শোককে শক্তিতে পরিণত করে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ও অসম্প্রদায়িক সোনার বাংলা গড়ার আহ্বান এমপি লুৎফুল্লাহ’র


প্রকাশিত : আগস্ট ১৬, ২০১৯ ||

মীর মোস্তফা আলী: কলারোয়া উপজেলায় সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালন উপলক্ষে শোক র্যালি, আলোচনা সভা, কোরান তেলাওয়াত, দোয়া অনুষ্ঠানসহ নানা কর্মসূচী পালন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে উপজেলা ফুটবল মাঠে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফিরোজ আহমেদ স্বপনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য ও শোক র্যালিতে নেতৃত্ব দেন সংসদ সদস্য এড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ।
এ সময় তিনি বলেন, স্বাধীনতার সাড়ে তিন বছরের মাথায় আমরা সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হারিয়েছি। তাকেসহ পরিবারের অনেক সদস্যকে হত্যা করা হয়েছে। পাকিস্তানীরা তাকে হত্যা করতে সাহস পায়নি, করেছে আমাদের দেশের মীর জাফরেরা। আর ৪৪ বছর পরে হলেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসার পর খুনিদের বিচারের আওতায় এনে অল্প সংখ্যক ব্যক্তির বিচারের রায় কার্যকর করা হয়েছে। কিন্তু এ হত্যার পিছনে যারা ষড়যন্ত্রকারি ছিল তাদেরকে খুঁজে বের করে বিচারের মুখোমুখি করে জনগণের কাছে তাদের মুখোশ খুলে দিতে হবে, তা না হলে তারা আবারও শেখ হাসিনা ও তার পরিবারসহ মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের মানুষদেরকে তার হত্যা করবে। শুধু আওয়ামী লীগ করলে হবে না, যারা কলারোয়ায শেখ হাসিনার গাড়ী বহরের হামলা করে তাকে হত্যা করতে চেয়েছিল তাদের সাথে কোন নেতা চলাফেরা করে, পাশে বসে সেব নেতাকে চিহ্নিত করতে হবে। মুখে আওয়ামী লীগ আর কার্যক্রম করবেন সন্ত্রাসী, ষড়যন্ত্রকারির সাথে তা হবে না। আসুন তাদেরকে চিহ্নিত করে শোককে শক্তিতে পরিণত করে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ও অসম্প্রদায়িক সোনার বাংলা গড়ার অঙ্গিকার করি।
এ সময় জেলা আওয়ামী লীগের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক আরাফাত হোসেন, পৌর মেয়র মনিরুজ্জান বুলবুল, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান যুবলীগসভাপতি কাজী আসাদুজ্জামান সাহাজাদাসহ ইউনিয়ন চেয়ারম্যানসহ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভা শেষে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সকল শহীদের মাগফেরত কামনা করে দোয়া করা হয়। পরে উপজেলা আওয়ামী লীগ, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগসহ সহযোগি সংগঠনের নেতা কর্মীদের অংশ গ্রহণে একটি শোক র্যালি ফুটবল মাঠ থেকে বের হয়ে উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ হয়।