ফিংড়ীর বিল খাল ও নদী হতে নেট-পাটা অপসারণে জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা


প্রকাশিত : সেপ্টেম্বর ১০, ২০১৯ ||

শেখ হেদায়েতুল ইসলাম: ফিংড়ী ইউনিয়নে কয়েকটি বিল খাল ও নদী হতে নেট-পাটা অপসারণ না হওয়ায় এলাকার জলাবদ্ধ পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে না। এলাকা সূত্রে জানা যায়, ফিংড়ী ইউনিয়নের কয়েকটি বিল ও খালে ৫০ জায়গায় নেট-পাটা দিয়ে দখলে আছে। অথচ সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক খাল ও বিলের পানি নিষ্কাশনের পথ উন্মুক্ত করার ঘোষণা দিলেও মুক্ত হয়নি ফিংড়ী ইউনিয়নে কয়েকটি বিলের খাল ও বিলের নেট পাটা। এসব খাল ও বিল প্রভাবশালীরা দখল করে আছে ইউনিয়ন পরিষদ ও ভূমি অফিসের সহযোগিতায়।
সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক এস এম মোস্তফা কামাল এক নির্বাহী আদেশে জেলার পানি নিষ্কাশনের সকল সরকারি খাল ও নদীর ইজারা বাতিল করেন। ২২ আগস্ট বৃহস্পতিবার বিকালে “জলাবদ্ধতা দূরীকরণে নাগরিক সংলাপ” শীর্ষক সভায় তিনি এ আদেশ দেন। জনমনে প্রশ্ন জেলা প্রশাসক জলাবদ্ধতা নিরশনে জোরালো পদক্ষেপ গ্রহণ করলেও ফিংড়ী ইউনিয়নে কয়েকটি বিলের খাল নেট-পাটা দিয়ে দখল করে থাকলেও তার কোনো নিরসন হয়নি। বিশেয করে গোবরদাড়ী, জোড়দিয়া বিলের খাল হয়ে বুড়ামারার খাল, গাভার খাল, ফিংড়ীর খালে ৫০ অধিক স্থানে নেট-পাটা দিয়ে ভোগদখলে আছে। এদিকে বাকড়া, ব্যাংদহা ও গাভার উপর দিয়ে যে মরিচ্চাপ নদী বয়ে গেছে। সে নদীতে বিভিন্ন জায়গায় বাঁধ এবং নেট-পাটা দিয়ে দখলে আছে। এসব খাল ও নদী হতে বাঁধ ও নেট-পাটা অপসারণ না করলে স্থায়ী জলাবদ্ধতার রূপ নিতে পারে বলে এলাকাবাসীর ধারণা। ফিংড়ী ইউনিয়নের খাল ও নদীতে বাঁধ-নেট-পাটা দিয়ে দখল করছে দ্রুত অপসারণ করে মুক্ত করার জন্য জেলা প্রশাসকের কাছে দাবী জানিয়েছেন এলাকাবাসি।