বেনাপোল সীমান্তের কুরবানীর পশুর হাট জমজমাট হলেও দাম কম: লোকসানের মুখে খামারী ও ব্যবসায়িরা


প্রকাশিত : August 1, 2019 ||

এম এ রহিম, বেনাপোল (যশোর): আর মাত্র ১০দিন পর কুরবানীর ঈদ। দেশী বিদেশী পশুতে জমজমাট শার্শা নাভারন ও সাতমাইল পশুর হাট। তবে এবার ধানের দাম কমসহ বন্যার কারনে বাজার মন্দা পশুর দাম কম। ভারতীয় গরু কম আসায় স্থানীয় গরু ছাগলে ভরে গেছে পশুর হাট। লোকসানের মুখে খামারী ও ব্যবসায়িরা।
সীমান্তে বিজিবি বিএসফের কড়াকড়িতে যশোরের শার্শায় কুরবানীর পশুর হাটে তেমন আসেনি ভারতীয় গরু। এলাকার খামারে স্বাস্থ্য সম্মত উপায়ে উৎপাদিত পশুতে ভরে গেছে হাট। ৩০হাজার থেকে ১ লাখ টাকার মধ্যেই মিলছে কুরবানীর পশু। ১কুইন্টাল ওজনের গরুর দাম ৪০ থেকে ৪২ হাজার টাকা। ৫থেকে ৬মন ওজনে গুরুর দাম পড়ছে এক লাখ টাকা। বড় গরুর চাহিদা কম। অন্য বছরের ন্যায় এবছর কুরবানীর পশুর হাটে পর্যাপ্ত গরু আসলেও ক্রয় বিক্রয় কম। আসছে না বাহিরের ব্যাপারি। দেশের বিভিন্ন স্থানে বন্যা ও ধানের কম দামের কারনে ক্রেতা কম। কম দামে গরু বিক্রি করে লোকসানের মুখে তারা।
স্থানীয় গরু চাষী আজিজুল ও মোনায়েম হোসেন বলেন কৃষকরা ধান বিক্রিকরে দাম পাচ্ছেনা। ফলে কুরবানীতে করতে পারছেনা তারা। কিছু ব্যবসায়ি ও চাকুরীজীবি শিক্ষকরা কিনছেন পশু। তবে ছাগলের বেচাকেনা ভাল।
গরু ব্যবসায়ি আব্দুল কাদের তাপস পাল ও জগদিস বলেন, বাজারে পশুর আমদানি বাড়লেও বাজার মন্দা। দাম পাচ্ছেনা তারা লাভবান হচ্ছে ক্রেতা। লোকসানের মুখে চাষী ও ব্যবসায়ি। ৫টি করে গরু বিক্রি করে উঠেনি আসল। লস গুনতে হচ্ছে তাদের।
কুরবানীর ঈদকে টার্গেট করে যত দিন যাচ্ছে ততই বাড়ছে পশুর যোগান। প্রতিহাটে বিক্রি হচ্ছে ৫হাজার পশু। সামনের দিনগুলোতে আরো পশু আমদানির আশা বাজার কর্তৃপক্ষের। ভারতীয় গরু আসা বন্ধ হওয়ায় বেড়েছে পশুর খামার। দেশীয় গরুতে মিটছে কুরবানীর চাহিদা। তবে ঈদের পরে গুরু দাম চাঙ্গার আশা প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরের।
বাগআচড়া সাত মাইল পশু হাট মালিক চেয়ারম্যান ইলিয়াজ কবির বকুল বলেন, প্রচুর পরিমানে দেশী পশু আসছে হাটে। অনেকে কমদামেও বিক্রি করছেন পশু। বেচাকেনা দিন দিন বাড়ছেন বলে জানান তিনি। তবে পশু হাটে কোন মেডিকেল টিমকে দেখা যায়নি। ব্যানার সাটানো হয়েছে। জনবল সকটে প্রতি হাটে থাকছে ম্যাডিকেল টিমের সদস্যরা। ফলে রুগ্ন পশু ও স্বাস্থ্যহীন পশু বেচাকেনার অভিযোগ এলাকাবাসি।