জলবায়ু পরিবর্তন ও নগর দারিদ্র্য: সংকট ও প্রস্তাবনা


প্রকাশিত : জুন ২৭, ২০১৯ ||

সুভাষ চৌধুরী
জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে দেশের দক্ষিণ পশ্চিম উপকূলীয় এলাকার জীবন জীবিকা এখন ঝুঁকির মধ্যে। বৈশি^ক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে দক্ষিণের বড় অংশ পানিতে তলিয়ে যাবার আশঙ্কা মাথায় নিয়ে এ অঞ্চলের মানুষ নিরাপদ আশ্রয় খুঁজতে এরই মধ্যে হয় দেশান্তরী হয়েছেন, না হয় দেশের অন্য কোনো এলাকায় যেয়ে জীবন রক্ষার সংগ্রামে নেমেছেন। জলবায়ু পরিবর্তন, ঘন ঘন দুর্যোগ ঝুঁকি, ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, জলোচ্ছ্বাস ও দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতার শিকার দেশের দক্ষিণ পশ্চিমের ধনী গরিব সব মানুষ। তবে ধনী মানুষ অর্থের জোরে বিকল্প খুঁজে নিতে পারলেও দরিদ্র শ্রেণির মানুষ পড়ছে মহাসংকটে। এই সংকট উপকূল থেকে গ্রাম, গ্রাম থেকে নগরে সম্প্রসারিত হচ্ছে। এদের বড় অংশই হয়ে উঠছে বস্তির মানুষ। তারা হারাচ্ছেন তাদের পেশা।
নগর জনপদের বস্তিবাসী মানুষ সবচেয়ে বড় সংকটে পড়েন যে কোনো দুর্যোগ আঘাত হানলে। সাতক্ষীরা জেলার হালনাগাদ জনগোষ্ঠী ২৩ লাখ। এর মধ্যে সাতক্ষীরা পৌর এলাকার জনগোষ্ঠী দুই লাখের কাছাকাছি। ৩১.১০ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই পৌরসভার ৬ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে রয়েছে দরিদ্র মানুষের বসবাস। এখানে বস্তি আছে ৪৭টি। এর মধ্যে কিছু সরকারি ও কিছু ক্লাস্টার বস্তি রয়েছে। বিবিএস এর ২০১৪ সালের পরিসংখ্যান বলছে, সাতক্ষীরা পৌর এলাকায় ৯০০ খানার বস্তিবাসীর সংখ্যা ৩৪৯৪। তবে সাতক্ষীরা পৌরসভার দেওয়া হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, এই বস্তির জনগোষ্ঠীর সংখ্যা কমবেশি ৩০ হাজার। তারা সবাই জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে নিজ নিজ নিজ এলাকা থেকে উঠে এসে এখানে সরকারি অথবা ব্যক্তি মালিকানাধীন জমিতে বসতি গড়েছেন।
বস্তি শুমারি ও ভাসমান লোক গণনা ২০১৪ এর তথ্য মতে, খুলনা বিভাগের খালি জমিতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বস্তি গেড়ে বসবাসকারী খানার সংখ্যা ৫ লাখ ৯৪ হাজার ৮৬১টি। এরমধ্যে সিটি করপোরেশনে বস্তি খানা ৪ লাখ ৩১ হাজার ৭৫৬, পৌর এলাকায় ১ লাখ ৩০ হাজার ১৪৫ এবং অন্যান্য শহরে ৩২ হাজার ৯৬০।
এই হিসাবে ২০১৪ সালে বস্তিবাসী পুরুষের সংখ্যা ১১ লাখ ৪৩ হাজার ৩৩৭ এবং নারী বস্তিবাসীর সংখ্যা ১০ লাখ ৮৬ হাজার ৩৩৭। এছাড়া হিজড়া রয়েছে ১৮৫২ জন। সাত বছর থেকে তদূর্ধ্ব এই জনগোষ্ঠীর সাক্ষরতার হার ৩৩.২৬ শতাংশ। এই পরিসংখ্যান খুলনা বিভাগের। বস্তি শুমারির পর আরও প্রায় পাঁচ বছর পার হচ্ছে। ফলে এই হিসাবে পরিবর্তন এসেছে উল্লেখযোগ্য হারে। স্থান বিশেষে দারিদ্র্যের হার বৃদ্ধি পেয়েছে।
দেশে দারিদ্র্যের হার ২১.১৬ শতাংশ। অথচ সাতক্ষীরা জেলায় এই হার ৪৬ শতাংশ। বিশ^ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, খুলনা সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলার ৫০ লাখ মানুষ খাবার পানি সংকটে ভুগছে। এ এলাকার ৭৯ শতাংশ নলকূপের পানি লবণাক্ত। একই সাথে এই পানি আয়রণ ও আর্সেনিকযুক্ত। খাবার পানি সংকটের এই প্রভাব বস্তি এলাকায় আরও বেশি।
সাতক্ষীরা পৌর এলাকার নি¤œ অঞ্চলসমূহ প্রতি বছর বর্ষা মৌসুম ভয়াবহ জলাবদ্ধতার কবলে পড়ে থাকে। পৌর এলাকার পানি নিকটস্থ বেতনা নদী ও শহরের মধ্য দিয়ে বয়ে যাওয়া প্রাণ সায়ের খালে নিষ্কাশিত হবার কথা। কিন্তু বেতনা পলি জমে উঁচু হয়ে পড়ায় পানি ধারণ ক্ষমতা হারিয়েছে। এর ফলে বেতনার পানির সাথে সন্নিকটস্থ কয়েকটি বিলের পানি সাতক্ষীরা শহরের দিক থেকে গদাই বিল হয়ে বেতনার দিকে চাপ দেয়। এতে সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতার। ধ্বংস হয় কৃষি ও মৎস্য সম্পদ। জলাবদ্ধতার কারণে নি¤œ আয়ের মানুষ তাদের কর্মসংস্থান হারায়। তাদের বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়। খাবার পানির তীব্র সংকটে পড়ে তারা। তাদের ল্যাট্রিন ব্যবস্থাপনা ল-ভ- হয়ে যায়। বিকল্প আশ্রয় ও খাদ্য জুটানো গেলেও তাদের পক্ষে বিশেষ করে করে নারী, শিশু, প্রতিবন্ধী ও বয়োজ্যেষ্ঠদের সংকট সবচেয়ে বেশি হয়। ল্যাট্রিনের বর্জ্য যে পানিতে পড়ে তার পাশেই তাদের বসবাস।
দুর্যোগকালে শিশু কিশোরদের লেখাপড়া মারাত্মকভাবে বিঘিœত হয়। নি¤œ এলাকার প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো পানিতে তলিয়ে যায়। স্কুলে পানি, বাড়িতেও পানি এমন অবস্থায় বেশ কিছুদিন যাবত তাদের লেখাপড়া ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর সুদূর প্রসারী প্রভাব পড়ে বার্ষিক পরীক্ষার ওপর। দুর্যোগের কবলে পড়া মানুষের খাদ্য সংকট প্রবল আকার ধারণ করে। আয় রোজগারের পথ রুদ্ধ হয়ে যাওয়ায় সংসার নির্বাহ করা কঠিন হয়ে পড়ে। এমন অবস্থায় তাদের অপেক্ষা করতে হয় ত্রাণ সহায়তার জন্য। তাদের বাড়িঘর আবাসন এলোমেলো হয়ে পড়ায় জীবন হয়ে পড়ে দুর্বিসহ।
দুর্যোগে পানিবাহিত বিভিন্ন রোগ বিশেষ করে চর্মরোগ, ডায়রিয়া, জন্ডিস, নানা ধরনের পেটের পীড়া দেখা দেয়। এলাকার পরিবেশ হয়ে পড়ে দূষিত। পরিবারের ওষুধ কিনতে গেলে তাদের খাবার চাল কেনা বন্ধ হয়ে যায়।


সাতক্ষীরা পৌরসভার বস্তি গদাই বিল, মাঠপাড়া, রাজারবাগান লিচুতলা, বদ্দিপুর কলোনী, গড়েরকান্দা, রহমতপুর, চালতেতলা, বাঁকাল ইসলামপুর কলোনী, বোসপাড়া বলফিল্ড বস্তি, পৌরসভার পেছনের হরিজনপল্লীর মতো ৪৭টি বস্তির মানুষ সব সময়ই মানবেতর জীবনযাপন করছে। তাদের বাড়িঘর নড়বড়ে। বর্ষায় ঘরে পানি পড়ে। শীতে তারা কষ্ট পায়।
গদাই বিলের বাসিন্দা ফাতেমা খাতুনের কথা: ফাতেমা খাতুনের প্রতিবন্ধী স্বামী আতিয়ার সরদার। কোনো কাজ করতে পারেন না তিনি। তাদের তিন ছেলে। নাতিপুতি মিলে মোট নয়জন তার পরিবারে। ফাতেমার চার বোন রহিমা, সালমা, নাজমা ও পারভিন। তাদের ছেলে মেয়ে পুত্রবধূ মিলে আরও ২৪ জন সদস্য এ পরিবারে। মোট ৩৩ জনের পারিবারিক বহর নিয়ে গদাইবিলের অস্বাস্থ্যকর প্রতিকূল পরিবেশে বসবাস তাদের। ফাতেমা খাতুন জানালেন তারা জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষতির শিকার হয়ে কয়েক বছর আগে গদাই বিলে বসতি গাড়েন। বর্ষায় এখানেও পানি ওঠে। নিজেদের ভাঙ্গাচোরা টয়লেটগুলো ডুবে যায়। পয়ঃবর্জ্য পুকুরের পানি ডোবার পানি একাকার হয়ে বাড়িঘরে ওঠে। এখানে বিদ্যুত নেই। তবে কিছুদিন আগে সোলার লাইট পেয়েছি ঋণে। ছেলে মেয়েদের স্কুলে যেতে হয় ৩ থেকে ৪ কিলোমিটার দূরে কাঁচা রাস্তা পায়ে হেঁটে। রাস্তার দুই পাশে চিংড়ি ঘের। ঘেরের বেড়ি বাঁধ উঁচু হওয়ায় কোমর সমান বৃষ্টির পানি জমে থাকে রাস্তার ওপর। ওপাশে গোপীনাথপুর বেড়াডাঙ্গি স্লুইস গেট অকেজো হয়ে যাওয়ায় পানি বের হতে পারে না। বেতনা নদী তার ধারণ ক্ষমতা হারিয়ে ফেলায় সব পানির চাপ পড়ে গদাই বিলের রাস্তার ওপর। অন্যদিকে সাতক্ষীরা শহরের অবস্থান কিছুটা উঁচু হওয়ায় বৃষ্টির পানি গদাইবিলের বস্তিতে চাপ দেয়। একই অবস্থা বদ্দিপুর কলোনিরও। সেখানে বর্ষায় বাড়িঘর ডুবে যায়। ফসলের ক্ষেতও ডুবে থাকে। বছরের ছয়মাস ধরে এ অবস্থা চলে। খাবার পানি বলতে গদাই বিলের ৭৫টি বস্তি পরিবারের প্রায় ৩৭৫ জন মানুষের জন্য একটি মাত্র গভীর নলকূপ। ঝড়ের সময় আমরা ভয় পেয়ে বাড়ি ঘর ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয় খুঁজি। জলাবদ্ধতার কবলে পড়ে চর্মরোগ ডায়রিয়া আমাশয়সহ নানা রোগে ভুগতে হয়। যোগাযোগ ব্যবস্থা এতোটাই খারাপ যে রাতে দিনে গর্ভবতী মা কিংবা রোগগ্রস্ত কাউকে শহরে নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। এমন জায়গায় তারা থাকেন যেখানে একটি ভ্যান ঢুকানোও কঠিন। ফলে রোগীকে ঘাড়ে করে নিতে হয় শহরে চিকিৎসার জন্য। পাড়ার অনেকে আবার খোলা জায়গায় মলত্যাগ করতে বাধ্য হয়। ফাতেমা খাতুনদের পাড়ার নারীরা মাঠে ঘাটে কিংবা চিংড়ি খামারে জোন দেয় দিন দেড়শ’ টাকায়। সবদিন আবার কাজ থাকে না। বাড়িতে এখনও অনেকে কেরোসিনের কুপি ব্যবহার করে। তাদের পরিবারের পুরুষ সদস্যরা ভাড়ায় নেওয়া রিকসা ভ্যান চালিয়ে সংসার নির্বাহ করে। নারীরা বাড়িতে ঠোঙ্গা তৈরি করে কিংবা দিন মজুর খেটে তাদের সহায়তা করে। পরিবারের প্রতিবন্ধী সদস্যদের অসহায়ত্ব আরও বেশি।
তারা জন্মনিয়ন্ত্রণ কৌশল অবলম্বন করছেন কিনা তা দেখার কেউ নেই। তাদের শিশুরা ভুগছে পুষ্টিহীনতায়। তারা বাল্য বিবাহে উৎসাহী। যে কারণে কম বয়সে বিয়ে হওয়ায় তাদের সন্তানরা হয় খর্বাকৃতি, কম ওজনের ও বয়সের তুলনায় কম উচ্চতার। তারা জন্ম থেকেই রোগগ্রস্ত হয়ে পড়ে। মা ও শিশু উভয়ে পড়ে স্বাস্থ্যহানির মুখে। এতে মা ও শিশু মৃত্যুর ঝুঁকি বেড়ে যায়।
সাতক্ষীরার শ্যামনগরের আইলা উপদ্রুত ইউনিয়ন গাবুরার ডুমুরিয়া গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন আবদুল হাকিম। ২০০৯ এর ২৫ মে ভয়াল আইলার ছোবলে বাড়িঘর জমি জিরাত হারিয়ে উদ্বাস্তু হন তিনি। এখন চার সদস্য নিয়ে গদাই বিলের বস্তিতে বসবাস করেন। পরিবারের কেউ কেউ জোন মজুরি দেয়। নিজে একটি মসজিদে ইমামতি করেন। সেখানে যে টাকা পান তাতে সংসার চলে না। সুযোগ পেলে টুকটাক প্রাইভেট পড়ান। তিনি জানান এখানে যোগাযোগ ব্যবস্থা খুবই খারাপ। প্রতিবছর সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতার। ছয় মাস ধরে আমরা পচা পানির মধ্যে থাকি। রোগ ব্যারামে নাজেহাল হই।
মো. কাইউম। খুলনার দাকোপ উপজেলার কালাবগি ইউনিয়নের বাসিন্দা তিনি। ১৯৮৮ এর ২৯ নভেম্বরের প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ে সব হারিয়ে সাতক্ষীরার বস্তিতে আশ্রয় নিয়েছিলেন। ভ্যান চালিয়ে সংসার নির্বাহ করেন তিনি। তবে বাড়ি সংলগ্ন জমিতে ছোট্ট একটি দোকান করে নিত্য পণ্য বেচাকেনা করছেন। দিন শেষে যে লাভ হয় তা দিয়ে কোনোমতে সংসার চলে। বৃষ্টির পানিতে প্রতি বছরই তার ঘর বাড়ি ল্যাট্রিন ডুবে যায়। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বসবাস তার পরিবারের। রোগ যন্ত্রণা লেগেই আছে বাড়িতে। এ অবস্থা সব পরিবারেই, জানালেন তিনি।
সাতক্ষীরা পৌরসভা সূত্র বলছে, বস্তিবাসীদের জন্য কিছু সুখবরও রয়েছে। তাদের অন্ধকার দিনের অবসানকল্পে পৌরকর্তৃপক্ষ অনেক কাজ করেছে। তাদের জন্য গভীর নলকূপ বসিয়ে পানীয় জল সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়েছে। লেখাপড়ার জন্য এনজিওর সহায়তায় কিছু স্কুল তৈরি করে দেওয়া হয়েছে। তাদের স্বাস্থ্য সেবায় পৌর কর্র্তৃপক্ষ ভূমিকা রাখছে। তাদের জন্য আধাপাকা ঘর নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে। শিশুদের পোলিও টিকা খাওয়ানো হয়। ভিটামিন এ ক্যাপসুলও খাওয়ানো হয়েছে তাদের। এমনকি বয়স্ক ভাতা বিধবা ভাতাও পান তারা। তারা স্বল্পসুদে ঋণ পান। তাদের মাঝে ছাগল বিতরণ করা হয়েছে। হাঁসমুরগি পালনেও সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। তাদেরকে ঢাকা আহছানিয়া মিশনের হেলথ কার্ড বিতরণ করা হয়েছে। এতে তারা চিকিৎসা সহায়তা লাভ করছেন।
বস্তিবাসীর জীবনমান উন্নয়নে চাহিদার শেষ নেই: বস্তিবাসীর উন্নয়নে সরকারের অনেক দায়িত্ব রয়েছে। সরকারের বিভিন্ন বিভাগের সমন্বয়ে এই উন্নয়ন করতে হবে।
০১. জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবেলায় বস্তিবাসীদের সক্ষমতা অর্জনে তাদের প্রস্তুত করতে হবে।
০২. সংশ্লিষ্ট এলাকায় স্কুল কাম কমিউনিটি সেন্টার কাম সাইক্লোন শেল্টার গড়ে তুলতে হবে।
০৩. খাবার পানির চাহিদা মেটাতে আরও গভীর নলকূপ বসাতে হবে।
০৪. এলাকায় ড্রেনেজ সিস্টেমের উন্নয়ন করতে হবে।
০৫. প্রত্যেক বাড়িতে স্বল্পমূল্যের টয়লেট স্থাপনের ব্যবস্থা করতে হবে।
০৬. এলাকায় নতুন নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি করতে হবে।
০৭. কুটির শিল্পের সম্প্রসারণ ঘটাতে হবে।
০৮. হাঁস মুরগি ও গবাদি পশু পালনে সহায়তা দিতে হবে।
০৯. রাস্তাঘাট ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে বরাদ্দ থাকতে হবে।
১০. স্লুইস গেট সংস্কার করতে হবে। পাশাপাশি নদীতে পানি ধারণের লক্ষ্যে তা খনন করতে হবে।
১১. জলাবদ্ধতা রোধে পানি প্রবাহকে স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নিতে হবে।
১২. এলাকায় তথ্য কর্নার স্থাপন করতে হবে।
১৩. বস্তি এলাকায় বাল্য বিবাহরোধ করতে হবে এবং জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি অবলম্বনে নারী পুরুষ সবাইকে আগ্রহী করে তুলতে হবে।
১৪. তাদের বহুমুখী স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হবে। লেখক: সাংবাদিক