তরুণ প্রজন্ম ক্ষতগ্রিস্ত হয় ফসেবুক, ইউটউিব এবং গুগল ব্যবহার করে


প্রকাশিত : জুলাই ১৫, ২০১৯ ||

নজরুল ইসলাম তোফা:: র্বতমানে সমগ্র পৃথবিীতইে একটি আলোচতি বষিয় তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার। এমন ব্যবহারে সফলতার দকি যমেন রয়ছে,ে ঠকি তমেনি ক্ষতরি সম্মুখীনও হচ্ছে মানুষ। তরুণ প্রজন্মরা বাবা মাকে ধোঁকা দয়িে ডুবে থাকছে নজিস্ব র্স্মাটফোনরে ফসেবুক।ে স্কুল, কলজে এবং মাদ্রাসা ফাঁকি দয়িইে নর্জিন স্থানে বা চায়রে দোকানে অথবা পছন্দ মতো কোনো র্পাকরে বসে র্স্মাটফোনইে খলেছে গমেস বা ব্যবহার করছে ঘন্টার পর ঘন্টা ফসেবুক ও গুগল।
‘ইউটউিব এবং গুগল’ে আপত্তকির ভডিওিতে তারা আসক্ত হয়ে উজ্জ্বল ভবষ্যিৎও নষ্ট করছ।ে আসলে বনিা প্রয়োজনে অজস্র তরুণ প্রজন্মরা সময় নষ্ট ও আপত্তকির ভডিওি দখেইে এক ধরনরে উগ্রতা সৃষ্টি করে পারবিারকি কলহে জড়য়িে পড়ছ।ে এতে করে লখো পড়ার মারাত্মক ক্ষতরি পাশাপাশি সামাজকি মূল্য বোধরেও অবক্ষয় ঘটছে বলা যায়। সৌখনিতা পূরণ করতে গয়িে অভভিাবক যনে নজি সন্তানদরে হাতে অজান্তে তুলে দচ্ছিে র্স্মাট ফোন। কোমলমতি এই শক্ষর্িাথীরা এমন তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারইে হারয়িে ফলেছে সৃৃৃজনশীলতা এবং বাড়ছে উগ্রতা। বলতইে হয় য,ে সারা বশ্বিরে মানুষদরে মাঝে বভিন্নি প্রযুক্তি পণ্য ছড়য়িে দলিওে তরৈী কৃত ব্যক্তরি পরবিার এর ক্ষত্রেে এসবরে ভূমকিাটা ছলিো একবোরইে উল্টো। তাদরে উঠতি বয়সরে সন্তান’রা কোনো ভাবইে যনে প্রযুক্তরি সংর্স্পশে আসতে না পার।ে সইে বষিয়টওি নশ্চিতি করছেলি এই প্রযুক্তি বশ্বিরে ‘দুই দকিপাল’।২০১১ সালে নউি ইর্য়ক টাইমসকে দয়ো একটি বৃহৎ সাক্ষাৎকারে স্টভি জবস বলে ছলি, তাঁর সন্তানদরে জন্য আইপ্যাড ব্যবহারে একবোরইে নষিদ্ধি।

শহররে ছলে-েময়েদেরে পাশাপাশি গ্রামাঞ্চলে তরুণ প্রজন্মরে বহু ছলেমেয়েরোও এখন মোবাইল ফোনে ফসেবুুক, ইউটউিব ও গুগলে প্রবশে করে খুব মজা করছ।ে তবে এই মজার মধ্যে তারা শুধু যে সীমাবদ্ধ থাকছে তা নয়। তারা রাতদনি নটেে গমেস খলেছ।ে বলা যায় য,ে এ মজার আনন্দ গ্রামরে চয়েে শহরইে অনকে বশেী। এক র্পযবক্ষেণে দখো যায় যে গ্রামরে তরুণ প্রজন্মরে ছলেরো সন্ধ্যায়, অন্ধকার পরবিশেে একটি নর্জিন স্থানে জটলা হয়ে খুুব পাশাপাশি বসে নজিস্ব মোবাইলে গমে খলোর পাশা পাশি ফসেবুুক, ইউটউিব বা গুগলে কু-রুচি র্পূণ ভডিওি চত্রি দখেইে যনে আনন্দ উপভোগ করছ।ে জানা দরকার যে এই দশেরে মানুষদরে সুযোগ সুবধিা জন্যে এ সরকার ৯ কোটরি বশেইি ইন্টারনটে সংযোগ দয়িছে।ে র্বতমান সরকাররে তথ্য যোগাযোগপ্রযুক্তি বভিাগরে হসিাবে ফসেবুক ব্যবহার করছে প্রায় ৩ কোটি মানুষ। এমন
ইন্টারনটে সংযোগে সকল জনগণকে সচতেন করে দশে উন্নয়নরে দকিে এগয়িে নয়িে যাচ্ছে কন্তিু দখো যাচ্ছে তরুণ প্রজন্মরে ছলেমেয়েরো তা অপব্যবহার করে ‘চন্তিা চতেনার অবক্ষয়’ যনে নজি থকেইে সৃষ্টি করছ।ে এই বাংলাদশেরে সচতেন কংিবা অসচতেন ফসেবুক ব্যবহারকারীর শতকরা তরিানব্বই ভাগরে বয়সই হচ্ছে ১৮ থকেে ৩৪ বছররে মধ্য।ে সুুতরাং এ বশিাল জন গোষ্ঠী “ফসেবুকরে সঙ্গে সম্পৃক্ত” হয়ইে সামাজকি পরর্বিতন লক্ষ্য করাও যাচ্ছ।ে পক্ষান্তর,ে এমন তরুণরা মথ্যিা গুজব এবং অপপ্রচার চালয়িে অসচতেন জনগণকে বভ্রিান্ত করছ।ে পড়া শোনাকে নষ্ট করে বশিাল এক তরুণ গোষ্ঠী ফসেবুকরে প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছে এবং রাজনতৈকি চতেনার নামইে যনে ছোট বড় গোষ্ঠী সৃষ্টি করে সহংিসতার দকিে ধাবতি হচ্ছ।ে

বাবা-মা তাদরে সন্তানদরেকে ভালোবাস,ে সন্তানরে ছোট বড় সৌখনি চাহদিাও পুুরণ করে থাক।ে কন্তিু-ছলেমেয়েদেরেকে যনে সখরে মোবাইল ফোন কনিে দয়িে অজান্তে ভবষ্যিত নষ্ট করছ।ে রাষ্ট্রীয়ভাবে এই ব্যাপারে কোনো ধরনরে বকিল্প পথে সুযোগ রয়ছেে কি নইে তা জানা নইে। তবে এই ব্যাপারে বাংলাদশে টলেযিোগাযোগ নয়িন্ত্রণ কমশিনরে (বি টি আর স)ি চয়োরম্যান মো. জহুরুল হক বলছেে য,ে সামাজকি যোগাযোগ মাধ্যম ফসেবুক বন্ধ করে দওেয়ার জন্য বি টি আর সরি কোনো সক্ষমতা নইে। তবে সরকার বা বটিআিরসি ‘ফসেবুককে অনুরোধ’ করতে পার।ে ফসেবুক ব্যবসা করতে এই দশেে এসছে।ে ফসেবুক কতৃৃপক্ষ বলনে যে ১৮ বছররে নচিরে ছলেমেয়েরো তাদরে গ্রাহক। আবার ৬৫ বছররে সকল মানুষরাও একই ধরনরে গ্রাহক। ফসেবুক কন্তিু সব অভযিোগ ববিচেনায় নতিে বাধ্য নয়। ফল,ে প্রযুক্ততিে ভালোর চয়েে দনিে দনিে খারাপরে দকিইে যনে ঝুঁকে পড়ছে তরুণ প্রজন্ম। গবষেকদরে এক সদ্ধিান্ত, সামাজকি যোগাযোগমাধ্যমে যনে অতমিাত্রায় বচিরণরে ফলে মাদকাসক্তরি মতো খারাপ ফলাফল প্রকাশ পাচ্ছ।ে
অনতৈকি অবক্ষয় থকেে মানসকি ভারসাম্য হারয়িে ফলেছ।ে কোমলমতী বহু ছলেে ও ময়েদেরে আচার আচরণরে পরর্বিতনও হচ্ছ।ে আবার এও দখো যায় যে “হাতে মোবাইল পয়ে”ে তারা ঠকি মতো বাসাতইে থাকতে চায় না। উড় উড় মন, লখোপড়াতে মনযোগ দতিইে চায় না। পড়ার টবেলি,ে ঘুমরে ঘরে এমন কি খতেে বসওে ফোন চালাতে দখো যায়। এক কথাতে আস,ি যখনই তাদরে দখো যায়, ঠকি তখনই তাদরে হাতে ফোন নামক যন্ত্রটি থাকা চাই। বয়ঃসন্ধি কালে পৌঁছার আগে ছলেে ময়েরো যনে বহু নোংরা কাজে লপ্তি হচ্ছ।ে মোবাইলে আসক্ত হয়ওে তারাই প্রকাশ্য দবিালোকে অন্যদরে মারপটি, খুন, গুম কংিবা র্ধষণ করছ।ে

তরুণ প্রজন্মরে সব ছলেমেয়েরো তাদরে মোবাইলে গমেরে পাশা পাশি ইন্টারনটেওে অনকে বশেি সময় কাটাচ্ছে সহেতেু তাদরে মস্তষ্কিওে নাকি রাসায়নকি পরর্বিতন ঘটছ।ে এ আসক্ততিে তাদরে মধ্যে হতাশা এবং উদ্বগেও সৃষ্টি হচ্ছ।ে এই বষিয়রে প্রতি অবজ্ঞা না করে তাদরে প্রতি কঠনি দৃষ্ট দতিে হব।ে সুতরাং-গ্রাম হোক আর শহরই হোক না কনে, বাবা মা এবং তাদরে বড়দরে উচৎি ঘর-েবাহরিে তারা কি করছ।ে রাত্রি বলো না ঘুময়িে গমে খলেছে কনিা। লখোপড়া শষে করে রাত ১০টায় ঘুময়িে পড়ত যারা তারা রাত ১২টা বা এক টাতওে ঘুমাতে যায় না। ঘুমানোর ঘরে বালশিরে নচিইে রাখে ফোন। সারাক্ষণই ফোন আর ফোন। গবষেকদরে গবষেণায় জানা যায় য,ে ঘুমরে আগইে মোবাইলরে ‘ডসিপ্লরে আলোক রশ্ম’ি ঘুমরে হরমোনকে নাকি অনকে বাধা সৃষ্টি করে থাক৷ে তাই মা বাবাদরে প্রতি গবষেকদরে পরার্মশ হলো:- ঘুমরে আগে যদি সন্তানকে এই ধরনরে প্রযুক্তরি সংর্স্পশে আসতে দওেয়া হয় তা হলে খুব ক্ষতি হব।ে অবশ্যই সন্তানদরেকে ‘অহতেুক অথবা অকারণ’ে এ ধরনরে ইলকেট্রোনক্সি যন্ত্র ব্যবহারে বাধা দওেয়া প্রয়োজন। ঘুম না হলে অসুস্থভাবে বডে়ে ওঠা সকল কমলমতি তরুণ তরুণীদরে বহু ক্ষতি হয়। পরপর্িূণ ঘুম না হলে যে তাদরে অমূল্য সম্পদ ‘স্মৃতি শক্তরি স্বাভাবকিতা’ বনিষ্ট হব।ে সুতরাং সঠকি সময়ইে যথাযত কাজরে সমন্বয়ইে সন্তানদরে গড়ে তোলা দরকার।

জানা যায় যে ফসেবুক র্কতৃপক্ষ বলছ,ে ১৩ বছররে নচিে “ফসেবুক আইড”ি খুলতে পারবে না। কন্তিু এই চোতুর ছলেে ময়েরো বাবা-মা ও আত্মীয়-স্বজনদরে ভোটার আইডি দয়িে ‘মোবাইল সমি’ ক্রয় করে নজি বয়স বাড়য়িে ফসেবুক আইডওি খুলে ফলেছ।ে ‘১৮ বছর’ বয়সরে নচিে ৬৫ ভাগ ছলেমেয়েরো ফসেবুক ব্যবহার করছ।ে ব্যবহাররে ক্ষত্রেে এ সব ‘মুঠোফোন বা ইলকেট্রোনক্সি’ যন্ত্ররে মতো- বহু বদঅভ্যাসকইে চহ্নিতি করে তাকে পরহিার করতে হব।ে বাংলাদশে সরকার চাইলে ফসেবুকরে মতো জনপ্রয়ি ব্রাউজার তরৈি করে সমাজকে নয়িন্ত্রণ করতে পার।ে অবশ্যই বটিআিরসি ইচ্ছা করলে এ ফসেবুকরে ওপরে বয়স ভরেফিকিশেন করতে পার।ে এই দশেরে সামাজকি অবক্ষয় প্রতরিোধ করে ভবষ্যিত প্রজন্মকইে ভালো জায়গায় পৌঁছাতে হব।ে সুতরাং বাংলাদশে সরকার র্দীঘময়োদি পরকিল্পনা করে ‘চীনরে মতো ব্রাউজার’ তরৈি করে নয়িন্ত্রণ করতে পারে বলইে মনে করছনে আইসটিি বশিষেজ্ঞরা। এই ব্যাপারে আমাদরে দশেে তমেন কোনও গবষেণা প্রতষ্ঠিান নইে বলইে জানান আইসটিি বশিষেজ্ঞরা। আরও বলনে য:ে- ফসেবুক, টুইটার, ইউটউিব-সহ বভিন্নি ধরনরে প্রযুক্তি আসার আগে সটেি সর্ম্পকে ইতবিাচক ধারণা দয়ো হচ্ছে না তরুণদরে। এজন্যই সমাজ ও কালচার রক্ষা করতে হলে ফসেবুক, গুগল, ইউটউিব বা টকিটকে নয়িন্ত্রণ করা জরুর।ি লখেক: নজরুল ইসলাম তোফা, টভিি ও মঞ্চ অভনিতো, চত্রিশল্পিী, সাংবাদকি, কলামষ্টি এবং প্রভাষক’।