বৃষ্টির দেখা নেই: শার্শায় লক্ষমাত্রার ২২ হাজার হেক্টর জমির মধ্যে আমন চাষ হয়েছে ৭শ’ হেক্টরে


প্রকাশিত : আগস্ট ৩১, ২০১৯ ||

এম এ রহিম, বেনাপোল (যশোর): যশোরের শার্শা ও বেনাপোলে বৃষ্টির অভাবে ধান চাষ করতে পারছেনা কৃষকেরা। প্রখর রোদ্রে মাঠ ফেঁটে চৌচির হয়ে গেছে। অনেকে নলকুপ চালিয়ে আমন ধানের আবাদ করছেন। তিনগুন কমে গেছে ধান চাষ। ব্যয় বাড়ায় লোকসানের আশংকা চাষীদের।
দেশের অন্যান্য স্থানে যখন চলছে বন্যা তখন বৃষ্টির অভাবে চলতি মৌসুমে ধান চাষ করতে পারছেনা বেনাপোলের চাষীরা। অনেকে জীবন জীবিকার তাগিদে টাকা খরচ করে শ্যালো ম্যাশিন ও মটর চালিয়ে জমিতে সেচ দিয়ে করছেন ধান চাষ। ফলে দু:খ কষ্টসহ ব্যয় বাড়ছে কৃষকের। তেল সার ও আমন চাষে খরচ বাড়ায় নাভিশ্বাস বাড়ছে এলাকার চাষীদের। লোকসানের আশংকা তাদের। এ বছর ২১ হাজার ৮শ ৪০ হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষের লক্ষমাত্রা নেওয়া হলেও চাষ হয়েছে মাত্র ৭শ হেক্টর জমিতে।
বৃষ্টির অভাবে সব জমি চাষ করতে পরেনি বেনাপোল ভবেরবেড় গ্রামের কৃষক আদম আলী। সংসারের তাগিদে দায় দেনা করে অনেক কষ্টে ২৫ কাঠা জমিতে করেছেন ধান চাষ। এমন অবস্থা অনেক চাষীর। ভরা মৌসমে বৃষ্টি নেই সেচ দিয়ে করছেন ধান চাষ। তারপরও ধান ও পাটের দাম কম, মুখে নেই হাসি কষ্ট ও লোকসানের মুখে তারা।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা গৌতম কুমার শীল বলেন, শার্শা উপজেলায় ৭শ হেক্টর জমিতে হয়েছে ধান চাষ। পানির অভাবে জমিতে সেচ দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন কৃষি বিভাগ। ফলন ভাল হওয়ার আশা কৃষি কর্মকর্তার। শার্শা উপজেলায় ২১ হাজার ৮শ ৪০হেক্টর জমিতে চাষের লক্ষমাত্রা নিয়ে ৭শ হেক্টর জমিতে হয়েছে ধান চাষ।