আমি গরীবের স্বপ্নের অংশীদার হতে চাই: শেখ মফিজুর রহমান


প্রকাশিত : July 1, 2019 ||

বদিউজ্জামান: জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা সাতক্ষীরা জেলা কমিটির মাসিক সভায় সভাপতির বক্তব্যে কমিটির চেয়ারম্যান জেলা ও দায়রা জজ শেখ মফিজুর রহমান বলেন, আমি গরীবের স্বপ্নের অংশীদার হতে চাই। এদেশের দরিদ্র মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন ঘটাতে হলে আন্দোলন করতে হবে , আমি চাই সেই আন্দোলনটা শুরু হোক লিগ্যাল এইড এর মাধ্যমে। তিনি আরও বলেন, আমাদের যার যা দায়িত্ব সেটা যদি সঠিক ভাবে পালন করি তবেই সমাজের সকল প্রকার অনিয়ম রোধ করা সম্ভব।
গতকাল বেলা সাড়ে ৪টায় জেলা জজ শীপের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় তিনি এ সব কথা বলেন। সভায় আরও বক্তব্য রাখেন, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তফা পাভেল রায়হান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল মীর্জা সালাহউদ্দীন, আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক তোজাম্মেল হোসেন তোজাম, সরকরি কৌশুলী সরকার যামিনি কান্ত, পাবলিক প্রসিকিউটার তপন কুমার দাস, জেল সুপার মোঃ আবু জাহেদ, প্রেসক্লাব সভাপতি আবু আহম্মেদ, এড. দিলিপ কুমার দেব, এড. মনির উদ্দীন, মো. সাকিব প্রমূখ।
সভায় শেখ মফিজুর রহমান আরও বলেন, সমাজে ভালো কাজ করতে গেলে অনেক বাঁধা আসবে, এই বাঁধাকে অতিক্রম করে যারা এগিয়ে যেতে পারবে তারা একদিন তাদের স্ফীত লক্ষ্যে পৌছাতে পারবেই- যেমনটি আমি পেরেছি, সারা দেশের জেলখানা গুলোতে খিঁচুড়ি ভাতের প্রচলন করতে। এ কাজটি করতে গিয়ে অনেক বাঁধা এসেছিল উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, আমি মাগুরা জেলায় দায়িত্ব পালন কালে মানবিক তাড়নায় কাজটি শুরু করেছিলাম, আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার ২৬২ বছরের প্রথা ভেঙে জেল কোড পরিবর্তন করে সেটি বাস্তবায়ন করেছে।
সভায় উপস্থিত সকলে লিগ্যাল এইড কমিটির পক্ষ থেকে জেলা ও দায়রা জজ শেখ মফিজুর রহমানকে ধন্যবাদ জানান এবং কারাবন্দীদের সকালের খাবারে খিঁচুড়ি ভাত যুক্ত করার উদ্যোগ নেয়ায় কৃতঞ্জতা জানান।
সভায় জেলা ও দায়রা জজ শেখ মফিজুর রহমান উপস্থিত সকলের উদ্দেশ্যে বলেন, জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে লিগ্যাল এইড অফিসে মামলা করার জন্য আসা অসহায় দরিদ্র মানুষগুলোর জন্য একবেলা খাবার ও যাতায়াতের জন্য কিছু অর্থের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। এ সময় তাঁর বক্তব্যে সাড়া দিয়ে বে-সরকারি সংস্থা ইনসিডিন বাংলাদেশ নগদ ২০ হাজার টাকা এবং জেল সুপার মোঃ আবু জাহেদ তাঁর ব্যক্তিগত তহবিল থেকে আরও নগদ ৩ হাজার টাকা প্রদান করেন।
সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন, জেলা লিগ্যার এইড কর্মকর্তা ও সিনিয়র সহকারি জজ সালমা আক্তার।