প্রকাশিত : জুন ২৪, ২০১৯ ||

………….

কপিলমুনি ওয়ার্ড ছাত্রলীগের কমিটি অনুমোদন
কপিলমুনি (খুলনা) প্রতিনিধি: পাইকগাছা উপজেলার কপিলমুনি ইউনিয়র ছাত্রলীগের সভাপতি ইমরান মোল্লা ও সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল্লাহ আল-মামুন স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে নাছিরপুর ৪নং ওয়ার্ড কমিটি অনুমোদন করা হয়েছে। মো. আলী সরদার সভাপতি ও তামিম হাসান শুভকে সাধারণ সম্পাদক করে সংগঠনকে গতিশীল করার লক্ষে আগামী এক বছরের জন্য কপিলমুনি ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আওতাধীন ৪নং নাছিরপুর ওয়ার্ড শাখার কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কমিটির অন্যান্যরা হলেন সহ সভাপতি জয় মিত্র, পলাশ দে, সৌরভ দত্ত, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক নাহিদ হাসান ও শুভ মন্ডল, সাংগঠনিক সম্পাদক তরিকুল ইসলাম ও মো. আসলাম জোয়ার্দার, প্রচার সম্পাদক রাসেল গাজী এবং দপ্তর সম্পাদ সাগর দে।

ওয়াশ বাজেট মনিটরিং ক্লাবের সভা
কপিলমুনি (খুলনা) প্রতিনিধি: বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ডরপ এর পানিই জীবন প্রকল্প পাইকগাছা অফিসে ওয়াশ বাজেট মনিটরিং ক্লাবের সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার উপজেলা প্রকল্প অফিসে মনিটরিং ক্লাবের সভাপতি অধ্যাপক জি এম আজহারুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন অধ্যক্ষ আজহার আলী, এফএমএ রাজ্জাক, কাউন্সিলর শেখ মাহবুবুর রহমান রঞ্জু, সাংবাদিক আলাউদ্দীন রাজা, মহানন্দ অধিকারী মিন্টু, আব্দুস সবুর আল-আমিন, দীপ অধিকারী, সদস্য নুরুন্নাহার পারভীন, শেখ মাহাবুবর রহমান, মো. হাদিউজ্জামান ও ডরপ এর উপজেলা সমন্বয়কারী আবু সায়েম। সভায় গড়ইখালী, রাড়–লী, কপিলমুনি ও গদাইপুর ইউনিয়নে পানি, স্যানিটেশনসহ ও বাজেট পরবর্তী কাজের মূল্যায়ন বিষয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়।

শ্রমিকের অধিকার ও শোভন কাজ বিষয়ে সচেতনতামূলক প্রচারাভিযান
যুবদের দ্বারা সংগঠিত কপোতাক্ষ সমাজ উন্নয়ন যুব সংঘের তত্ত্বাবধানে ২২ জুন বিকাল ৪টায় ত্রিশমাইল মোড়ে একশনএইড বাংলাদেশের অর্থায়নে এবং হিউম্যান রাইটস্ এন্ড এনভায়রমেন্টাল এ্যাকশন ডেভেলপমেন্ট (হেড) এর ব্যবস্থাপনায় এ্যাকশন ফর ইমপ্যাক্ট প্রকল্পের আওতায় রোস্তোরাঁয় শোভন কর্মপরিবেশ নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে রেস্তোরাঁ মালিক, কর্মকর্তা ও শ্রমিকদের মাঝে শ্রমিক অধিকার ও শোভন কাজ বিষয়ে প্রচারাভিযানের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন হেড সংস্থার প্রকল্প সমন্বয়কারী শেখ আহছানুল ইসলাম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা কারিগরী প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি)’র অধ্যক্ষ মো. মোছাবেরুজ্জামান। বক্তব্য উপস্থাপন করেন প্রকল্পের প্রোগ্রাম অফিসার শামীমুল ইসলাম। রেস্তোরাঁ শ্রমিকের সমস্যা ও সমাধানের প্রস্তাবনা সম্বলিত ধারনা পত্র উপস্থাপন করেন কপোতাক্ষ সমাজ উন্নয়ন যুব সংঘের সভাপতি উত্তম কুমার শীল। যুব সদস্যদের মধ্যে বক্তব্য উপস্থাপন করেন মহিবুল্লাহ, হায়দার আলী, সঞ্জয় কুমার রায় বর্মন। শ্রমিকদের পক্ষে বক্তব্য উপস্থাপন করেন আহছানুর রহমান। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

বেনাপোল ট্রান্সপোর্ট ব্যবসায়ি নিহতের প্রতিবাদে মানববন্ধন
বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি: বেনাপোল-যশোর মহাসড়কে আমড়াখালিতে গ্রীন লাইন পরিবহনের চাপায় ১৯জুন বেনাপোল ট্রান্সপোর্ট মালিক সমিতির কোষাধ্যক্ষ শাহাদত হোসেন নেদু নিহতের প্রতিবাদে রবিবার সকালে মানববন্ধন করেছে ট্রান্সপোর্ট ব্যবসায়ি মালিক সমিতি। এদিন বেনাপোল কাষ্টম গেটের সামনে প্রায় এক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে লাইনে দাঁড়িয়ে মানববন্ধন করেন তারা। এসময় স্থানীয় ব্যবসায়িরা অংশগ্রহণ করেন। চালকের গ্রেপ্তারসহ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানান তারা। এসময় ট্রান্সপোর্ট মালিক সমিতির সভাপতি কামাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আজিম উদ্দিন গাজিসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

খুলনায় আন্তর্জাতিক পাবলিক সার্ভিস দিবস পালিত
পত্রদূত ডেস্ক: নানা আয়োজনে রবিবার খুলনায় আন্তর্জাতিক পাবলিক সার্ভিস দিবস পালিত হয়। স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সামাজিক ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করাই হচ্ছে দিবসটি পালনের মূল লক্ষ্য। এ উপলক্ষে সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার লোকমান হোসেন মিয়া।
বিভাগীয় কমিশনার বলেন, এক সময় সরকারি সেবা গহণের জন্য জনগণকে সরকারি অফিসে আসতে হতো। বর্তমানে তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে সরকারি সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে গেছে। এটা সম্ভব হচ্ছে উদ্ভাবনী কার্যক্রমের দ্বারা সরকারি সেবাকে সহজীকরণের মাধ্যমে। সরকারি সেবা প্রদানের মূল উদ্দেশ্য সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়ন উল্লেখ করে বিভাগীয় কমিশনার বলেন, সেবা গ্রহীতাদের সন্তুষ্টি অর্জনই হোক আন্তর্জাতিক পাবালিক সার্ভিস দিবসের মূল প্রত্যয়।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) মো. হাবিবুল হক খান, স্থানীয় সরকার বিভাগের পরিচালক হোসেন আলী খোন্দকার এবং পুলিশ সুপার এস এম শফিউল্লাহ প্রমূখ। খুলনার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন এতে সভাপতিত্ব করেন। এসময় খুলনার সকল সরকারি দপ্তরের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে দিবসটি পালন উপলক্ষে শহীদ হাদিস পার্ক থেকে বর্ণাঢ্য র‌্যালি শুরু হয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়। র‌্যালিতে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। খুলনা জেলা প্রশাসন এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

নৌবাহিনীর ৭৭৩ জন নবীন নাবিকের শিক্ষা সমাপনী কুচকাওয়াজ
পত্রদূত ডেস্ক: বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ২০১৯-এ ব্যাচের ৭৭৩ জন নবীন নাবিকের শিক্ষা সমাপনী কুচকাওয়াজ রবিবার খুলনাস্থ নৌঘাঁটি বানৌজা তিতুমীর প্যারেড গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল আওরঙ্গজেব চৌধুরী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মনোজ্ঞ কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও আকর্ষণীয় মার্চপাস্টের সালাম গ্রহণ করেন। পরে তিনি কৃতি নবীন নাবিকদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।
নৌবাহিনীর ২০১৯-এ ব্যাচের নবীন নাবিকদের মধ্যে মো. শাহিন আলম, ডিই/এমএ-২/ ইউটি পেশাগত ও সকল বিষয়ে সেরা চৌকস নাবিক হিসেবে ‘নৌপ্রধান পদক’ লাভ করে। এছাড়া মাহমুদুর রহমান, ডিই/ ইউসি/ ইউটি দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে ‘কমখুল পদক’ এবং মো: মাসুম রানা, ডিই/ ইউসি/ ইউটি তৃতীয় স্থান অধিকার করে ‘তিতুমীর পদক’ লাভ করে।
নৌপ্রধান নবীন নাবিকদের উদ্দেশ্যে তার ভাষণে, মহান মুক্তিযুদ্ধে স্বাধীনতার স্থপতি ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর অসামান্য অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন। সেইসাথে তিনি স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশগ্রহণকারী বীর নৌসেনা ও মুক্তিযোদ্ধাদের সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের কথা গভীরভাবে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর অসামান্য প্রজ্ঞা ও দূরদর্শিতা এবং পরবর্তীতে তার সুযোগ্য উত্তরসুরী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিকনির্দেশনায় বাংলাদেশ আজ উন্নয়নশীল দেশের দ্বারপ্রান্তে উপনীত।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অসামান্য অবদান ও পৃষ্ঠপোষকতায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে একটি আধুনিক ত্রিমাত্রিক নৌবাহিনী হিসেবে সুপরিচিত ও সুপ্রতিষ্ঠিত। দেশের উন্নয়নের সাথে সাথে আমাদের নৌবহরে যুক্ত হয়েছে আধুনিক যুদ্ধজাহাজ, সাবমেরিন, হেলিকপ্টার, মেরিটাইম প্যাট্রোল এয়ারক্রাফট এবং আধুনিক সামরিক সরঞ্জামাদি। অন্যদিকে, অবকাঠামোগত উন্নয়নে যুক্ত হয়েছে নতুন নতুন স্থাপনা, আধুনিক নৌ ঘাঁটি, প্রশাসনিক ভবনসহ নবীন নাবিক প্রশিক্ষণ বিদ্যালয়ের ন্যায় বৃহৎ ও উন্নতমানের প্রশিক্ষণ স্থাপনা।
নৌবাহিনী প্রধান পেশা হিসেবে দেশ সেবা ও দেশ গড়ার পবিত্র দায়িত্বকে বেছে নেয়ায় নবীন নাবিকদেরকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। পাশাপাশি সবাইকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে তিনি দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে দায়িত্ব পালনের আহবান জানান। এছাড়া আগামী দিনের চ্যালেজ্ঞ মোকাবেলায় মহান সৃষ্টিকর্তার উপর অবিচল বিশ^াস রেখে উচ্চ মনোবল ও সাহস নিয়ে একযোগে কাজ করার নির্দেশনা প্রদান করেন।
মনোজ্ঞ এ কুচকাওয়াজে অন্যান্যের মধ্যে সহকারী নৌপ্রধান (পার্সোনেল) রিয়ার এডমিরাল এম শাহীন ইকবাল, খুলনা নৌঅঞ্চলের আঞ্চলিক কমান্ডার এম মোজাম্মেল হক এবং খুলনা ও যশোর এলাকার উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা এবং নাবিকসহ নবীন নাবিকদের অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।