শাল্যে ও মাছখোলা এলাকায় মাদক ব্যবসায়ী ও হত্যা মামলার আসামীদের দৌরাত্ম: পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা


প্রকাশিত : আগস্ট ২৭, ২০১৯ ||

সংবাদদাতা: সাতক্ষীরা সদরের ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নের শাল্যে ও মাছখোলা এলাকায় মাদক ব্যবসায়ী, মাদক সেবি, নাশকতা ও হত্যা মামলার আসামীদের দৌরাত্ম বৃদ্ধি পেয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
জানা গেছে, এ সকল ব্যক্তিরা ইতোপূর্বে একাধিক হত্যা, নাশকতা, মাদক বিক্রি, মাদক সেবি ও চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলায় গ্রেপ্তার হওয়ার পর জামিনে মুক্তি পেয়ে পুনরায় বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।
সেই সাথে কেরামবোর্ড ও জোয়ার আসর বসিয়ে এলাকার উঠতি বয়সী ছেলেদের সর্বশান্ত করে ও এলাকার পরিবেশ নষ্ট করে ফেলার উপক্রম হয়েছে। এতে এলাকার মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। কিন্তু মানুষ তাদের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকাবাসী জানান, সম্প্রতি ইয়াবা ও গাজা ব্যবসায়ী সুকুমারের পুত্র, নিমাই, নির্মল সরদারের পুত্র উজ্জল সরদার, মৃত খাদেম আলীর পুত্র আরশাদ আলী, মৃত নুর আলীর পুত্র সিরাজুলসহ আরো অনেকে গ্রেপ্তার হওয়ার পরে জামিনে মুক্তি পেয়ে প্রশাসনের তোয়াক্কা না করে বহাল তবিয়তে তারা বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। এদের সহযোগী হিসেবে শাল্যে গ্রামের মৃত খোদা বক্সের পুত্র মাদক সেবি ইসলাম মোল্লা, ইসলাম মোল্লার পুত্র ওসমান, সুকুমারের পুত্র মিলন, বিমলের পুত্র লক্ষণ, গৌর পদ গাইনের পুত্র শুটকো গাইন, মোকাম আলীর পুত্র শামছুর রহমান, আব্দুল হাই এর পুত্র কামরুল ইসলাম, আবু বকরের পুত্র ময়নুল, ওসমান গাজির পুত্র মফিজুল ইসলাম, সিফাতুল্লাহর পুত্র ইউসুফ আলী, মোজাম আলীর পুত্র হাফিজুল ইসলাম, আরশাদ আলীর পুত্র রফিক, বজলুর রহমানের পুত্র রাব্বি, মান্নান ঢালীর পুত্র মিলন, কাশেম আলীর পুত্র হাসান, মান্নান ঢালীর পুত্র বেলাল হোসেনসহ আরো অনেকে। আরো ২০/২৫ জনের সংঘবদ্ধ চিহ্নিত মাদক সেবি তারা অত্র এলাকার প্রায় ডজন ডজন হত্যা নাশকতা ও মাদক বিক্রেতা মামলা আসামীদের সহযোগিতায় এ সব অপরাধ কর্মকান্ড সংঘটিত করে যাচ্ছে। এসকল অপরাধীরা লেবাস পাল্টিয়ে প্রতিদিন রাতে জোয়ার আসর বসিয়ে এলাকার পরিবেশ দূষণ করে তুলেছে। এলাকাবাসী অবিলম্বে এ সকল অপরাধীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।