শার্শার জন্মান্ধ তাপস বহুগুনের প্রতিভা ছড়াচ্ছেন: পেয়েছেন ক্রেষ্ট ও সন্মাননা প্রত্র


প্রকাশিত : আগস্ট ৩, ২০১৯ ||

এম এ রহিম, বেনাপোল (যশোর): পৃথিবীর আলো বাতাস পেলেও দেখিনি এ জগত। পৃথিবী না দেখার আশ্বাদন আবেগ তাড়িত করলেও থেমে থাকেনি প্রতিভা। নিজের জ্ঞান চক্ষু দিয়ে ছোট বেলা থেকেই একাই চলছে এ জগত সংসারে। তেমনি একজন বহুগুনের প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন শার্শার জন্মান্ধ তাপস কুমার দেবনাথ। শিল্পে পেয়েছেন একাধিক স্বীকৃতি। তার বড় বোনই উৎসাহ প্রেরণা ও বেঁচে থাকার সাহস যুগিয়েছে। পরম আদর যতœ ও ¯েœহ ভালবাসা দিয়ে তাপসকে গড়ে তুলছেন করছেন স্বাবলস্বি। তার গানে বিমোহিত হয়ে অনেকে আসছেন তার সন্ধিধ্বে। সাইকেল চালানো, ম্যাশিন চালানো, বাদ্যযন্ত্র বাজানো, বাবার জন্য মাঠে খাদ্য নিয়ে যাওয়াসহ বিভিন্ন কাজ করে চলেছেন তাপস। তার বাজানো গানেও সুরে মুগ্ধ এলাকার মানুষ।
যশোরের শার্শা উপজেলার নারানপুর গ্রামের জগদিস চন্দ্র দেবনাথ-মিনতি দেবনাথের দুটি পুত্র ও একটি কন্যা। দুই পুত্রই জন্মান্ধ। পৃথিবীর আকার আকৃতি রং পরিবেশ শিক্ষা সাংস্কৃৃতি কিছুই দেখিনি তারা। বড় ছেলে তাপস কুমার দেবনাথ ছোট বেলা থেক্ইে তার জ্ঞান চক্ষুদিয়ে একের পর এক কাজ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। কোন প্রতিষ্টানিক শিক্ষা ছাড়ায় নিজেই আয়ত্ব করেছেন অনেক কিছু। যশোর খুলনা ও ঢাকায় বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহন করে, নজরুল সঙ্গিত, আব্দুল আলীম, জসিম উদ্দিন, ধ্রপদি পরিষদ পদকসহ তাপস পেয়েছেন একাধিক স্বিকৃতি ও সন্মাননা ক্রেষ্ট। তার বাড়িতে প্রতি দিনে-রাতে বসে বিভিন্ন গানের আসর-তার জ্ঞান চর্চা ও প্রতিভায় খুশি পরিবারের সদস্যরাসহ এলাকার মানুষ।
তার প্রতিভা আরো বিকশিত হোক-দেশ ও জাতির জন্য বয়ে আনুক সন্মাননা-তার প্রতিভার ছড়িয়ে পড়–ক বর্হিবিশ্বে-এমটাই আশা প্রতিবেশীদের। চোখে দেখেনা স্বাভাবিক মানুষের মতো পারেনা চলতে তাদের উন্নত ভবিষ্যত ও ডেভলপের জন্য করে যাচ্ছেন চেষ্টা সকলের সহযোগিতা চান-তবে তার কন্ঠ ও প্রতিভায় মুগ্ধ-স্বজন এলাকাবাসি সঙ্গিত প্রেমী মানুষ। খুশি তারা। জন্মান্ধ তাপস তার প্রতিভায় দেশের বিভিন্ন অনুষ্টানে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন এতে খুশি পিতা ও মাতা। সরকারের সহযোগিতা চান তারা।
পৃথিবীর কোন স্বাদ পায়নি প্রতিভা দিয়ে করছেন কিছুটা অর্জন-প্রতিভা বিকাশে সরকারসহ সজ্ঞীতের সাথে জড়িতদের সহযোগিতা চান তাপস। সরকার যদি তাকে কোন প্রশিক্ষণ দিয়ে গড়ে তোলেন তাহলে দেশ ছাড়িয়ে বিশ্বে প্রতিভার স্বাক্ষর রাখতে পারবে বলে আশা তারা।
তার দিদি বলেন তাপস সমাজের বোঝা নয় অনুকরণ। আশা আকাঙ্খার প্রতিক। মেধাবী এই প্রতিবন্ধির সাহার্য্যে কেহ এগিয়ে আসিনি। নেয়নি খোঁজ খবর। করেনি সাহার্য্য সহযোগিতা। ত্ইা তার আকুতি তাপসের প্রতি দোয়া ও আর্শিবাদের।
স্বপ্ন সাধ ও ইচ্ছা হলো বড় ধরনের শিল্পী-হওয়া। তার প্রাপ্তিই হলো বাবা মা ও বোনের সন্তষ্টি-অন্ধ তাপসের প্রতিভা বিকাশে সরকারের সহযোগিতা চান পবিবার সহ এলাকাবাসি।