ডুমুরিয়ায় প্রাকৃতিক সৈন্দর্য বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দিচ্ছে কতিপয় পাখি শিকারী


প্রকাশিত : সেপ্টেম্বর ১১, ২০১৯ ||

ডুমুরিয়া (খুলনা) প্রতিনিধি: প্রকৃতির সৈন্দর্যের প্রতিক চড়–ই পাখি। বিকাল ৫টায় থুকড়া বাজার বটমুলে ও বকুল গাছে চড়–ই পাখির কলকাকলিতে উৎসব-মুখর পরিবেশ তৈরি হয়। সৈন্দর্যের এক অপরূপ লিলায় উৎভাসিত হয় চড়–ই পাখির ডাক। প্রাকৃতিক সৈন্দর্য বিপর্যায়ের পথে ঠেলে দিচ্ছে দুই পাখি শিকারি হন্তারক হিসাবে গভির রাতে যখন পাখি নিরবে ঘুমিয়ে থাকে তখন টর্চ লাইটের আলো দিয়ে তাদের কে গুলি করে হত্যা করে নিয়ে যায়। মানবিক দিক বিচার করে প্রকৃতির ভারসম্য রক্ষাকারিদের কে এভাবে নিরবে নিভৃতে হত্যা করে চলেছে স্থানীয় গুটি কয়েক ব্যক্তি। তাদের দ্বারা প্রতারিত হচ্ছে পাখি জগত। প্রতিনিয়ত এলাকাবাসী-সহ বিভিন্ন এলাকার মানুষ ও পথচারিরা থমকে যায় পাখির কিচমিচ কলরবে। উৎসবমুখর পরিবেশ বিঘœ ঘটিয়ে এবং প্রাকৃতিক ভারসাম্য কে বিঘœ ঘটিয়ে পাখি শিকারের কাজ তারা চালিয়ে যাচ্ছে। এঘটনাকে কেন্দ্র করে গতকাল গভির রাতে থুকড়া বাজার বটমুল ও বকুল গাছে থাকা আশ্রায় নেওয়া পাখিদের কে ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় গুলি করে হত্যা করছে বলে জানা গেছে গুটি কয়েক লোক। এবিষয়ে বাজার কমিটিসহ অন্যান্য নেতৃবিন্দ নিষেদ করার পরেও তাদের কাজ তারা চালিয়ে যাচ্ছে। এবিষয়ে বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মজিনুল আহসান (রাজু আহম্মদ) সহ অন্যান্য কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শনকালে গুলিবিদ্ধ এক পাখিকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। যা অমানবিক এবং নিষিদ্ধ ঘোষণা থাকা সত্বেও তারা তাদের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এ বিষয়ে রঘুনাথপুর তদন্ত কেন্দ্রের ইনেসপেক্টর মোশারফ হোসেন ও তার সহকারী কর্মকর্তা জাহাঙ্গির মোল্যা পাখি শিকারিদের হাতিয়ার উদ্ধারের জোর চেষ্টা চালাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিভাগীয় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে। এবিষয়ে ঐ শিকারিরা এলাকে থেকে গাঢাকা দিয়েছে বলে এলাকাবাসী জানায়।