আশাশুনিতে পাওনা টাকা চাওয়া কেন্দ্রিক চাঁদাবাজি মামলার প্রতিকার প্রার্থনা


প্রকাশিত : September 20, 2019 ||

 

আশাশুনি ব্যুরো: আশাশুনিতে চুক্তি মোতাবেক বালি সরবরাহ করে পাওনা টাকা চাওয়া কেন্দ্রিক মিথ্যা চাঁদাবাজী মামলার প্রতিকার প্রার্থনা করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন স্থানীয় ইউপি সদস্য। বৃহস্পতিবার দুপুরে আশাশুনি প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে উপজেলার খাজরা ইউনিয়ন পরিষদের ৮ নং ওয়ার্ডের সদস্য অনুপ কুমার সানা লিখিত বক্তব্য ও সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে জানান, গদাইপুরে মৌলভী আব্দুল লতিফ কলেজের সড়ক নির্মান প্রকল্পে বালি সরবরাহের জন্য গদাইপুর গ্রামের আব্দুস সালাম বাচ্চু ঠিকাদার তপন চক্রবর্ত্তীর সাথে উল্লেখিত মেম্বারসহ অনেকের সম্মুখে চুক্তিবদ্ধ হন। ১০ টাকা ফুট দরে মৌখিক চুক্তিতে তিনি এ পর্যন্ত ১ লক্ষ ৭ হাজার ৫০০ ফুট বালি সরবরাহ করেছেন। যার মূল্য ১০ লক্ষ ৭০ হাজার ৫০০ টাকা। বিগত তিন মাসে ঠিকাদার বালি সরবরাহকারী বাচ্চুকে বিভিন্ন কিস্তিতে ৫ লক্ষ ১৫ হাজার টাকা শোধ দিয়েছেন। বাকি টাকার জন্য শ্রমিক ও মেশিন মালিক বারবার তাগাদা দিতে থাকায় বাচ্চু ও ঠিাকাদারের কাছে তাগাদা দিতে থাকেন। কিন্তু বারবার ওয়াদা খেলাপ ও টালবাহনার কারনে বিপাকে পড়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান এবং সাতক্ষীরায় বহুবার শালিসের ব্যবস্থা করা হয়। শালিসে টাকা দেওয়ার ওয়াদা করার পরও ঠিকাদার টাকা দেননি। বালি শ্রমিকদের টাকা পরিশোধ না করতে পেরে সরবরাহকারী বাচ্চু গত সোমবার নির্মাণাধীন রাস্তায় গিয়ে ঠিকাদারের শ্রমিক সর্দার শাহিনুরের সাথে কথা বলতে যান। সেখানে দাড়িয়ে মোবাইলে ঠিকাদারের সাথে কথাও বলেন। এনিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে শ্রমিক সর্দারের নেতৃত্বে শ্রমিকরা বাচ্চুকে মারপিট শুরু করেন। পাশের লোকজন জানতে পেরে ঘটনাস্থলে পৌছে ঘটনা জানতে ও বাচ্চুকে উদ্ধার করতে গেলে উভয় পক্ষের মধ্যে হালকা টানা-হেচড়ার ঘটনা ঘটে। ঘটনাটিতে নাটক সাজিয়ে টাকা পাওনাদার তাদের কাছে চাঁদা দাবী করেছে এমন ষড়যন্ত্র মূলক অভিযোগ এনে মিথ্যা চাঁদাবাজী মামলা দায়ের করা হয়েছে। মেম্বার অনুপ আরো বলেন, ঠিকাদার তপন খুবই ধুরন্ধর, তিনি কাজের বিল তুলে নিলেও শ্রমিকদের পাওনা শোধ দিচ্ছেন না। টাকা চাইলে বিভিন্ন রকম ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রয়োজনে চাঁদাবাজী মামলা দেয়া হবে বলে হুমকি দিয়ে আসছেন। এরই ফলশ্রুতিতে ন্যয্য পাওনাদারকে টাকা না দিয়ে উল্টো চাঁদাবাজী মামলা দিয়ে তাকেসহ নিরিহ অনেককে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন ও ষড়যন্ত্র করে উল্টো চাঁদাবাজীর মামলা করা হয়েছে। তিনি এব্যাপারে সুষ্ঠু তদন্ত করতে পুলিশ সুপার মহোদয়ের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে। এসময় বালি উত্তোলন কাজে ব্যবহৃত মেশিন মালিকসহ এলাকার বহু মানুষ ও শ্রমিকরা উপস্থিত ছিলেন।