একজন সাংবাদিক শহিদ স. ম. আলাউদ্দীনের উন্নয়ন ভাবনা


প্রকাশিত : জুন ১৮, ২০১৯ ||

এসএম শহীদুল ইসলাম
‘দেশের সীমানা নদীর ঠিকানা যেথা গিয়েছে হারিয়ে, সেথা সাতক্ষীরা রূপমায়া ঘেরা বনানীর কোলে দাঁড়িয়ে। সাগর বনানী মধুপ কুজনে সাতক্ষীরা মোহময়, পথিক সুজনে ডাকে নিরজনে প্রাণের বারতা কয়।’ রূপসী সাতক্ষীরা অর্থনীতির বিকাশে দক্ষিণের খোলা জানালা সাতক্ষীরা। আধুনিক সাতক্ষীরার স্বপ্নদ্রষ্টা, ভোমরা স্থল বন্দরের প্রতিষ্ঠাতা, চেম্বার অব কমার্সের প্রতিষ্ঠাতা সহ-সভাপতি, সাবেক এমএলএ বীর মুক্তিযোদ্ধা, বিশিষ্ট সাংবাদিক ও শিক্ষাবিদ দৈনিক পত্রদূতের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক শহীদ স. ম. আলাউদ্দীন।
সাংবাদিক স. ম. আলাউদ্দীন আজ আর আমাদের মাঝে নেই। আমাদের ছেড়ে তিনি চলে গেছেন না ফেরার জগতে। ১৯৯৬ সালের ১৯জুন রাত ১০টা ২৩ মিনিটে ঘাতকের গুলিতে নিজ পত্রিকা অফিসে কর্মরত অবস্থায় তিনি নিহত হন। সাতক্ষীরাকে নিয়ে কী স্বপ্ন ছিলো তাঁর। কেমন সাতক্ষীরা দেখতে চেয়েছিলেন শহীদ স. ম. আলাউদ্দীন? তাঁর লেখা ও প্রস্তাবনায় ফুটে ওঠে স্বপ্নের সাতক্ষীরার সেই ছবি। শহীদ স. ম. আলাউদ্দীনে চিস্তা-চেতনা ও মননশীলতা ছিলো সৃষ্টিশীল। সাতক্ষীরাকে ঢেলে সাজাতে গিয়ে তিনি চিন্তুা করেছেন কাজ করেছেন। স্বপ্ন দেখেছেন। তাঁর কর্মময় জীবনের উপর তথ্য অনুসন্ধান করতে গিয়ে বেরিয়ে এসেছে কিছু জানা-অজানা তথ্য।
আলাউদ্দীনের কৃষি ভাবনা: দেশের বিস্তীর্ণ দক্ষিণাঞ্চলে শুধুমাত্র আমন মৌসুমে ‘রোপা আমন’ উৎপন্ন হয়। রোপা আমন মৌসুম বছরের ৪ মাস। বাকী আট মাস পড়ে থাকে এসব জমি। ১০লক্ষ একর জমি থেকেই আমাদের দেশের মোট খাদ্য ঘাটতির সমান প্রায় ৩০ লক্ষ মেট্রিকটন খাদ্য এ আট মাসেই উৎপন্ন করা যায়। শহীদ স. ম. আলাউদ্দীন সে তত্ত্ব তুলে ধরেছেন তার লেখায়। তিনি বলেছেন, শুধুখাদ্য ঘাটতি নয়, এসময় কৃষকরা থাকে বেকার। নির্বিকার বেকার জীবন থেকে মুক্তিপাবে ৩ লাখ ৩৩হাজার ৩৩৩জন শ্রমিক। চোখে আঙ্গুল দিয়ে শহীদ স. ম. আলাউদ্দীন দেখিয়ে দিয়েছেন ৮ মাসে ২৪০ দিন। এসময় ৩ লাখ ৩৩ হাজার শ্রমিকের ৮ কোটি শ্রম দিবসে কর্মসংস্থানের সেই নতুন তত্ত্ব। কৃষি ও কৃষকের ভাগ্য উন্নয়নের কৃষিকে তিনি শিল্প হিসেবে গণ্য করেছেন। সেই শিল্পে গুচ্ছ সেচ কোম্পানীর মাধ্যমে কৃষকদের লাভের পরিমান দেখিয়েছেন। বাংলাদেশে পল¬ী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি) এর মাধ্যমে কৃষকদের সংগঠিত করে গুচ্ছ সেচ কোম্পানী গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন। এতে করে প্রতি ৩০০ একর জমি নিয়ে গঠিত হবে একটি গুচ্ছ। প্রতিটি গুচ্ছ সেচ কোম্পানির থাকবে ৩টি গভীর নলকূপ, ২টি বহুমূখী ট্রাক্টর, সেচনালা ও বিবিধ খরচ। জমির মালিক ও কোম্পানি পাবে লাভের সম অংশ। কৃষকরাই হবে কোম্পানির মালিক। জমির মালিক গুচ্ছ সেচ কোম্পানির মালিক হতে না চাইলে তিনি উৎপাদিত ফসলের একটি অংশ পাবেন। কিন্তু সেচ বাবদ কোম্পানি পাবেন একটি অংশ। যা সমহারে বন্টিত হবে। এতে করে কৃষকরা উৎপাদনের সৈনিক হিসেবে কাজ করতে পারবে। ফসলের ক্ষেতে সমস্যার সমাধান করতে পারবে এবং মধ্যসত্ত্ব ভোগীদের থাবা থেকে নিজেদের রক্ষা করে সরাসরি লাভবান হতে পারবে।
সাতক্ষীরার সমন্বিত উন্নয়নের লক্ষে আলাউদ্দীনের প্রস্তাব: চিংড়ি চাষকে লাভজনক করার জন্য এবং তুলনামূলক কম জমিতে বেশি উৎপাদন করার জন্য শহীদ স. ম. আলাউদ্দীন সুন্দরবনে গভীরে কিম্বা প্রয়োজনে বঙ্গোপসাগরের উপযুক্ত স্থানে বাগদা চিংড়ি হ্যাচারি ও বিভিন্ন স্থানে গলদা চিংড়ি হ্যাচারি স্থাপনের প্রস্তাব দিয়েছেন। বছরের বিশেষ সময়ে যে সব এলাকায় পানির লবণাক্ততা কম থাকে সেখানে পানির লবণাক্ততা বিবেচনায় নিয়ে বাগদা ও গলদা চাষ করতে হবে। সাদা মাছের জন্য গবেষণা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করতে হবে। পরিকল্পিতভাবে চিংড়ি চাষ করতে হবে। অপরিকল্পিতভাবে যেখানে সেখানে বেড়িবাঁধ দিয়ে চিংড়ি চাষ করা যাবে না। তাতে আমাদের পরিবেশ মারাত্মক হুমকির মুখে পতিত হবে। পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ হয়ে যাবে। সৃষ্টি হবে জলাবদ্ধতা। ক্ষতি হবে পরিবেশ ও প্রতিবেশের।
উদ্বাস্তু শ্রমিকদের নিয়ে আলাউদ্দীনের ভাবনা: ব্যাপক হারে মাছ চাষের ফলে উদ্বাস্তু কৃষি শ্রমিকরা জড়িয়ে পড়ছে চোরা চালানী ও অন্যান্য সমাজ বিরোধী কাজে। শহীদ আলাউদ্দীন এসব উদ্বাস্তু কৃষি শ্রমিকের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ভোমরায় স্থল বন্দর প্রতিষ্ঠার জোর তাগিদ দেন। এক সময় ভোমরা স্থলবন্দর প্রতিষ্ঠা করেন। এতে করে হাজার হাজার শ্রমিক বৈধভাবে ব্যবসা বাণিজ্যের সুযোগ পায়। ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে অর্থনীতির বিকাশে ভোমরা স্থল বন্দর খুলে দেয় সম্ভাবনার নব দিগন্ত। রাজধানী ঢাকাসহ দেশ উপকৃত হয়। সমৃদ্ধ হতে থাকে সাতক্ষীরার অর্থনীতি। শ্রমিকরা খুঁজে পায় কর্মের ঠিকানা।
আলাউদ্দীনের শিল্প ভাবনা: সাতক্ষীরাকে শিল্প নগরীতে গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন শহীদ স. ম আলাউদ্দীন। তিনি প্রস্তাব দিয়েছিলেন সরকার যেহেতু বিশেষ ব্যবস্থায় ভারত থেকে গাল আমদানি করে। সেহেতু গাল আমদানির এ সূবর্ণ সুযোগ সাতক্ষীরাকে শিল্প নগরীতের পরিণত করতে পারে। সাতক্ষীরায় মাংস প্রক্রিয়া করণ কারখানা গড়ে তোলা সম্ভব হবে। চামড়া প্রক্রিয়াকরণ শিল্প ও চামড়াজাত পণ্য তৈরির শিল্প কারখানা গড়ে তুলে সাতক্ষীরাকে শিল্প বিপ্লব ঘটানো যাবে।
স. ম. আলাউদ্দীন বলেছেন, সাতক্ষীরাসহ দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে প্রচুর পাট জন্মে। এ পাট থেকে গড়ে উঠবে পাট শিল্প। কাগজের ম- তৈরি কারখানা স্থাপনের জন্য গণচীন উদ্যোগ নিয়েছিল। সাতক্ষীরায় সবুজ পাট থেকে ম- তৈরির সেই কারখানা স্থাপনের জন্য স. ম. আলাউদ্দীন জোর দাবি জানান।
সাতক্ষীরায় কয়েকটি কম্পোজিটর টেক্সটাইল মিলস স্থাপনে আলাউদ্দীন ছিলেন আপোষহীন। সাতক্ষীরায় প্রচুর সবজি জন্মে। সবাই উৎপাদনের উর্বর ভূমি সাতক্ষীরা। সেই সাতক্ষীরায় হিমাগার স্থাপনে স. ম আলাউদ্দীন ছিলেন বদ্ধপরিকর।
বিশ্বের অন্যতম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন। প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভুমি সুন্দরবনকে ঘিরে স. ম. আলাউদ্দীন স্বপ্ন দেখেছেন সাতক্ষীরায় সুন্দরবন ভিত্তিক পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলার। সাতক্ষীরার চারা ও কলম শিল্পের বিকাশের মাধ্যমে সবুজ বিপ¬ব ঘটাতে চেয়েছিলেন স. ম. আলাউদ্দীন।
স. ম. আলাউদ্দীনের শিক্ষা নিয়ে ভাবনা: ১৯৬২ সালের কুখ্যাত হামিদুর রহমান শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে লড়াকু সৈনিক শহীদ স.ম আলাউদ্দীন। বেকার শিক্ষিত যুবকরা যাতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারে সে জন্য স. ম আলাউদ্দীন শুধু চিন্তাই করেননি। তার চিন্তাকে রূপ দিয়েছেন বঙ্গবন্ধু পেশাভিত্তিক স্কুল এন্ড কলেজ স্থাপন করে। সাতক্ষীরা জেলা শহর থেকে ৬ কিলোমিটার দূরে খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কের পাশে ছায়া সুনিবিড় মনোরম পরিবেশে এ প্রতিষ্ঠানটি অবস্থিত। প্রতিষ্ঠানটির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। সম্পর্কে স. ম আলাউদ্দীন লিখেছেন এই প্রতিষ্ঠানটিতে ষষ্ঠ শ্রেণি হতে ডিগ্রি পর্যন্ত সাধারণ শিক্ষা প্রদান করা হবে। অষ্টম শ্রেণি হতে ছাত্রদেরকে একটি বাধ্যতামূলক পেশা বেছে নিতে হবে। সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি ছাত্রদের নির্দিষ্ট প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। এ জন্য একজন শিক্ষক সার্বক্ষণিক গাইড/প্রদর্শক হিসেবে কাজ করবেন। ১০জন ছাত্র ও ১জন শিক্ষক নিয়ে গঠিত হবে একটি প্লাটুন। বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনায় কর্ম-সংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। যার মাধ্যমে প্রতিটি ছাত্র তাদের ব্যয় বাদে দৈনিক ৫০ টাকা আয় করতে পারবে। এভাবে বছরে ১৮ হাজার টাকা আয় করবে প্রতিজন ছাত্র। ৪বছর পর যখন একজন ছাত্র স্মাতক ডিগ্রি নিয়ে কর্মজীবনে ফিরে যাবে তখন তার হাতে থাকবে প্রায় ৭২হাজার টাকা এবং সাত বছরের একটি অভিজ্ঞতা ও সনদ। শিক্ষা শেষ করার পর ছাত্রটি নিজ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারবে। অপর দিকে প্রতিপ্লাটুনে নিয়োজিত শিক্ষক ও প্রতি বছর বেতনভাতা বাদে অতিরিক্তি ১৮ হাজার টাকা করে আয় করতে পারবেন। পেশা হিসেবে ছাত্ররা উদ্যান পালন, ইলেকট্রনিক ও ইলেকট্রনিকসহ বিভিন্ন পেশা গ্রহণ করতে পারবে। এতে করে জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি ছাত্র জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক হিসেবে সোনার মানুষে পরিণত হবে।
সাংবাদিকতা ও সংবাদপত্র নিয়ে আলাউদ্দীনের ভাবনা: ১৯৯৫ সালের ২৩ জানুয়ারি দৈনিক পত্রদূতের প্রকাশনার যাত্রা শুরুর সময় আলাউদ্দীনের অঙ্গীকার ছিল স্বাধীন সাংবাদিকতা ও বাক স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা করা। ইতিহাস ঐতিহ্যের লীলাভুমি সাতক্ষীরার শিক্ষা সংস্কৃতি, ইতিহাস ঐতিহ্য, সমস্যা, সম্ভাবনাকে সমাজের সকল স্তরে ছড়িয়ে দেয়া। নির্যাতিত নিপীড়িত মানুষের আর্তনাদ পত্রিকায় পাতায় প্রকাশ করে তাদের শক্তি ও সাহস দেয়া। বস্তুনিষ্ঠ সৎ সাংবাদিকতার আদর্শকে লালন করে গণতন্ত্রের বিকাশের লক্ষ্যে চিরন্তন সংগ্রাম করার অঙ্গীকার করেছিলেন স. ম আলাউদ্দীন
ব্যবসা বাণিজ্যের প্রসারে আলাউদ্দীনের ভাবনা: ব্যবসা বাণিজ্যের প্রসারে স. ম আলাউদ্দীনের ভাবনা আজো ব্যবসায়ীদের পথ দেখায়। তিনি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন আলাউদ্দীন বিস্কুট ফ্যাক্টরি। প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ভোমরা স্থল বন্দর, ব্যবসায়ীদের মাদার সংগঠন চেম্বার অব কমার্সের তিনি প্রতিষ্ঠাতা সহ-সভাপতি। ভোমরা স্থলবন্দর নিয়ে তার স্বপ্ন ছিলো আকাশ ছোঁয়া। ভোমরা স্থল বন্দর স্থাপনের মাধ্যমে বেকারত্ব দূর করে হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান করা। ব্যবসা বাণিজ্যের মাধ্যমে সাতক্ষীরাসহ দেশের সার্বিক অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করা।
সাতক্ষীরার অবকাঠামো উন্নয়নে আলাউদ্দীনের প্রস্তাব
সাতক্ষীরার অবকাঠামো উন্নয়নে স. ম আলা উদ্দীন কয়েকটি প্রস্তাব করেছি। এসব প্রস্তাবনার মধ্যে ছিলো সাতক্ষীরা-যশোর, সাতক্ষীরা-খুলনা, সাতক্ষীরা-মুন্সিগঞ্জসহ সবগুলি সড়ক ডাবল হাইওয়ে পুননির্মাণ ও সংস্কার করা। কালিগঞ্জের কাকশিয়ালি, আশাশুনির-চাপড়া মরিচ্চাপ ও সাতক্ষীরার বিনেরপোতায় বেতনা নদীর উপর-ব্রিজ নির্মাণ করা। সাতক্ষীরা-ঢাকা, সাতক্ষীরা-চট্টগ্রাম হেলিকাপ্টার সার্ভিস চালু করতে হবে। কৃষি ও কৃষকদের ভাগ্য উন্নয়নে এবং কৃষিকে শিল্প হিসেবে গণ্য করে উৎপাদন বৃদ্ধি করতে পল¬ী বিদ্যুৎ ও পিডিবির বিদ্যুতের রেট একই হতে হবে। পল্লী বিদ্যুতের রেট বেশি হলে কৃষকরাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। কেননা দেশের গ্রামাঞ্চলে পল¬ী বিদ্যুতের গ্রাহক বেশি। পল্লী বিদ্যুতের রেট ও বেশি। পল্লী বিদ্যুতের রেট কমিয়ে পিডিবির সমান করতে হবে। সাতক্ষীরার সব জমিতে মাছ চাষ করা যাবে না। যেসব জমি ধান চাষের উপযোগী নয়। সেখানেই মাছ চাষ করতে হবে। বেকার ও প্রতিবন্ধিদের জন্য প্রত্যেক থানায় ক্যাম্প স্থাপন করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে। ফসলি জমিতে লোনা পানি ঢুকিয়ে মাছ চাষ বন্ধ করতে হবে। উন্নত ও লাগমই প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃষি ব্যবস্থাপনাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।
এভাবে শহীদ স. ম আলাউদ্দীন সাতক্ষীরাকে নিয়ে একেরপর এক স্বপ্ন দেখেছেন। চিন্তা করেছেন। কাজ করেছেন। এই কর্মবীর আজ আর আমাদের মাঝে নেই। কিন্তু তার স্বপ্ন, তার চিন্তা, তার কর্ম,তার আদর্শ আজও রয়ে গেছে সাতক্ষীরার আপামর গরিব, দুঃখি মেহনতি মানুষের মনের মনি কোঠায়। মরেও তিনি অমর। তার চিন্তা, চেতনা যুগযুগ ধরে সাতক্ষীরাবাসীকে সাহস দেবে, শক্তি দেবে, দেবে অনুপ্রেরণা। লেখক: বার্তা সম্পাদক, দৈনিক পত্রদূত।