খুলনায় রাজাকার বাহিনীর গণহত্যায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল গণহত্যা জাদুঘরে হস্তান্তর


প্রকাশিত : আগস্ট ৫, ২০১৯ ||

১৯৭১ সালে বাংলাদেশে সংঘটিত ভয়াবহ গণহত্যায় রাজাকার বাহিনী কর্তৃক ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল খুলনাস্থ ‘গণহত্যা-নির্যাতন আর্কাইভ ও জাদুঘরে’ হস্তান্তর করা হয়েছে। এই জাদুঘর দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম ও একমাত্র গণহত্যা জাদুঘর।
মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর দোসর রাজাকার বাহিনী যশোরের মনিরামপুর উপজেলার শ্রী গিরিন্দ্রনাথ ঘোষের বাড়িটি দখল করে রাজাকার ক্যাম্প ও নির্যাতন কেন্দ্র স্থাপন করে। এই কেন্দ্র থেকেই এ এলাকায় একাত্তরের বিভিন্ন সময়ে রাজাকার বাহিনী গণহত্যা চালায়। সেই দখলকৃত বাড়িতে থাকা গিরিন্দ্রনাথ ঘোষের পুত্র অনীল কুমার ঘোষের ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল রাজাকার বাহিনী গণহত্যা-নির্যাতনে ব্যবহার করে। মনিরামপুর ও এর আশেপাশের এলাকায় গণহত্যা পরিচালনা ও বিভিন্ন জায়গা থেকে সাধারণ মানুষকে তুলে নিয়ে আসার কাজে রাজাকার বাহিনী এই মোটরসাইকেলটি ব্যবহার করতো।
অনীল কুমার ঘোষের দুই পুত্র বিপ্লব কুমার ঘোষ এবং দেবাশীষ কুমার ঘোষ একাত্তরের গণহত্যা-নির্যাতনের স্মৃতিচিহ্নস্বরূপ এই মোটরসাইকেলটি গণহত্যা জাদুঘরে ৫ আগস্ট ২০১৯ দান করেছেন। মোটর সাইকেল হস্তান্তর অনুষ্ঠানে গণহত্যা জাদুঘর ট্রাস্টের সভাপতি অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন, ট্রাস্টি ড চৌধুরী শহিদ কাদের, অনীল কুমার ঘোষের দুই পুত্র বিপ্লব কুমার ঘোষ ও দেবাশীষ কুমার ঘোষ, গণহত্যা জাদুঘর সুহৃদ সভাপতি অমল কুমার গাইন সহ অন্যান্য সুহৃদরাও উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, এই জাদুঘরে ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি বাহিনী কর্তৃক সংঘটিত গণহত্যার বহু দুর্লভ নিদর্শন, ছবি ও দলিল সংরক্ষিত আছে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি