খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কের পাটকেলঘাটা এলাকায় রাস্তার পাশে কাঠের গুড়ি ইট বালী ট্রাক পার্কিং


প্রকাশিত : সেপ্টেম্বর ১০, ২০১৯ ||

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা-খুলনা মহাসড়কের তালা উপজেলার পাটকেলঘাটা হারুণ-অর রশিদ কলেজ হতে কুমিরা মহিলা কলেজ পর্যন্ত ২কিলোমিটার সড়কের দু’পাশে পাশে কাঠের গুড়ি, ইট, বালি, ট্রাক পার্কিং ও সরকারি জায়গায় অবৈধভাবে ইটের ঘর তৈরি করে ব্যবসা পরিচালনার ফলে প্রতিনিয়ত ঘটছে প্রাণহানি। জনসাধারণের পোহাতে হচ্ছে চরম দূর্ভোগ।
সরেজমিনে তথ্যানুসন্ধানে দেখা যায়, পাটকেলঘাটা হারুণ-অর রশিদ কলেজ হতে কুমিরা মহিলা কলেজ পর্যন্ত ২ কিলোমিটার রাস্তা অত্যন্ত জনগুরুত্বপূর্ণ। এ সড়কের দু’ধারে ২টি কলেজ, ৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ২টি মাদরাসা, ৫টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, সাতক্ষীরা পল্লীবিদ্যাৎ সমিতির সদর দপ্তরসহ কয়েকটি বেসরকারী ক্লিনিক রয়েছে।
এছাড়াও মহাসড়কের পাশেই অবস্থিত সাতক্ষীরা জেলার প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র পাটকেলেঘাটা বাজার। প্রতিদিন এ সড়ক দিয়ে হাজার হাজার ছাত্র-ছাত্রী চলাচল করে, সাথে পোহাতে হচ্ছে নানা যানজট ও চরম দূর্ভোগ। তাছাড়া সবসময় ছোটবড় বিভিন্ন ভারী যানবাহন চলাচল করে। ভোমরা স্থলবন্দর থেকে পন্য আনা নেওয়ার একমাত্র সহজ পথ হল এ সড়কটি। কিন্তু কতিপয় অসাধু ব্যবসায়ী ও ভুমিদস্যুরা মহাসড়ক পাশে ইটের তৈরি ঘর করে, কাঠের গুড়ি, ইট, বালি ও ট্রাক পাকিং করে দখলের মহাউৎসবে মেতে উঠেছে। সাথে সাথে চালিয়ে যাচ্ছে অবাধে ব্যবসা-বাণিজ্য। যার ফলে যানবাহন চলাচল ও পথচারীদের দূর্ভোগের শেষ নেই। সড়কের কোল ঘেষে ৪টি স’মিল ও কয়েকশত কাঠ ব্যাবসায়ী নিয়মনীতি উপেক্ষা করে জনপদের জায়গা দখল করে পাঁকা ঘর নির্মাণ করে দিদারছে চালিয়ে যাচ্ছে ব্যবসা। অভিযোগ রয়েছে সড়ক ও জনপদ বিভাগ অফিসের কতিপয় সুপারভাইজারকে মাশোয়ারা দিয়ে কাঠের গুড়ি, ইট, বালি, ট্রাক পাকিং করে ব্যবসায়ীরা জায়গা দখল করে আছে। পথচারীদের সাথে কথা হলে তারা বলেন অচিরেই সড়কের দু’পাশে দখলদার ব্যবসায়ীদের উচ্ছেদ করা না গেলে যেকোন মুহুত্বে আবারও প্রাণহানির মতো ঘটনা ঘটবে। সম্প্রতি এ মহাসড়কে প্রাণ গেল পাটকেলঘাটা কলেজের জীববিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক জাহানারা বেগম।
এ বিষয়ে সাতক্ষীরা সড়ক ও জনপদ বিভাগে নির্বাহী প্রকোশলী সাথে যোগাযোগ করা হলে কোন সাড়া মেলেনি।
এ ব্যাপারে তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বার্হী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ ইকবাল হোসেন বলেন, অবৈধ ফুটপাত ও স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান চলমান থাকবে।