যশোরের শার্শায় গৃহবধু ধর্ষণ: সরেজমিনে কেন্দ্রীয় বিএনপির ১০ সদস্যের প্রতিনিধিদল


প্রকাশিত : সেপ্টেম্বর ৬, ২০১৯ ||

বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরে শার্শায় এক গৃহবধুকে পুলিশ কর্মকর্তাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে নির্যাতনের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন ওই গৃহবধু। শুক্রবার দুপুরে কেন্দ্রীয় বিএনপির ১০সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল শার্শার লক্ষণপুর পরিদর্শন করেছে। সুষ্ঠু বিচারের দাবী জানান তারা। এসময় স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে কথা বলেন নির্যাতত গৃহবধু হীরা। তিনি বলেন, দারোগা খাইরুল নিয়মিত টাকা নিয়ে যেত তার কাছ থেকে। তাকে ভালই চেনেন। ঘটনার দিন গভীর রাতে দারোগাসহ ধর্ষকরা আসে। মুখ ও চোখ বেধে ধর্ষণ করা হয় তাকে। যশোর এসপির সামনে চোখ রাঙায় খাইরুল। ফলে পুলিশের ভয়ে প্রকৃত ঘটনা বলতে পারেন নি। আসামীদের রিমান্ডে এনে ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবী করেন তিনি।

উল্লেখ্য, পুলিশ সোর্সসহ ৪জনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করেন বাদী। এ ঘটনায় অভিযুক্ত তিনজনকে আটক করে পুলিশ। তিন জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত একজনসহ চারজনের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার রাতে এ মামলা করেন ওই নারী। এএসআই খাইরুলকে যশোর পুলিশ লাইনে ক্লোজড করা হয়েছে। ঘটনা তদন্তেÍ তিন সদস্যের কমিটি গঠন করে জেলা পুলিশ। পরে যশোরে তার মেডিকেল রিপোর্টে ধর্ষণের আলামত মেলে।

কেন্দ্রীয় বিএনপির নেত্রী এড. নিপূন রায় চৌধুরী বলেন, দারোগা  খাইরুলকে এ মামলায় বাঁচানোর জন্য চেষ্টা চালানো হচ্ছে। ভিকটমকে ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। বাড়িতে থাকতে পারছে না সে। আশেপাশের মানুষ মুখ খুলতে পারছে না। বিষয়টি মিডিয়ার মাধ্যমে প্রকাশ হয়ে পড়েছে। তাকে যদি গ্রেপ্তার না করা হয় তাহলে বিএনপি ঘরে বসে থাকবে না। কোন মৌলিক অধিকার হরণ মেনে নেবেনা তারা। বিচারবিভাগীয় তদন্তের দাবী করেন তিনি। এএসপি জুয়েল এমরান বলেন, ঘটনার তদন্ত চলছে। প্রকৃত আসামী কেউ ছাড় পাবেনা।