খাটালের অনুমোদন না হওয়ার পরও আনা হচ্ছে ভারতীয় গরু: আসছে মাদক


প্রকাশিত : July 1, 2019 ||

পত্রদূত রিপোর্ট: কলোবাজারীদের কারণে সীমান্তবাসি আতঙ্কিত। তারা ভয়ে মুখ খুলতে নারাজ। খাটাল বা বিটের অনুমোদন না থাকা সত্বেও বাংলাদেশী গরু রাখালরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভারত থেকে গরু আনছে বলে দাবি তাদের। বিভিন্ন নামে গরু প্রতি নেয়া হচ্ছে ৭ হাজার ৮০০ টাকা। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের গোচরে আনার পরও অজ্ঞাত কারণে তা থামছে না এ কা-।
সীমান্ত জেলা সাতক্ষীরা, মোট সীমান্ত ২৩৮ কিলোমিটারের মধ্যে ১৩৮ কিলোমিটার স্থল সীমান্ত। এই দীর্ঘ সীমান্তে ৫টি উপজেলা, ৮টি থানা ও ২টি বিজিবি কোম্পানী দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। এই অঞ্চলের বিশেষ কিছু চোরাকারবারী সেন্টিগেটর মাধ্যমে অবৈধ পথে ভারত হতে আসে মাদক, কাপড়, গরু, মটর পার্স, পল্ট্রি মুরগীর বাচ্চা, মাছের রেণুসহ বিভিন্ন প্রকার সেফের মালামাল। তবে এ সকল মালামাল আনা হয় গরু আনার আড়ালে বাংলাদেশী গরু রাখাল দিয়ে।
এই দীর্ঘ সীমান্তে ভারত হতে গরু আনার জন্য কোন খাটালের অনুমোদন নেই, তবে কলারোয়া উপজেলায় ৩ টা, সাতক্ষীরায় ১টা, দেবহাটায় ১টা এবং কালীগঞ্জ উপজেলায় ১টা খাটালের আগামী ১৫ জুলাই পর্যন্ত অস্থায়ী অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
দেবহাটা উপজেলায় কোমরপুর ছাড়া আর কোথাও অনুমতি না থাকলেও টাউনশ্রীপুর দিয়ে সাঈদ গাজীর সিন্ডিকেটের মাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই বাংলাদেশী গরু রাখাল দিয়ে নদী সাঁতার দিয়ে ভারত থেকে গরু ও সাথে মাদকসহ অন্যান্য অবৈধ মালামাল আনা হচ্ছে। আর হাটবার না থাকলেও পারুলিয়া গরুর হাটের পাস দিয়ে গরুগুলি দেশের অভ্যান্তরে চালান করা হচ্ছে। প্রশাসনসহ বিভিন্ন নামে গরু প্রতি নেয়া হচ্ছে ৭ হাজার ৮০০ টাকা। আর এ কারণেই হয়তো স্থানীয় প্রশাসন এই সিন্ডিকেটের হাতে জিম্মি। সীমান্তের ছাত্র ও যুবসমাজ হয়ে পড়ছে মাদকাসক্ত। তারপরও সীমান্তবর্তী জনগণ এই সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে ভীত-সন্ত্রস্ত। দেবহাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, এসকল বিষয় আমার জানা নেই। টাউনশ্রীপুরে বিজিবি আছে এটা তারাই বলতে পারবে।
এ বিষয়ে নীলডুমুর ১৭ ব্যাটালীয়ানের অধিনায়ক মোবাইল ফোনে জানান, কোমরপুরের বাহিরে যদি কোন এলাকা দিয়ে গরু আসে তবে তা অবৈধ, তবে প্রায় প্রতিদিনই বাংলাদেশী গরু রাখাল দিয়ে নদী সাঁতার দিয়ে ভারত থেকে গরু ও সাথে মাদকসহ অন্যান্ন অবৈধ মালামাল আনা হচ্ছে টাউনশ্রীপুরের এলাকাবাসি বক্তব্য হলেও আমাদের এ বিষয়ে জানা নেই। আর আমরা গরুসহ অবৈধ মালামাল ধরার জন্য ব্যস্ত আছি এবং তার ব্যবস্থা নিব।