কাশিমাড়ী ইউনিয়ন পরিষদে ছাদ কৃষি


প্রকাশিত : আগস্ট ২১, ২০১৯ ||

রবিউল ইসলাম, কাশিমাড়ী (শ্যামনগর): শ্যামনগর উপজেলার কাশিমাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের ছাদে ইউপি চেয়ারম্যানের প্রচেষ্টায় ‘ছাদ-কৃষি’ গড়ে উঠেছে।
ইউনিয়ন পরিষদের বাস্তবায়নে এবং ইউপি চেয়ারম্যান এসএম আব্দুর রউফের ব্যক্তিগত উদ্যোগে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রযুক্তিগত সহায়তায় ছাদ কৃষির আওতায় ইউনিয়ন পরিষদের ছাদে আধুনিক উন্নতমানের ফল বাগান গড়ে উঠেছে। চেয়ারম্যান এসএম আব্দুর রউফ শখের বশে ইউনিয়ন পরিষদের ছাদে গড়ে তুলেছেন এই ফল বাগান।
পরিষদের আশেপাশে ও ভবনের ২য় তলায় প্রায় অর্ধশত টবে বাগানটি সাজানো হয়েছে। এতে ফলজ, ওষধি ও বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষও করা হয়েছে।
চেয়ারম্যান ছাড়াও তাঁর পরিষদের সদস্যরা এই বাগান পরিচর্চা করে থাকেন। ২০১৬ সালে প্রথম ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর পরিষদের ছাদে নিজ উদ্যোগে গড়ে তোলেন এ বাগানটি।
বাগান জুঁড়ে রয়েছে মালটা, আম, লেবু, কমলা, ডালিম, সফেদা, জাম্বুরা, কমলা, পেয়ারা, বেল, কতবেল, কামরাংগা, আমড়া, তেঁতুল, বড়ূই, আতা প্রভৃতি।
অন্যান্য গাছের মধ্যে রয়েছে তুলসি, নিম। ফুল গাছের মধ্যে রয়েছে গোলাপ, গাদা, বেলী, পাতা বাহার, রক্তজবা, হাসনা হেনা, বাগান বিলাস, তালপাম্প সহ বিভিন্ন প্রজাতের ফলজ ও ঔষধি গাছ রয়েছে।
কাশিমাড়ী পরিষদের চেয়ারম্যান এসএম আব্দুর রউফ বলেন, আমি শখের বশে ছোট বেলা থেকে বাড়ির আশেপাশে গাছ রোপন করতাম। কর্মজীবনে আফ্রিকায় জাতিসংঘ হাসপাতালে অবস্থানকালীন সময়েও বৃক্ষরোপণ করেছি। এলাকায় ফিরে নিজবাড়িতেও গাছ রোপণ করেছি। চেয়ারম্যান হওয়ার পরও গাছ বাগান না করে থাকতে পারলাম না। কাশিমাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ হতে ঝাপালী পর্যন্ত রাস্তার দু’ধার দিয়ে দৃষ্টিনন্দন শোভাবর্ধনকারী বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম অব্যাহত আছে। এছাড়াও কাশিমাড়ী ঐতিহ্যবাহী দিঘীর পাড়েও আধুনিক প্রযুক্তিতে বৃক্ষরোপণ করার পরিকল্পনা নিয়েছি।
ব্যস্ততার মাঝে এ গুলো বেশ ভালো লাগে তাই পরিষদের ছাদে সহ এসব জায়গায় গাছ রোপণ করছি।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা শেখ কামরুল হাসান বলেন, পরিষদের ছাদে বাগানটি আমি পরির্দশন করে দেখেছি। মাঝে মধ্যে খোঁজ খবর নিই। কাশিমাড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের মতো যদি অন্যরা ইউনিয়ন পরিষদের আশেপাশে ও ছাদে বাগান তৈরী করে তাহলে সৌন্দর্যের পাশাপাশি বিভিন্ন সময় পরিবারের ফল ও সবজির চাহিদা মেটানো সম্ভব।