর্ট যাত্রীদের সাথে তাদের সমস্যা নিয়ে কথা বলেন। তিনি দুই বন্দরের সমস্যা চিহ্ণিত করে তা সমাধানের জন্য কাজ করবেন বলে উল্লেখ করেন।

দেবহাটা সদর ইউনিয়নের যুবলীগ অফিসের সাইনবোর্ড তুলে দিলেন সেই হোসেন

নিজিস্ব প্রতিনিধি: দেবহাটার সদর ইউনিয়ন যুবলীগের অফিস কক্ষের সাইনবোর্ড খুলে ফেলার পর হজম করতে না পেরে পুনরায় সাইনবোর্ড তুলে দিলেন সীমান্তের চোরঘাট পরিচালনাকারী সদস্য আব্দুল হক বিশ^াসের ছেলে হোসেন বিশ^াস। জানা গেছে, কাউকে না জানিয়ে ব্যক্তিস্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্য দলীয় কার্যালয়ের সামনের সাইনবোর্ড খুলে ফেলে দিয়েছে সে। পরে বিষয়টি হজম করতে না পেরে যথাস্থানে আবারো সাইনবোর্ড তুলে দিতে বাধ্য হয়েছে হোসেন বিশ^াস।
স্থানীয় সূত্রে জানায়, ইতোপূর্বে ভারত থেকে অবৈধ পথে মালামাল আনা নেওয়া করত হোসেন বিশ^াস। বর্তমানে নদীপথে ভারতীয় গরু অনা নেওয়া করেন বলেও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। সাম্প্রতিক নিজেকে বাঁচাতে চোরাচালান কর্মকান্ড করবে না বলে যুবলীগের ছত্রছায়ায় আসে হোসেন বিশ^াস। এরপর ভাতশালা বাজারে একটি দোকান ভাড়া নিয়ে সেখানে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের অফিস উদ্বোধন করে। কিছুদিন যেতে না যেতে হোসেন নিজের ভোল পাল্টিয়ে যুবলীগের সাইনবোর্ড খুলে ফেলে দেয়। এতে ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দদের মাঝে। এরপর ঘটনার ২৪ঘন্টা পর হতে না হতেই আবারো যথাস্থানে সাইনবোর্ড তুলে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
বিষয়টি নিয়ে সদর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি শাহিন সিরাজ বলেন, সদর ইউনিয়ন যুবলীগের কার্যালয়ের সাইনবোর্ড খুলে ফেলে দিয়েছে হোসেন বিশ^াস। কোন কারন ছাড়া কাউকে কিছু না জানিয়ে ব্যক্তি স্বার্থে দলীয় সাইনবোর্ড খুলে ফেলে দিয়েছে সে। আমরা উপজেলা নেতৃত্ববৃন্দকে জানানোর পর পুনরায় আবার সাইনবোর্ড তুলে দিয়েছে হোসেন বিশ^াস।

কলারোয়ার কয়লায় প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি: কলারোয়ার কয়লায় এক প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বিকেলে কয়লা হাইস্কুল মাঠে স্থানীয় কয়লা প্রগতী সংঘ ও খোরদো কপোতাক্ষ ফুটবল একাদশ পরষ্পর মুখোমুখি হয়। খেলার প্রথমাধ্যে আক্রমন পাল্টা আক্রমনের মধ্যে দলই গোল করতে পারেনি। বিরতির পর ১২মিনিটের মাথায় কয়লা প্রগতী সংঘের ১০নম্বর জার্সিধারী ঢাকার বিকেএসপির খেলোয়াড় হাসিবুল গোল করে দলকে এগিয়ে নেন। নির্ধারিত সময়ে আর কোন গোল না হওয়ায় খোরদোকে পরাজিত করে কয়লা। ঈদুল ফিতর উপলক্ষে এ প্রীতি ম্যাচের আয়োজন করা হয়। খেলায় রেফারির দায়িত্ব পালন করেন সাইফুল ইসলাম। সহকারি রেফারির দায়িত্ব পালন করেন আলফাজ ও রহমান। ধারাভাষ্যে ছিলেন প্রভাষক আব্দুর রাজ্জাক।
বিপুল সংখ্যাক দর্শেকের পাশাপাশি খেলাটি উপভোগ করেন কয়লা হাইস্কুলের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রউফ, কয়লা প্রগতী সংঘের সাধারণ সম্পাদক মাস্টার আসাদুল ইসলাম আসাদ, কলারোয়া নিউজের রিপোর্টার হাবিবুর রহমান রনি, ক্রীড়া সংগঠক মশিয়ার রহমান, আলফাজ হোসেন, ডা. নাজমুল ইসলাম, আশরাফুল ইসলাম প্রমুখ।