নদী ভাঙন ঝুঁকিতে গাবুরার সরকারি দৃষ্টিনন্দন প্রকল্প


প্রকাশিত : August 1, 2019 ||

নিজস্ব প্রতিনিধি: ২০০৯ সালে আইলায় সমগ্র গাবুরাসহ বিভিন্ন অঞ্চল প্লাবিত হলে সরকারি দৃষ্টিনন্দন প্রকল্পটি অক্ষত ছিলো। কিন্তু সম্প্রতি নদী ভাঙনে প্রকল্পটি মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়েছে। এতে করে প্রকল্পটি বিলিন হয়ে যেতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। নদী ভাঙন রোধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে এলাকাবাসী ইতোমধ্যে শ্যামনগর উপজেলা প্রশাসনের কাছে আবেদন জানিয়েছেন। উপজেলা প্রশাসন ব্যবস্থা গ্রহণের আশ^াসও দিয়েছেন।
জানা গেছে, শ্যামনগর উপজেলার দ্বীপ ইউনিয়ন ১২ নং গাবুরার ৯ নং সোরা গ্রামের খোলপেটুয়া নদী অববাহিকায় অবস্থিত সরকারি দৃষ্টিনন্দন প্রকল্প। বর্তমানে প্রকল্পের সীমানা রাস্তার ভিতরে তিনধারে খাল, ফসলী জমি, নানা জাতের বৃক্ষ, খাবার পানির পুকুর, সাইক্লোন শেল্টার কাম প্রাইমারী স্কুল, মসজিদ ও হাফিজিয়া মাদ্রাসা রয়েছে। ২০০৩ সালে দৃষ্টিনন্দন ইকোপার্কের আদলে সরকারিভাবে নদীরচরে তৈরি হয় এই স্থাপনা। গ্রামের মানুষের সর্ববৃহৎ সমস্যা খাবার পানির সমস্যা সমাধানকল্পে জনদাবীর প্রেক্ষিতে দৃষ্টিনন্দন স্থাপনা তৈরি হয়। ২০০৯ সালে গাবুরা প্লাবিত হলেও দৃষ্টিনন্দন অক্ষত থাকে। হাজার হাজার বিপন্ন পরিবার এখানে খাবার পানির পুকুরের পানি পান করেছে এবং অদ্যাবধি গ্রামবাসি পান করে। কিন্তু গত ২ মাস আগে খোলপেটুয়া নদীর দিক পরিবর্তন হওয়ায় ভয়াবহ নদীভাঙনে কয়েক শ’ মিটার নদীর চর বিলীন হয়ে যায়।
প্রকল্পের পশ্চিম পাশের রাস্তা নদী ভাঙনে ঝুঁকির মুখে স্থানীয় ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শেখ আজিজুল ইসলাম ও দৃষ্টিনন্দন জামে মসজিদের সভাপতি মো. ইউনুচ গাজী জানান, এই মুহূর্তে ভাঙন রোধে এগিয়ে না এলে প্লাবিত হতে পারে প্রকল্পের ভিতরের সকল প্রতিষ্ঠান ও গাবুরার প্রধান খাবার পানির পুকুরটি। ভাঙনের প্রভাবে প্রকল্প থেকে হরিসখালী ঘাট পর্যন্ত ২ কিলোমিটার নদীরচর ভেঙে ওয়াপদার রাস্তার পার্শ্ব পর্যন্ত ঝুঁকির সৃষ্টি করেছে।
সরকারিভাবে রাস্তার কাজটি হলেও নেওয়া হচ্ছে না ভাঙন রোধের উদ্যোগ। ইউনিয়নবাসির দাবী দৃষ্টিনন্দন প্রকল্প সংলগ্ন ভাঙন অংশটি জরুরী ভিত্তিতে সংস্কার করার উদ্যোগ নেওয়া।