বিনা ধান-১৯ সম্প্রসারণ ও প্রচারের লক্ষ্যে ফসল কর্তন ও মাঠ দিবস


প্রকাশিত : সেপ্টেম্বর ৯, ২০১৯ ||

নিজস্ব প্রতিনিধি: বিনা উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল ও স্বল্প জীবনকাল সম্পন্ন আউশ ধানের জাত বিনাধান-১৯ সম্প্রসারণ ও প্রচারের লক্ষ্যে ফসল কর্তন ও মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (০৯ সেপ্টেম্বের) বিকাল ৪টায় কলারোয়া উপজেলার ঝাঁপাঘাট এলাকায় বাংলাদেশ পরমানু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট বিনা উপকেন্দ্র সাতক্ষীরার আয়োজনে ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় পরিবর্তিত আবহাওয়া উপযোগীর জাত উদ্ভাবন কর্মসূচির অর্থায়ণে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক অরবিন্দ বিশ^াসের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট বিনা ময়মনসিংহ এর প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আজিজুল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের জেলা প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা মো. নুরুল ইসলাম, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (শস্য) মো. জসিম উদ্দিন, বাংলাদেশ পরমানু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট বিনা উপকেন্দ্র সাতক্ষীরার ভারপ্রপ্ত কর্মকর্তা মো. আল-আরাফাত তপু, বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট বিনা ময়মনসিংহ এর বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা পার্থ বিশ^াস প্রমূখ। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কলারোয়া উপজেলার উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা শেখ আবুল হাসান, কৃষক আশরাফ আলী, শরিফুল ইসলাম প্রমূখ।

মাঠ দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি বলেন, বিনা ধান-১৯, ১০০ দিন জীবনকাল সম্পন্ন এ ধান চাষাবাদ করে কৃষক অতিরিক্ত একটি ফসল ঘরে তুলতে পারছে এবং ধান স্বল্প সেচে চাষাবাদ করা যায়। আউশ ধানের উপর গুরুত্ব দিয়ে কৃষকের কল্যাণের কথা ভেবে সরকার ভর্র্তূকি দিচ্ছে। কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নের কথা ভেবে পরমাণু বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তাদের স্বল্প মেয়াদী বিভিন্ন জাত উদ্ভাবনের জন্য সরকার যে অর্থ ব্যায় করছে তা শুধু কৃষকের জন্য। এ এলাকায় সবজি চাষের পাশাপাশিঅতিরিক্ত ফসল হিসেবে বিনা ধান-১৯, চাষাবাদ করেছেন কৃষক শরিফুল ইসলাম। এতে এলাকার চাষিরা আরো উপকৃত হবে।

অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথিবৃন্দ এলাকার কৃষকদের নিয়ে বিনা কর্তৃক উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল ও স্বল্প জীবনকাল সম্পন্ন আউশ ধানের জাত বিনা ধান-১৯ সম্প্রসারণ ও প্রচারের লক্ষ্যে ফসল কর্তন করেন। এসময় কৃষি কর্মকর্তা ও এলাকার শতাধিক কৃষক কৃষাণীরা উপস্থিত ছিলেন। সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মাসুম সরদার।