জামানথ আতিক


প্রকাশিত : আগস্ট ১৭, ২০১৯ ||

প্রিয় পুত্রগণ-
পিতার রক্তপানে যদি তৃপ্ত হৃদয়-
তবে জলশূন্য হোক এ বসুধা- এমন অভিশাপ আমি দেব না কোনদিন-
তোমরা ভালো থেকো-
এ বুকে গুলি চালিয়ে ভেবেছিলে
মুজিবমুক্ত হলো দেশ-
অথচ তোমরা কি জানতে না-
মুজিবের বুকে গুলি লাগা মানেই বাংলাদেশের বুকে গুলি
লাগা-

মুক্ত কণ্ঠে আজ বলছি শোন-
৩২ নাম্বার হতে আমাকে হত্যা করে
যখন তোমরা অট্টহাসিতে ফেটেপড়েছিলে
আর তোমাদের রাইফেলের চিকন আওয়াজে
প্রভাতের কাকেরাও ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে উড়ে গিয়েছিলো দিগ্বিদিক-
আমার রাসেল কেঁদে-কেঁদে অনুনয় জানিয়েছিলো-
আর ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে বলেছিলো-
আমি মায়ের কাছে যাব-আমি মায়ের কাছে যাব-
তোমরা তাকে মায়ের বুকে শুয়ে দিয়ে ব্রাশফায়ার টেনে
তৃপ্তির একটা মুচকি হাসি টেনে ভেবেছিলে – শেষ সব-
অথচ আমি জানি- আমাদের মৃত্যু সংবাদে-
রাসেলের আত্মানাদে গর্ভের শিশুরাও উঠেছিলো কেঁদে
আর তখনই তারা শপথ নিয়েছিলো এই বলে-
প্রতিটি ঘরে আমরাও হবো এক একটা রাসেল-

বাংলার শহর-গ্রাম-গঞ্জের পথ ধরে আমি হেঁটেছি-
যেখানে গিয়েছি, যেখানে রয়েছে আমার পদচিহ্ন –
আর কণ্ঠ শুনেছে যে শিশু-
৩২ নম্বরের সিঁড়ি বেয়ে যে রক্ত বয়ে চলেছে বুড়িগঙ্গা হয়ে
শীতলক্ষ্যার তীর ধরে পদ্মা- মেঘনা-যমুনা-ব্রহ্মপুত্র
আমার মধুমতি-ইছামতী-কালিন্দী-বেত্রবতী হয়ে
’যে রক্ত মিশেছে বঙ্গপোসাগরের জলে-‘
সে রক্তের শপথ-
এই পলিতেই জন্ম নেবে লাখ-লাখ মুজিব আর রাসেল
আর গোলাপ হয়ে ফুটবে তারা-

প্রিয় পুত্রগণ-
তোমরা যারা আমাকে হত্যা করলে-
তখন তোমাদের কী হবে!

আমার রক্তে পবিত্র দেশ-
পথ হারাবে না আগামীর বাংলাদেশ ‘
#জয়থবাংলা

এ কেমন ভালোবাসা
এসকেএইচ সৌরভ হালদার

এ কেমন ভালোবাসা
যখন তুমি কান্না করো
আকাশ জুড়ে বৃষ্টি ঝরে
কথা নয় নিরবতাই প্রকাশ করো
প্রস্তর এর শিখাখন্ডন,
পরিতাপের ক্রন্দন।

ললাট জুড়ু আছে লেখা
তোমার এই নিয়তির খেলা
অম্বর জুড়ে প্রতিক্ষা করো
আসবো আমি অভিলাষ হয়ে,
শঙ্কিত এ মনে,তোমার ক্ষনে।